আমিন উর রশিদ বলেন, আশির দশকের আগে দেশে যে পরিমাণ মাছ উৎপাদন হতো তার ২০% শুধু ছিল ইলিশ। পরে জাটকা নিধনসহ নানা কারণে দুই লাখ টনে আসে। তারপর যখন জাটকা নিধন রোধসহ নানাভাবে গবেষণা শুরু হয়, তখন পাঁচ লাখ টন ইলিশ উৎপাদন হয়। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা যদি আরও সচেতন হই, তাহলে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের নানাভাবে সহযোগিতা করছে সরকার। আগে শুধু চাল দেওয়া হতো, এখন চাল, ডাল অনেক কিছু দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে সকলকে সচেতন হতে হবে। জাটকা ধরা বন্ধ করতে হবে। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নদী ও সাগরে নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের মাছ ধরতে দেবো না। ওই সময়ে তারা যেন নতুন কিছু কাজ করতে পারে সেই বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ বেশি ভাগ জেলের নদী ও সাগর পাড়ে চর এলাকায় বাড়ি বা বসবাস করে। এ নিষেধাজ্ঞা সময়ে তারা যেন কিছু কর্ম করতে পারে সেই বিষয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এ সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্যা সেলিম, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রতিনিধি 























