ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন -ভিসি ড.এস.এম হেমায়েত জাহান যে কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাওয়ে জার্সি পরতে বাধ্য হচ্ছে আর্জেন্টিনা চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ব্রুনাই শ্রমবাজারে হাইকমিশনার নওরিন আহসানকে ঘিরে বিতর্ক জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ বিয়েবাড়িতে খাসির বদলে মুরগির মাংস দেওয়ায় তুমুল মারামারি নেপালে আবার কেন জেন-জি বিক্ষোভ, নেপথ্যে কী? আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডকে সমর্থন ট্রাম্প প্রশাসনের! রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

মা-বাবাকে সাথে নিয়ে জীবনযাপন কেন এতো জরুরি

মা-বাবাকে সাথে নিয়ে জীবনযাপন করা ৪ টি অন্যতম কারণ
১।জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মা- বাবা
২। মা- বাবার দোয়া ভাগ্য বদলায়।
৩। মা- বাবা ছাড়া সফলা পাওয়া যায়না।
৪। মা- বাবার মনে কষ্ট দিয়ে সুখ পাওয়া যায়না।
বর্তমান ব্যস্ত নগরজীবন ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেকেই ধীরে ধীরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী জীবন বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় যে মা-বাবা, তা অনেকেই বুঝতে পারেন সময় ফুরিয়ে যাওয়ার পর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা-বাবাকে সাথে নিয়ে জীবনযাপন শুধু পারিবারিক বন্ধনকে দৃঢ় করে না, বরং মানসিক শান্তি, পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করে।
মা-বাবা একজন সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক। ছোটবেলা থেকে তারা সন্তানকে ভালো-মন্দের শিক্ষা দেন, জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সাহস জোগান এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন মা-বাবা শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন, তখন তাদের পাশে থাকা সন্তানদের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ পারিবারিক দূরত্ব ও মূল্যবোধের অবক্ষয়। অথচ মা-বাবাকে সাথে নিয়ে বসবাস করলে পরিবারে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পায় এবং সন্তানরাও মানবিক শিক্ষা লাভ করে। একটি পরিবারে দাদা-দাদি বা নানা-নানির উপস্থিতি শিশুদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, মা-বাবার সাথে বসবাস করলে মানসিক চাপ কমে এবং পারিবারিক নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়। জীবনের দুঃসময়ে একজন মা-বাবার দোয়া ও মানসিক সমর্থন অনেক বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে। অর্থ কিংবা সম্পদ নয়, শেষ বয়সে মা-বাবার সবচেয়ে বড় চাওয়া থাকে সন্তানের ভালোবাসা ও একটু সময়।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও মা-বাবার সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামসহ বিভিন্ন ধর্মে মা-বাবার প্রতি সদাচরণ ও তাদের সম্মান করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, মা-বাবার সন্তুষ্টির মধ্যেই জীবনের প্রকৃত সফলতা ও শান্তি নিহিত।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, আধুনিকতার নামে পরিবার থেকে দূরে সরে না গিয়ে মা-বাবাকে সাথে নিয়ে সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। কারণ, পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় এখনো “মা-বাবার ছায়া”।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন -ভিসি ড.এস.এম হেমায়েত জাহান

মা-বাবাকে সাথে নিয়ে জীবনযাপন কেন এতো জরুরি

আপডেট সময় ১২:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
মা-বাবাকে সাথে নিয়ে জীবনযাপন করা ৪ টি অন্যতম কারণ
১।জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মা- বাবা
২। মা- বাবার দোয়া ভাগ্য বদলায়।
৩। মা- বাবা ছাড়া সফলা পাওয়া যায়না।
৪। মা- বাবার মনে কষ্ট দিয়ে সুখ পাওয়া যায়না।
বর্তমান ব্যস্ত নগরজীবন ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেকেই ধীরে ধীরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী জীবন বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় যে মা-বাবা, তা অনেকেই বুঝতে পারেন সময় ফুরিয়ে যাওয়ার পর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা-বাবাকে সাথে নিয়ে জীবনযাপন শুধু পারিবারিক বন্ধনকে দৃঢ় করে না, বরং মানসিক শান্তি, পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করে।
মা-বাবা একজন সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক। ছোটবেলা থেকে তারা সন্তানকে ভালো-মন্দের শিক্ষা দেন, জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সাহস জোগান এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যখন মা-বাবা শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন, তখন তাদের পাশে থাকা সন্তানদের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে বৃদ্ধাশ্রমের সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ পারিবারিক দূরত্ব ও মূল্যবোধের অবক্ষয়। অথচ মা-বাবাকে সাথে নিয়ে বসবাস করলে পরিবারে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পায় এবং সন্তানরাও মানবিক শিক্ষা লাভ করে। একটি পরিবারে দাদা-দাদি বা নানা-নানির উপস্থিতি শিশুদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, মা-বাবার সাথে বসবাস করলে মানসিক চাপ কমে এবং পারিবারিক নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়। জীবনের দুঃসময়ে একজন মা-বাবার দোয়া ও মানসিক সমর্থন অনেক বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে। অর্থ কিংবা সম্পদ নয়, শেষ বয়সে মা-বাবার সবচেয়ে বড় চাওয়া থাকে সন্তানের ভালোবাসা ও একটু সময়।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও মা-বাবার সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামসহ বিভিন্ন ধর্মে মা-বাবার প্রতি সদাচরণ ও তাদের সম্মান করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, মা-বাবার সন্তুষ্টির মধ্যেই জীবনের প্রকৃত সফলতা ও শান্তি নিহিত।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, আধুনিকতার নামে পরিবার থেকে দূরে সরে না গিয়ে মা-বাবাকে সাথে নিয়ে সুন্দর ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। কারণ, পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় এখনো “মা-বাবার ছায়া”।