সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

চট্টগ্রামে বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ফেরা হলো না কলেজ ছাত্রের

চট্টগ্রামে বন্ধুর ডাকে গিয়ে আর ফেরা হলো না এক কলেজছাত্রের। নগরের চকবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে ডেকে নিয়ে মারধরের পর আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সহপাঠী-পরিচিতদের বিরুদ্ধে। 

ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে।

এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪ জনকে নগরের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে আশফাককে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মুঠোফোনে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেন। সেখানে গেলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েক তরুণ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে জোর করে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়।

একপর্যায়ে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে আশফাক কৌশলে ভবনের ভেতরে ঢুকে গেট বন্ধ করে দেন এবং দৌড়ে আটতলায় উঠে যান। তবে হামলাকারীরা গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা ওপর তলায় গিয়ে আশফাককে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে দেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা আশফাককে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চকবাজার থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ ইতোমধ্যে ভবনটির নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

নিহতের বাবা জানান, তার ছেলে কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা দ্রুত উদ্‌ঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

জানতে চাইলে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ বলেন, ঘটনারসঙ্গে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

চট্টগ্রামে বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ফেরা হলো না কলেজ ছাত্রের

আপডেট সময় ০৪:১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে বন্ধুর ডাকে গিয়ে আর ফেরা হলো না এক কলেজছাত্রের। নগরের চকবাজার এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে ডেকে নিয়ে মারধরের পর আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সহপাঠী-পরিচিতদের বিরুদ্ধে। 

ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে।

এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৪ জনকে নগরের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেলে আশফাককে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মুঠোফোনে কল দিয়ে বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার মোড়ে ডেকে নেন। সেখানে গেলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েক তরুণ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে জোর করে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়।

একপর্যায়ে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে আশফাক কৌশলে ভবনের ভেতরে ঢুকে গেট বন্ধ করে দেন এবং দৌড়ে আটতলায় উঠে যান। তবে হামলাকারীরা গেটে ধাক্কা দিলে নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা ওপর তলায় গিয়ে আশফাককে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে আটতলা থেকে লিফটের ফাঁকা স্থানে ফেলে দেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা আশফাককে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চকবাজার থানায় মামলা করেছেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ ইতোমধ্যে ভবনটির নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হককে গ্রেপ্তার করেছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।

নিহতের বাবা জানান, তার ছেলে কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না।

কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা দ্রুত উদ্‌ঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

জানতে চাইলে চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ বলেন, ঘটনারসঙ্গে জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।