ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার প্রকল্পকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. জিয়াউল হাসানের নাম। বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়ন ও গ্রাহকসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এ প্রকল্প এখন নানা অভিযোগ, অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং আর্থিক দুর্নীতির প্রশ্নে তীব্র সমালোচনার মুখে। সংশ্লিষ্ট সূত্র, ভুক্তভোগী গ্রাহক, ঠিকাদার মহল এবং প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার দাবি, জিয়াউলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের বিভিন্ন ধাপে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার প্রকল্পটি ছিল ডিপিডিসির অন্যতম বড় বিনিয়োগ কর্মসূচি। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় গ্রাহকদের মাঝে ধাপে ধাপে প্রায় সাড়ে আট লাখ মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্পটিকে একটি মডেল উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা ব্যবহার অনুযায়ী বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন, রিয়েল-টাইম তথ্য পাবেন, অপচয় কমবে, বিদ্যুৎ চুরি নিয়ন্ত্রণ হবে এবং প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ক্রয় পরিকল্পনা, দরপত্র প্রক্রিয়া, সরবরাহকারী নির্বাচন এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন—সব ক্ষেত্রেই জিয়াউল হাসানের একচ্ছত্র প্রভাব ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব ফাইল তার অনুমোদন ছাড়া এগোতো না। টেকনিক্যাল কমিটি, মূল্যায়ন কমিটি এবং সরবরাহ তদারকি ইউনিটের ওপরও তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ ছিল বলে দাবি করেন তারা। ফলে প্রকল্পে জবাবদিহিতার পরিবর্তে ব্যক্তি নির্ভর একটি প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হয়।
সবচেয়ে বড় অভিযোগ উঠেছে মিটার সরবরাহকে কেন্দ্র করে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রতিটি মিটার সরবরাহের বিপরীতে ১৫ ডলার করে কমিশন আদায় করা হয়েছে। প্রকল্পে সাড়ে আট লাখ মিটার বিবেচনায় এ কমিশনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় দেড় শত কোটি টাকারও বেশি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এই অর্থ সরাসরি বা বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্তে প্রমাণিত হয়নি, তবে একাধিক উৎস থেকে একই ধরনের তথ্য পাওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়েও রয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডারের শর্ত এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কেউ কার্যকরভাবে অংশ নিতে না পারে। অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পূর্ববর্তী কাজের ধরন, আর্থিক যোগ্যতা এবং সরবরাহ সক্ষমতার মতো মানদণ্ড এমনভাবে সাজানো হয়, যা প্রতিযোগিতাকে সীমিত করে। কয়েকজন ঠিকাদার দাবি করেছেন, তারা দরপত্র নথি কিনলেও শর্তাবলির কারণে অংশ নিতে পারেননি। এতে করে প্রকল্পটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার বদলে নিয়ন্ত্রিত ক্রয়ব্যবস্থায় পরিচালিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কিছু সূত্র আরও বলছে, দরপত্রের আগে থেকেই কারা কাজ পাবে তা অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত ছিল। পরে কাগজে-কলমে প্রতিযোগিতা দেখানো হলেও বাস্তবে নির্বাচিত গোষ্ঠীই সুবিধা পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, কাজ পেতে হলে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং আর্থিক সমঝোতা ছাড়া কোনো সুযোগ ছিল না। যারা এতে রাজি হননি, তারা বিভিন্নভাবে বাদ পড়েছেন।
প্রকল্প বাস্তবায়নের পর প্রযুক্তিগত সাফল্যের যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল, সেটিও এখন প্রশ্নের মুখে। গ্রাহকদের অভিযোগ, স্মার্ট মিটার স্থাপনের পর অনেক ক্ষেত্রে বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। রিচার্জ করার পর ব্যালেন্স দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, অ্যাপ বা অনলাইন সিস্টেমে তথ্য মিলছে না, হঠাৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, আবার অনেক সময় সার্ভার সমস্যার কারণে টাকা জমা দিলেও বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। এসব কারণে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
