মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর নির্দেশনা “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক”এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮ এপ্রিল ২০২৬ আনুমানিক রাত ০৮ ঘটিকায় প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গজুকাটা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৩৫৯/এম হতে আনুমানিক ০৩ (তিন) কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে, সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ মোড় এলাকায় সময়ের গুরুত্ব ও পরিস্থিতির তাৎক্ষণিকতা বিবেচনায় বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক মোঃ আতাউর রহমান সুজন, এসইউপি-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালীন টহল দল একটি সন্দেহজনক ট্রাকের গতিবিধি লক্ষ্য করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ট্রাকটি থামানোর জন্য সংকেত প্রদান করে। তবে ট্রাকটির চালক ও তার সহযোগীরা বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে ট্রাকটি ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে টহল দল উক্ত পরিত্যক্ত ট্রাকটি তল্লাশি পরিচালনা করে। তল্লাশিকালে দেখা যায় যে, ট্রাকের উপরিভাগে পাথর দ্বারা আচ্ছাদিত করে নিচে ভারত হতে চোরাইপথে আনা বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য গোপনে পরিবহন করা হচ্ছিল, যা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে লুকায়িত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।
উদ্ধারকৃত চোরাচালানী মালামালের মধ্যে রয়েছে ৪২০ কেজি ভারতীয় জিরা, ২৭,২১৬ (সাতাশ হাজার দুইশত ষোল) পিস ভারতীয় স্ক্রীন ব্রাইট ক্রীম এবং ১৫০০০ (পনের হাজার) পিস স্ক্রীন সানরাইজ ক্রীম। জব্দকৃত মালামালের সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্য ১,৭৫,১৬,৪০০/- (এক কোটি পঁচাত্তর লক্ষ ষোল হাজার চারশত) টাকা নির্ধারণ করা এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সর্বদা দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সকল প্রকার চোরাচালান প্রতিরোধে বদ্ধপরিকর। উর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
আজাদ বাহার জামালী, (মৌলভীবাজার) উপজেলা প্রতিনিধ 




















