ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

জুলাইয়ের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের প্রবাস আয়ে (রেমিট্যান্স) বড় ধরনের সুবাতাস বইছে। জুলাই মাসের প্রথম ১৮ দিনেই প্রবাসীরা বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২২ হাজার ৭০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)।
রবিবার (১৯ জুলাই) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০.২ শতাংশ বেশি। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের সন্তোষজনক রেট পাওয়ায় প্রবাসীরা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন। অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করছে সরকার : আইনমন্ত্রী

জুলাইয়ের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার

আপডেট সময় ০৫:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের প্রবাস আয়ে (রেমিট্যান্স) বড় ধরনের সুবাতাস বইছে। জুলাই মাসের প্রথম ১৮ দিনেই প্রবাসীরা বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২২ হাজার ৭০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)।
রবিবার (১৯ জুলাই) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০.২ শতাংশ বেশি। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের সন্তোষজনক রেট পাওয়ায় প্রবাসীরা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বেশি উৎসাহিত হচ্ছেন। অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।