ডিপিডিসির কয়েকজন মাঠকর্মী জানান, অনেক এলাকায় একই ধরনের অভিযোগ বারবার এলেও প্রকল্প কর্তৃপক্ষ তা গুরুত্ব দেয়নি। বরং সমস্যা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় কর্মকর্তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কারিগরি ত্রুটি স্বীকার করলে প্রকল্পের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এই অজুহাতে অনেক সমস্যা আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্তই করা হয়নি।
একজন সাবেক কর্মকর্তা বলেন, স্মার্ট মিটার প্রকল্পে মূল জোর দেওয়া হয়েছিল সংখ্যা বাড়ানোর ওপর, মান নিশ্চিত করার ওপর নয়। কত দ্রুত কত মিটার বসানো যায়, সেটাই ছিল প্রধান লক্ষ্য। ফলে ইনস্টলেশনের মান, কনফিগারেশন, ডাটা সিঙ্ক্রোনাইজেশন এবং গ্রাহক প্রশিক্ষণের মতো বিষয়গুলো অবহেলিত থেকে যায়। এতে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পে ব্যবহৃত কিছু যন্ত্রাংশের মান নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সরবরাহকৃত কিছু মিটারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের ঘাটতি ছিল বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে। তবে সেসব আপত্তি আমলে নেওয়া হয়নি। কারণ, প্রকল্পের শীর্ষ পর্যায় থেকে দ্রুত বিল পরিশোধ এবং সরবরাহ গ্রহণের চাপ ছিল। ফলে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অনেক সরঞ্জাম গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
জিয়াউল হাসানকে ঘিরে আরও একটি অভিযোগ হলো, তিনি প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন করতেন। প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে তাকে বদলি, দায়িত্বহীন পদে সরিয়ে দেওয়া বা নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। এতে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয় এবং কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, “প্রকল্পে কী হচ্ছে তা সবাই জানত, কিন্তু কেউ বলতে পারত না। কারণ বললেই সমস্যা হতো। অনেকেই চুপ থেকে চাকরি বাঁচানোর পথ বেছে নিয়েছেন।” তার ভাষ্য, জিয়াউলের আশপাশে একটি ঘনিষ্ঠ বলয় তৈরি হয়েছিল, যারা সব সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করত।
সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রকল্পে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি শক্তিশালী সুশাসন কাঠামো প্রয়োজন। কিন্তু এখানে উল্টোটা হয়েছে। প্রযুক্তির নামে বড় বাজেট নেওয়া হলেও নজরদারি, স্বাধীন অডিট, গ্রাহক প্রতিকার ব্যবস্থা এবং কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন দুর্বল ছিল। ফলে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অপরাধ বিশ্লেষক আলদ্দিন হোসেন বলেন, এটি কেবল একটি প্রকল্পের ব্যর্থতা নয়; বরং কীভাবে বড় অবকাঠামো বা প্রযুক্তি প্রকল্পে নীতিগত দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করা যায়, তার উদাহরণ। তার মতে, জিয়াউলকে কেন্দ্র করে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। কারণ এসব অভিযোগের সত্যতা থাকলে শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয়নি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থাও নষ্ট হয়েছে।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগও কম নয়। কেউ বলছেন, আগে মাসে যে পরিমাণ বিল দিতেন, স্মার্ট মিটার বসানোর পর তার চেয়ে অনেক বেশি খরচ হচ্ছে। কেউ বলছেন, মিটার রিডিং বোঝা যায় না। আবার কেউ অভিযোগ করেছেন, অভিযোগ জানাতে গেলে স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায় না। ফলে প্রযুক্তি সহজ করার বদলে নতুন জটিলতা তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্ট মিটারিং সফল করতে হলে গ্রাহক সচেতনতা, সঠিক সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশন, নির্ভুল ক্যালিব্রেশন, শক্তিশালী সার্ভার অবকাঠামো এবং দ্রুত সেবা সহায়তা দরকার। এসবের ঘাটতি থাকলে পুরো ব্যবস্থা মানুষের কাছে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডিপিডিসির ক্ষেত্রে অনেক অভিযোগ সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে।
