ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এমপির স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার চেষ্টা অভিযোগের কেন্দ্রে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক আকতার জাহান কাঁকন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ঠিকাদার অ্যাসোসিয়েশনের কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক ইউসুফের অঢেল সম্পদের পাহাড় ইউএইচএফ টেন্ডারে ‘মটোরোলা ফাঁদ’ বিপাকে ডিপিডিসি ময়মনসিংহের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘ঘর বাণিজ্যের’ অভিযোগ ডেভিড ইমন গ্রেপ্তারেও থামেনি সাজ্জাদ বাহিনী, চিন্তায় পুলিশ ব্রাহ্মণপাড়া পুকুরের পানিতে ডুবে ১৮ মাসের শিশুর করুণ মৃত্যু সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল
বনের জমিতে ‘ঘর বাণিজ্য

ময়মনসিংহের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘ঘর বাণিজ্যের’ অভিযোগ

ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন বনের জায়গায় পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। এ ছাড়া সিলেট অঞ্চলে বদলির পরও রহস্যজনক কারণে তিনি থেকে গেছেন ময়মনসিংহে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উথুরা রেঞ্জের আদারগারা বিটের শহীদের মোড়ে স্থানীয় শফিকুল ইসলামকে পাকা বিল্ডিংয়ের অনুমতি দিয়ে ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল ঘুষ নিয়েছেন ১৮ লাখ টাকা। একই এলাকার গার্মেন্টকর্মী আলম ও তার স্ত্রী মুক্তার কাছ থেকে নিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া আউলিয়ারচালার থালপাড়া গজারি বাগানের টিলায় মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে ১৫ লাখ, ঢালপাড়ার বাসিন্দা মুজিবুরকে সাত রুমের পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে ২৫ লাখ ও মুক্তিযোদ্ধার মোড় হিজলাপাড়া গজারি বাগান এলাকার জনৈক ইয়াসিনের পুত্র মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা ছাড়াও আউলিয়ার বড়চালা এলাকার পল্লি চিকিৎসক বেলাল হোসেনের জামাতার কাছ থেকে দোতলা ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে নিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ ও কালিবাড়ীর মোড়ে রুবেল হুজুরের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা।

অপর একটি সূত্র জানায়, ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন উথুরা রেঞ্জ পরিদর্শনে গিয়ে অফিস খরচের কথা বলে সংশ্লিষ্ট অফিস কম্পাউন্ডে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ আকাশমণি গাছ বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া আঙ্গারগারা বিট এলাকায় ছোট-বড় আরও ২০টি পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

বন-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, ‘ঘর বাণিজ্য’ করে ইসমাইল হোসেন কয়েক কোটি টাকা নিয়েছেন। এ কারণে সিলেটে বদলির পরেও তিনি এখানে বহাল রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন। তবে তিনি বলেন, ‘অভিযোগের ব্যাপারে আমি বিট কর্মকর্তার কাছ থেকে জেনে পরে বিস্তারিত জানাব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপির স্বাক্ষর জাল করে ১০০ কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার চেষ্টা

বনের জমিতে ‘ঘর বাণিজ্য

ময়মনসিংহের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘ঘর বাণিজ্যের’ অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন বনের জায়গায় পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। এ ছাড়া সিলেট অঞ্চলে বদলির পরও রহস্যজনক কারণে তিনি থেকে গেছেন ময়মনসিংহে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উথুরা রেঞ্জের আদারগারা বিটের শহীদের মোড়ে স্থানীয় শফিকুল ইসলামকে পাকা বিল্ডিংয়ের অনুমতি দিয়ে ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল ঘুষ নিয়েছেন ১৮ লাখ টাকা। একই এলাকার গার্মেন্টকর্মী আলম ও তার স্ত্রী মুক্তার কাছ থেকে নিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া আউলিয়ারচালার থালপাড়া গজারি বাগানের টিলায় মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে ১৫ লাখ, ঢালপাড়ার বাসিন্দা মুজিবুরকে সাত রুমের পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে ২৫ লাখ ও মুক্তিযোদ্ধার মোড় হিজলাপাড়া গজারি বাগান এলাকার জনৈক ইয়াসিনের পুত্র মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা ছাড়াও আউলিয়ার বড়চালা এলাকার পল্লি চিকিৎসক বেলাল হোসেনের জামাতার কাছ থেকে দোতলা ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে নিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ ও কালিবাড়ীর মোড়ে রুবেল হুজুরের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা।

অপর একটি সূত্র জানায়, ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন উথুরা রেঞ্জ পরিদর্শনে গিয়ে অফিস খরচের কথা বলে সংশ্লিষ্ট অফিস কম্পাউন্ডে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ আকাশমণি গাছ বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া আঙ্গারগারা বিট এলাকায় ছোট-বড় আরও ২০টি পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

বন-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, ‘ঘর বাণিজ্য’ করে ইসমাইল হোসেন কয়েক কোটি টাকা নিয়েছেন। এ কারণে সিলেটে বদলির পরেও তিনি এখানে বহাল রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন। তবে তিনি বলেন, ‘অভিযোগের ব্যাপারে আমি বিট কর্মকর্তার কাছ থেকে জেনে পরে বিস্তারিত জানাব।