ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘গ্রেনেড বাবু’ থেকে ‘গ’লাকাটা রাজু’, খুলনার সন্ত্রাসীদের বিচিত্র নাম ও অপরাধ ফ্যাসিস্ট সরকার শিশু ও আলেমদের হত্যা করেছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন শাড়িটি গিফট করেছিল, এমন গিফট আমাদের রেগুলার আসে: তানজিন তিশা পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অনিবন্ধিত অনলাইন ও নিউজ পেজের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর সফর হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক ২০২৬ পেলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জের নাহিদ উজ্জামান আত্রাইয়ে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ পিস বুপ্রেনরফিনসহ আটক ১
বনের জমিতে ‘ঘর বাণিজ্য

ময়মনসিংহের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘ঘর বাণিজ্যের’ অভিযোগ

ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন বনের জায়গায় পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। এ ছাড়া সিলেট অঞ্চলে বদলির পরও রহস্যজনক কারণে তিনি থেকে গেছেন ময়মনসিংহে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উথুরা রেঞ্জের আদারগারা বিটের শহীদের মোড়ে স্থানীয় শফিকুল ইসলামকে পাকা বিল্ডিংয়ের অনুমতি দিয়ে ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল ঘুষ নিয়েছেন ১৮ লাখ টাকা। একই এলাকার গার্মেন্টকর্মী আলম ও তার স্ত্রী মুক্তার কাছ থেকে নিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া আউলিয়ারচালার থালপাড়া গজারি বাগানের টিলায় মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে ১৫ লাখ, ঢালপাড়ার বাসিন্দা মুজিবুরকে সাত রুমের পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে ২৫ লাখ ও মুক্তিযোদ্ধার মোড় হিজলাপাড়া গজারি বাগান এলাকার জনৈক ইয়াসিনের পুত্র মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা ছাড়াও আউলিয়ার বড়চালা এলাকার পল্লি চিকিৎসক বেলাল হোসেনের জামাতার কাছ থেকে দোতলা ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে নিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ ও কালিবাড়ীর মোড়ে রুবেল হুজুরের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা।

অপর একটি সূত্র জানায়, ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন উথুরা রেঞ্জ পরিদর্শনে গিয়ে অফিস খরচের কথা বলে সংশ্লিষ্ট অফিস কম্পাউন্ডে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ আকাশমণি গাছ বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া আঙ্গারগারা বিট এলাকায় ছোট-বড় আরও ২০টি পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

বন-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, ‘ঘর বাণিজ্য’ করে ইসমাইল হোসেন কয়েক কোটি টাকা নিয়েছেন। এ কারণে সিলেটে বদলির পরেও তিনি এখানে বহাল রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন। তবে তিনি বলেন, ‘অভিযোগের ব্যাপারে আমি বিট কর্মকর্তার কাছ থেকে জেনে পরে বিস্তারিত জানাব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

বনের জমিতে ‘ঘর বাণিজ্য

ময়মনসিংহের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে ‘ঘর বাণিজ্যের’ অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৪৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন বনের জায়গায় পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের অর্থ। এ ছাড়া সিলেট অঞ্চলে বদলির পরও রহস্যজনক কারণে তিনি থেকে গেছেন ময়মনসিংহে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উথুরা রেঞ্জের আদারগারা বিটের শহীদের মোড়ে স্থানীয় শফিকুল ইসলামকে পাকা বিল্ডিংয়ের অনুমতি দিয়ে ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল ঘুষ নিয়েছেন ১৮ লাখ টাকা। একই এলাকার গার্মেন্টকর্মী আলম ও তার স্ত্রী মুক্তার কাছ থেকে নিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া আউলিয়ারচালার থালপাড়া গজারি বাগানের টিলায় মোশারফ হোসেনের কাছ থেকে ১৫ লাখ, ঢালপাড়ার বাসিন্দা মুজিবুরকে সাত রুমের পাকা বিল্ডিং করার অনুমতি দিয়ে ২৫ লাখ ও মুক্তিযোদ্ধার মোড় হিজলাপাড়া গজারি বাগান এলাকার জনৈক ইয়াসিনের পুত্র মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা ছাড়াও আউলিয়ার বড়চালা এলাকার পল্লি চিকিৎসক বেলাল হোসেনের জামাতার কাছ থেকে দোতলা ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে নিয়েছেন সাড়ে তিন লাখ ও কালিবাড়ীর মোড়ে রুবেল হুজুরের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা।

অপর একটি সূত্র জানায়, ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন উথুরা রেঞ্জ পরিদর্শনে গিয়ে অফিস খরচের কথা বলে সংশ্লিষ্ট অফিস কম্পাউন্ডে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ আকাশমণি গাছ বিক্রি করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ছাড়া আঙ্গারগারা বিট এলাকায় ছোট-বড় আরও ২০টি পাকাঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

বন-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, ‘ঘর বাণিজ্য’ করে ইসমাইল হোসেন কয়েক কোটি টাকা নিয়েছেন। এ কারণে সিলেটে বদলির পরেও তিনি এখানে বহাল রয়েছেন।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইল হোসেন। তবে তিনি বলেন, ‘অভিযোগের ব্যাপারে আমি বিট কর্মকর্তার কাছ থেকে জেনে পরে বিস্তারিত জানাব।