এদিকে প্রকল্প নিয়ে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে প্রকল্পের অর্থ ব্যয়, মিটার ক্রয়, দরপত্র মূল্যায়ন, কমিশন বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগকারীরা বলেছেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত এ প্রকল্পে যদি অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
জিয়াউল হাসানের বক্তব্যও নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। এই প্রকল্পে দুর্নীতি হলে এমডি স্যার জবাব দিবেন। আমি কিছু জানি না।” প্রকল্প পরিচালক হিসেবে এমন বক্তব্যকে অনেকেই দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। কারণ প্রকল্পের প্রধান নির্বাহী দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি যদি প্রকল্পে কী হয়েছে তা না জানেন, তবে সেটিও প্রশাসনিক ব্যর্থতা।
প্রশ্ন উঠেছে, প্রকল্পে যদি সবকিছু নিয়ম মেনে হয়ে থাকে, তাহলে এত অভিযোগ কেন? গ্রাহক অসন্তোষ কেন বাড়ছে? কেন দরপত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠছে? কেন সংশ্লিষ্টরা স্বাধীন তদন্ত চাইছেন? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো পরিষ্কার নয়।
সুশাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু ব্যক্তিকে দায়ী করলেই হবে না; পুরো ব্যবস্থাটি পর্যালোচনা করতে হবে। কীভাবে একটি প্রকল্পে এত ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত হলো, কেন পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল না, কেন স্বাধীন কারিগরি অডিট হয়নি, কেন গ্রাহক অভিযোগ দ্রুত সমাধান হয়নি—এসব প্রশ্নেরও জবাব খুঁজতে হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি হলে ক্ষতি দ্বিমুখী হয়। একদিকে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় হয়, অন্যদিকে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়া যায় না। স্মার্ট মিটার প্রকল্পে যদি সত্যিই বড় ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকে, তবে তার প্রভাব শুধু আর্থিক নয়; বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়ন পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হবে।
ডিপিডিসির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, প্রকল্পের কারণে কিছু কর্মকর্তা-ঠিকাদার গোষ্ঠী অস্বাভাবিকভাবে লাভবান হয়েছে, আবার অনেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। দক্ষতা ও সততার বদলে আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এখন সবচেয়ে জরুরি হলো একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম তদন্ত কমিটি গঠন করা। সেই কমিটিতে আর্থিক বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। শুধু কাগুজে তদন্ত নয়, বাস্তব ইনস্টলেশন, সফটওয়্যার লগ, বিলিং ডাটা, ক্রয় নথি এবং অর্থ লেনদেন—সবকিছু যাচাই করা প্রয়োজন।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের জন্য প্রতিকার ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের সব প্রযুক্তি প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।
একসময় যে প্রকল্পকে বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকতার প্রতীক বলা হয়েছিল, সেটিই এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। আর সেই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. জিয়াউল হাসান। তার নেতৃত্বে প্রকল্পটি সফলতার গল্প লিখেছে, নাকি অনিয়মের অন্ধকার অধ্যায় তৈরি করেছে—সেটি এখন নিরপেক্ষ তদন্তেই স্পষ্ট হবে। তবে এত অভিযোগ, অসন্তোষ ও প্রশ্নের পর একটি বিষয় পরিষ্কার—ডিপিডিসির স্মার্ট মিটার প্রকল্প এখন বিশ্বাসযোগ্যতার কঠিন পরীক্ষার মুখে।
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিপিডিসির স্মার্ট মিটার প্রকল্পে জিয়াউলের দেড় শত কোটি টাকার অনিয়ম
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - আপডেট সময় ১২:৫২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
- ৫১৮ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ
























