সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

বাঘায় ৩৯ জন শিক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ অনিশ্চিত 

আর মাত্র সাত দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩৯ জন পরীক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। কারণ, তাদের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি।
জানা গেছে, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৪০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও একজন ছাড়া বাকি ৩৯ জনই ফরম ফিলাপ না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল্লাহ, সোনিয়া, খাদিজা ও ইতি খাতুনসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও তাদের ফরম পূরণ করা হয়নি। এতে করে তারা চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেও এসব শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ও ফরম ফিলাপের কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান বিষয়টির দায় অফিস সহকারীর ওপর চাপিয়ে বলেন, ফরম ফিলাপ সংক্রান্ত দায়িত্ব অফিস সহকারীকে দেওয়া হয়েছিল। কীভাবে এত শিক্ষার্থী বাদ পড়ল, তা তার জানা নেই। তবে তিনি দাবি করেন, শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হবে।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, অধ্যক্ষ গত সোমবার বোর্ডে এলেও প্রয়োজনীয় হার্ডকপি জমা দেননি। বর্তমানে তিনি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

বাঘায় ৩৯ জন শিক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ অনিশ্চিত 

আপডেট সময় ০১:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
আর মাত্র সাত দিন পর শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৩৯ জন পরীক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। কারণ, তাদের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়নি।
জানা গেছে, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৪০ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও একজন ছাড়া বাকি ৩৯ জনই ফরম ফিলাপ না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল্লাহ, সোনিয়া, খাদিজা ও ইতি খাতুনসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও তাদের ফরম পূরণ করা হয়নি। এতে করে তারা চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করেও এসব শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ও ফরম ফিলাপের কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান বিষয়টির দায় অফিস সহকারীর ওপর চাপিয়ে বলেন, ফরম ফিলাপ সংক্রান্ত দায়িত্ব অফিস সহকারীকে দেওয়া হয়েছিল। কীভাবে এত শিক্ষার্থী বাদ পড়ল, তা তার জানা নেই। তবে তিনি দাবি করেন, শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফরম ফিলাপ সম্পন্ন হবে।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, অধ্যক্ষ গত সোমবার বোর্ডে এলেও প্রয়োজনীয় হার্ডকপি জমা দেননি। বর্তমানে তিনি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।