রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আলোচনা যেন থামছেই না। একের পর একের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে। একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীও গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। বলছি রাজউকের প্রধান কার্যালয়ের কর্মচারী ডাটা এন্ট্রি অপরেটর আব্দুল মোমিনের কথা। রাজউকের এই কর্মচারী ভাদাইল মৌজার হোসেন প্লাজার পূর্ব পাশের দেড় বিঘা জমি কিনে টিনশেড করে ভাড়া দিয়েছেন। প্রতি মাসে লাখ টাকা নিচ্ছেন।
এই বিষয়ে দুদকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, এটির তদন্ত এখনো চলমান আছে, শেষ হয়নি। শুধু রাজউকের আব্দুল মমিন সাহেব নন, তার মতো আরো একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন। তারাও অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। আমরা অচিরেই তাদের ধরব। একটি কথা মনে রাখবেন, সরকারি চাকরি মানে জনগণের সেবক। আর সেই সেবা দেয়ার নামে যারা নিজেদের সুবিধা নিচ্ছেন, দুদক বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না। জনগণকে সেবা দেয়াই হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজ।
রাজউকে চাকরি করার কারণে সবার সাথেই আব্দুল মোমিনের একটি ভালো সম্পর্ক হয়েছে। সম্প্রতি পূর্বাচলে জনৈক এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৭৫ লাখ টাকা নিয়েছেন। ২০২০-২১ সালে নিজের (মোমিন) অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ লাখ টাকা ওঠানো হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একাধিক কর্মকর্তা জানান, তার নামে (আব্দুল মোমিন) কোনো সম্পত্তিই রাখেন না। যা আছে সবকিছুই তার আত্মীয়স্বজনের নামে রাখেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও আব্দুল মোমিনকে পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















