ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে গৃহবধূ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রামের রাউজানে গৃহবধূ রোকসানা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। 

রোববার (১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. সোহেল (৩০) এবং একই উপজেলার গচ্ছি এলাকার বাসিন্দা ছগির আহম্মদের ছেলে মো. জহির (৩০)।

র‍্যাব জানায়, হত্যার শিকার গৃহবধূ রোকসানা আক্তার (২৮) স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে রাউজানে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে প্রায়সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। গত বছরের ২৭ নভেম্বর শ্বশুর বাড়ির লোকজন রোকসানা নিখোঁজ হয়েছে বলে পরিবারের কাছে খবর পাঠায়। এর কয়েকদিন পর ১ ডিসেম্বর শ্বশুর বাড়ির পাশের ড্রেন থেকে রোকসানার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রোকসানার মা বাদী হয়ে স্বামীসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রোকসানার স্বামী আজম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে আজম রোকসানাকে সোহেল গলাটিপে হত্যা করেছেন বলে উল্লেখ করেন। পরে জহির এবং আজম মিলে রোকসানার মরদেহ পাশের ড্রেনে লুকিয়ে রাখেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে গৃহবধূ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৫:০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩

চট্টগ্রামের রাউজানে গৃহবধূ রোকসানা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। 

রোববার (১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. সোহেল (৩০) এবং একই উপজেলার গচ্ছি এলাকার বাসিন্দা ছগির আহম্মদের ছেলে মো. জহির (৩০)।

র‍্যাব জানায়, হত্যার শিকার গৃহবধূ রোকসানা আক্তার (২৮) স্বামী ও তিন সন্তান নিয়ে রাউজানে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে প্রায়সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। গত বছরের ২৭ নভেম্বর শ্বশুর বাড়ির লোকজন রোকসানা নিখোঁজ হয়েছে বলে পরিবারের কাছে খবর পাঠায়। এর কয়েকদিন পর ১ ডিসেম্বর শ্বশুর বাড়ির পাশের ড্রেন থেকে রোকসানার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রোকসানার মা বাদী হয়ে স্বামীসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রোকসানার স্বামী আজম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে আজম রোকসানাকে সোহেল গলাটিপে হত্যা করেছেন বলে উল্লেখ করেন। পরে জহির এবং আজম মিলে রোকসানার মরদেহ পাশের ড্রেনে লুকিয়ে রাখেন।