ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে স্কুলের তালা ভেঙে কম্পিউটারসহ ৩ লাখ টাকার মালামাল চুরি বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছে : জাহিদ হোসেন জ্যোতির রেকর্ডের দিনে বাংলাদেশের সিরিজ হার খিলগাঁও পশ্চিম নন্দীপাড়া ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে টিসিবি ডিলারকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড়—মেসার্স আলীনগর ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও কালোবাজারির অভিযোগ রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধ_র্ষ_ণে অভিযোগ ফুলবাড়ীতে আইনশৃঙ্খলা ও চোরাচালান  প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সফট বাইটের ম্যানেজার ফয়সালের রহস্যজনক মৃত্যু মরদেহ উদ্ধার; রুমমেট পলাতক, অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ.. মানিকগঞ্জে দালাল চক্রের ১২ সদস্য আটক, ৩ দিনের কারাদণ্ড রংপুরে এসএসসির ভুয়া প্রশ্নপত্র বিক্রেতা শিক্ষার্থী ডিবির হাতে আটক আমেরিকায় কেমন চলছে দম?

হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৪:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৮ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ৮ বছর আগে মিলন বাহাদুর নামে এক মোটরসাইকেলচালককে হত্যার পর তার মরদেহ গুমের ঘটনায় ছেলেকে যাবজ্জীবন ও মাকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার(৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো.সিদ্দিকুর রহমান ছেলে মো.তাজিম (২৮) এবং স্ত্রী মোসা. রেহানা বেগম (৫০)।

মোটরসাইকেলচালককে হত্যার দায়ে আদালত তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মরদেহ গুমের দায়ে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, আনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় রেহানা উপস্থিত থাকলেও, তার ছেলে পলাতক রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলনকে সহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেন তাজিম ও আরেক যুবক। এরপর রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলনকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন তার পরিবার। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটিক ট্যাংকের মধ্য থেকে নিহত মিলনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় মরদেহটি গুম করেছিল।

এ ঘটনার পর ৫ জনকে আসামি করে নিহত মিলনের বাবা শাহাদাত বাহাদুর ওই দিন নেছারাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রায় ঘোষণার সময় বিচারক অন্য দুই অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে স্কুলের তালা ভেঙে কম্পিউটারসহ ৩ লাখ টাকার মালামাল চুরি

হত্যা মামলায় ছেলের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ৮ বছর আগে মিলন বাহাদুর নামে এক মোটরসাইকেলচালককে হত্যার পর তার মরদেহ গুমের ঘটনায় ছেলেকে যাবজ্জীবন ও মাকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার(৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো.সিদ্দিকুর রহমান ছেলে মো.তাজিম (২৮) এবং স্ত্রী মোসা. রেহানা বেগম (৫০)।

মোটরসাইকেলচালককে হত্যার দায়ে আদালত তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মরদেহ গুমের দায়ে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা, আনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় রেহানা উপস্থিত থাকলেও, তার ছেলে পলাতক রয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলনকে সহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেন তাজিম ও আরেক যুবক। এরপর রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলনকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন তার পরিবার। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটিক ট্যাংকের মধ্য থেকে নিহত মিলনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় মরদেহটি গুম করেছিল।

এ ঘটনার পর ৫ জনকে আসামি করে নিহত মিলনের বাবা শাহাদাত বাহাদুর ওই দিন নেছারাবাদ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রায় ঘোষণার সময় বিচারক অন্য দুই অভিযুক্তকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।