ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হত্যাচেষ্টার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব হাসনাতের বক্তব্য পল্টন-প্রেস ক্লাবের জন্য ‘জুসি’: সংসদে আইনমন্ত্রী অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড তিন মাসের শিশুকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা, আটক মা পতেঙ্গা মাঝিরপাড়ায় অননুমোদিত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগ! ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মোঃ মহিউদ্দিনের উত্থান ও বিতর্ক মাস্টাররোল কর্মচারীর নামে-বেনামে কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় বিকাশে টাকা, কুরিয়ারে ডকুমেন্ট, অনলাইনে লাইসেন্স আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা জ্বরের রোগীকে দেওয়া হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন

কিছু দুষ্ট লোক চুরি করে কারেন্ট জাল তৈরি করছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৭:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৪ বার পড়া হয়েছে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নেট ফ্যাক্টরিগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র নেট তৈরি করার জন্য। এর মধ্যে কিছু দুষ্ট লোক চুরি করে কারেন্ট জাল তৈরি করছে। কারেন্ট জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রশাসন হাজার কেজি জাল উদ্ধার করে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা এ জাল থেকে রক্ষা পাবো। গত ১০-১৫ বছর ধরে এই জাল খুব দ্রুত উৎপাদন হয়েছে। এর আগে এতো ছিল না। আমরা দ্রুত চেষ্টা করছি, এটি সমাধান হবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন তিন নদীর মোহনায় জাতীয় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিন উর রশিদ বলেন, আশির দশকের আগে দেশে যে পরিমাণ মাছ উৎপাদন হতো তার ২০% শুধু ছিল ইলিশ। পরে জাটকা নিধনসহ নানা কারণে দুই লাখ টনে আসে। তারপর যখন জাটকা নিধন রোধসহ নানাভাবে গবেষণা শুরু হয়, তখন পাঁচ লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা যদি আরও সচেতন হই, তাহলে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের নানাভাবে সহযোগিতা করছে সরকার। আগে শুধু চাল দেওয়া হতো, এখন চাল, ডাল অনেক কিছু দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে সকলকে সচেতন হতে হবে। জাটকা ধরা বন্ধ করতে হবে। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নদী ও সাগরে নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের মাছ ধরতে দেবো না। ওই সময়ে তারা যেন নতুন কিছু কাজ করতে পারে সেই বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ বেশি ভাগ জেলের নদী ও সাগর পাড়ে চর এলাকায় বাড়ি বা বসবাস করে। এ নিষেধাজ্ঞা সময়ে তারা যেন কিছু কর্ম  করতে পারে সেই বিষয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, নদী দূষণ এই দেশে অনেক ক্ষতি করছে। যে কোনো অবস্থাতে নদীর দূষণ প্রতিরোধে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্যা সেলিম, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যাচেষ্টার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব

কিছু দুষ্ট লোক চুরি করে কারেন্ট জাল তৈরি করছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নেট ফ্যাক্টরিগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র নেট তৈরি করার জন্য। এর মধ্যে কিছু দুষ্ট লোক চুরি করে কারেন্ট জাল তৈরি করছে। কারেন্ট জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রশাসন হাজার কেজি জাল উদ্ধার করে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা এ জাল থেকে রক্ষা পাবো। গত ১০-১৫ বছর ধরে এই জাল খুব দ্রুত উৎপাদন হয়েছে। এর আগে এতো ছিল না। আমরা দ্রুত চেষ্টা করছি, এটি সমাধান হবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন তিন নদীর মোহনায় জাতীয় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিন উর রশিদ বলেন, আশির দশকের আগে দেশে যে পরিমাণ মাছ উৎপাদন হতো তার ২০% শুধু ছিল ইলিশ। পরে জাটকা নিধনসহ নানা কারণে দুই লাখ টনে আসে। তারপর যখন জাটকা নিধন রোধসহ নানাভাবে গবেষণা শুরু হয়, তখন পাঁচ লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা যদি আরও সচেতন হই, তাহলে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের নানাভাবে সহযোগিতা করছে সরকার। আগে শুধু চাল দেওয়া হতো, এখন চাল, ডাল অনেক কিছু দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে সকলকে সচেতন হতে হবে। জাটকা ধরা বন্ধ করতে হবে। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নদী ও সাগরে নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের মাছ ধরতে দেবো না। ওই সময়ে তারা যেন নতুন কিছু কাজ করতে পারে সেই বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ বেশি ভাগ জেলের নদী ও সাগর পাড়ে চর এলাকায় বাড়ি বা বসবাস করে। এ নিষেধাজ্ঞা সময়ে তারা যেন কিছু কর্ম  করতে পারে সেই বিষয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, নদী দূষণ এই দেশে অনেক ক্ষতি করছে। যে কোনো অবস্থাতে নদীর দূষণ প্রতিরোধে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্যা সেলিম, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।