ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রেকর্ড বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যু র‌্যাংকিংয়ে তিন বাংলাদেশি পেসারের বড় লাফ শনির আখড়ায় সাংবাদিক এস. এম. কামাল পারভেজ ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি পিএসজির ৪৩ গোল, বায়ার্নের ৪২—চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতিহাস নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ কালুখালী উপজেলার পেঁয়াজ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে চলা ‘ধলতা’ প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কালুখালী উপজেলা প্রশাসন নিজের দোকান ভাঙচুর করে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর অভিযোগ, হাট ইজারাদারের সংবাদ সম্মেলন মিরপুরে নকশাবহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, রাজউকের অথরাইজ অফিসার মাসুক আহমেদ এবং ইমারত পরিদর্শক মোহনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ! পিএসএলের ফাইনালে খেলবেন নাহিদ, তামিমকে ধন্যবাদ জানাল পেশোয়ার শ্রীপুরে প্রধান শিক্ষকই কোচিং ব্যবসায়ী, সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার আড়ালে বাণিজ্য!

পিআইও’র বিরুদ্ধে প্রকল্পের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদনের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ চত্বরের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মাটি ভরাটের কাজ করা নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি।

তবে পিআইও’র দাবি প্রকল্পের টাকার ব্যাপারে তিনি কিছু জানেনা। তবে ভুক্তভোগী বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা নিয়েও কাজের মুজুরীর টাকা পাচ্ছেন না ঘুরছে দ্বারে দ্বারে ।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে মদন উপজেলা পরিষদ চত্বরে মাটি ভরাটের জন্য উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। তখনকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ আলম মিয়া উপজেলা পরিষদের মাটি ভরাটের প্রকল্পের কাজ দেন মাটি ব্যবসায়ী উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের নজরুল ইসলাম কে।

মাটি দিয়ে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন জায়গার গর্ত ভরাট করে দেন নজরুল ইসলামকে দিয়ে । মাটি ভরাট করতে খরচ হয় ৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।

এর মধ্যে সাবেক ইউএনও শাহ্ আলম মিয়া তাকে কয়েক ধাপে ২লাখ ৩০হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বাকি থাকে ১লাখ ৩৯ হাজার টাকা আজ না কাল দিবে দিবে বলে ঘোরাচ্ছেন তাকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। তখনকার সাবেক ইউএনও শাহ্ আলম মিয়া বদলির আদেশ হলে পিআইও হুমায়ুন কবির কে তার অফিসে ডেকে নিয়ে মাটি ভরাটের বাকি ১লাখ ৩৯হাজার টাকা নজরুল ইসলাম কে সময় মতো পরিশোধ করতে নির্দেশ প্রদান করে।

কিন্তু কিছু দিন যাবৎ পিআইও তাকে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না। টাকা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে মাটি ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বাধ্য হয়ে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বরাবর এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে।

মাটি কাটার টাকা পরিশোধ না করে আজ না কাল তাল বাহানা করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তব কর্মকর্তা হুমায়ূন কবীর বলেন, টাকার বিষয়টা আমার পূর্বের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাল জানেন। টাকার বিষয়ে আমি কিছুই জানি।

মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ বেদবতী মিস্ত্রী বলেন, মদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যু

পিআইও’র বিরুদ্ধে প্রকল্পের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনার মদনের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ চত্বরের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মাটি ভরাটের কাজ করা নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি।

তবে পিআইও’র দাবি প্রকল্পের টাকার ব্যাপারে তিনি কিছু জানেনা। তবে ভুক্তভোগী বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা নিয়েও কাজের মুজুরীর টাকা পাচ্ছেন না ঘুরছে দ্বারে দ্বারে ।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে মদন উপজেলা পরিষদ চত্বরে মাটি ভরাটের জন্য উপজেলা প্রশাসন কয়েকটি প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়। তখনকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ আলম মিয়া উপজেলা পরিষদের মাটি ভরাটের প্রকল্পের কাজ দেন মাটি ব্যবসায়ী উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের নজরুল ইসলাম কে।

মাটি দিয়ে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন জায়গার গর্ত ভরাট করে দেন নজরুল ইসলামকে দিয়ে । মাটি ভরাট করতে খরচ হয় ৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।

এর মধ্যে সাবেক ইউএনও শাহ্ আলম মিয়া তাকে কয়েক ধাপে ২লাখ ৩০হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বাকি থাকে ১লাখ ৩৯ হাজার টাকা আজ না কাল দিবে দিবে বলে ঘোরাচ্ছেন তাকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। তখনকার সাবেক ইউএনও শাহ্ আলম মিয়া বদলির আদেশ হলে পিআইও হুমায়ুন কবির কে তার অফিসে ডেকে নিয়ে মাটি ভরাটের বাকি ১লাখ ৩৯হাজার টাকা নজরুল ইসলাম কে সময় মতো পরিশোধ করতে নির্দেশ প্রদান করে।

কিন্তু কিছু দিন যাবৎ পিআইও তাকে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না। টাকা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে মাটি ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বাধ্য হয়ে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বরাবর এক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে।

মাটি কাটার টাকা পরিশোধ না করে আজ না কাল তাল বাহানা করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তব কর্মকর্তা হুমায়ূন কবীর বলেন, টাকার বিষয়টা আমার পূর্বের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাল জানেন। টাকার বিষয়ে আমি কিছুই জানি।

মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ বেদবতী মিস্ত্রী বলেন, মদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।