সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

মোহাম্মদপুর টাউনহলের মূলত সভাপতি কে, ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ প্রকাশ

মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচা বাজার ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এবং পরিচিত পাইকারি ও খুচরা বাজার, যা সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন মাছ, মাংস, শাক-সবজি ও ফলের জন্য পরিচিত।
এই মার্কেটের ২০২৪ সালের বনিক সমিতির নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মার্কেট কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো- লুৎফর রহমান বাবুল!
বাবুল সাহেব রাজনৈতিক ভাবে বি এন পি রাজনীতির সাথে জড়িত। বাবুল সাহেবের ভাই মিজানুর রহমান লক্ষীপুর রামগঞ্জ পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং সম্ভাব্য বিএনপি থেকে কাউন্সিলর পার্থী। বাবুল সাহেবের পুরো পরিবার ফ্যাসিস্ট আমলে নানান রকম মামলা এবং সামাজিক ভাবে অত্যাচারের শিকার হন।
৫ই আগষ্টের পর দেশের পরিস্থিতি যখন ভঙ্গুর অবস্থায় ঠিক তখনই স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল মার্কেট কমিটির সভাপতি লুৎফর রহমান বাবুলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। এতে বি এন পি এর দু গ্রুপে আভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয়, এতে বাবুল সাহেব বিপরীত পক্ষ কে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় ধর পাকর এবং সামাজিকভাবে মারধরের হুমকি এবং ভয় ভীতি। একপর্যায়ে সভাপতি বাবুল সাহেব এদের সাথে টিকতে না পেরে প্রশাসনের শ্বরণাপন্ন হন।
এই সুবাদে ওই বিপরীত গ্রুপ মার্কেট দখল করে, এবং নিজেদের মাঝে সভাপতি সেক্রেটারি নির্বাচিত করে।
এক পর্যায়ে সভাপতি বাবুল সাহেব থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কোর্টে মামলা করা হলেও মামলা প্রক্রিয়া চলমান।
তথ্যসূত্র জানা যায় মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মার্কেট দখলকারী নব নিযুক্ত সভাপতি নুরুল ইসলাম সহ তার সহযোগীদের উপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত। কারণ এই নুরুল ইসলাম আসার পর থেকে দলবল নিয়ে মার্কেটের সকল আয় ভোগ করছে এবং ব্যবসায়ীদেরকে নানান ভাবে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে তাই ব্যবসায়ীরা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে নারাজ।
ব্যবসায়ীদের মতে তাদের সাবেক সভাপতি বাবুল সাহেব তাদের জন্য অনেক ভালো ছিল, বাবুল সাহেব দীর্ঘদিন সভাপরি থাকার কারণে মার্কেটের অনেক উন্নয়ন সাধন করেন। আর নুরুল ইসলাম সাহেব তার দলবল নিয়ে দখল করার পর থেকে মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সাথে কোনরকম সদাচরণ করেননি।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি বাবুল সাহেব তাদের জন্য অনেক ভালো ছিলেন তাই তারা প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি জানাচ্ছে তাদের বাবুল সাহেব যাতে তাদের বাবুল সাহেবের দায়িত্ব ফিরে পায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

মোহাম্মদপুর টাউনহলের মূলত সভাপতি কে, ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ প্রকাশ

আপডেট সময় ০৪:৩২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচা বাজার ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এবং পরিচিত পাইকারি ও খুচরা বাজার, যা সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন মাছ, মাংস, শাক-সবজি ও ফলের জন্য পরিচিত।
এই মার্কেটের ২০২৪ সালের বনিক সমিতির নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মার্কেট কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো- লুৎফর রহমান বাবুল!
বাবুল সাহেব রাজনৈতিক ভাবে বি এন পি রাজনীতির সাথে জড়িত। বাবুল সাহেবের ভাই মিজানুর রহমান লক্ষীপুর রামগঞ্জ পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং সম্ভাব্য বিএনপি থেকে কাউন্সিলর পার্থী। বাবুল সাহেবের পুরো পরিবার ফ্যাসিস্ট আমলে নানান রকম মামলা এবং সামাজিক ভাবে অত্যাচারের শিকার হন।
৫ই আগষ্টের পর দেশের পরিস্থিতি যখন ভঙ্গুর অবস্থায় ঠিক তখনই স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল মার্কেট কমিটির সভাপতি লুৎফর রহমান বাবুলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। এতে বি এন পি এর দু গ্রুপে আভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয়, এতে বাবুল সাহেব বিপরীত পক্ষ কে চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে শুরু হয় ধর পাকর এবং সামাজিকভাবে মারধরের হুমকি এবং ভয় ভীতি। একপর্যায়ে সভাপতি বাবুল সাহেব এদের সাথে টিকতে না পেরে প্রশাসনের শ্বরণাপন্ন হন।
এই সুবাদে ওই বিপরীত গ্রুপ মার্কেট দখল করে, এবং নিজেদের মাঝে সভাপতি সেক্রেটারি নির্বাচিত করে।
এক পর্যায়ে সভাপতি বাবুল সাহেব থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কোর্টে মামলা করা হলেও মামলা প্রক্রিয়া চলমান।
তথ্যসূত্র জানা যায় মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মার্কেট দখলকারী নব নিযুক্ত সভাপতি নুরুল ইসলাম সহ তার সহযোগীদের উপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত। কারণ এই নুরুল ইসলাম আসার পর থেকে দলবল নিয়ে মার্কেটের সকল আয় ভোগ করছে এবং ব্যবসায়ীদেরকে নানান ভাবে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে তাই ব্যবসায়ীরা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে নারাজ।
ব্যবসায়ীদের মতে তাদের সাবেক সভাপতি বাবুল সাহেব তাদের জন্য অনেক ভালো ছিল, বাবুল সাহেব দীর্ঘদিন সভাপরি থাকার কারণে মার্কেটের অনেক উন্নয়ন সাধন করেন। আর নুরুল ইসলাম সাহেব তার দলবল নিয়ে দখল করার পর থেকে মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সাথে কোনরকম সদাচরণ করেননি।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি বাবুল সাহেব তাদের জন্য অনেক ভালো ছিলেন তাই তারা প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি জানাচ্ছে তাদের বাবুল সাহেব যাতে তাদের বাবুল সাহেবের দায়িত্ব ফিরে পায়।