ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়লেখায় উপজেলা প্রশাসন,উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত। নতুন রঙের ছোঁয়ায় রাঙুক প্রতিটি দিন : অপু বিশ্বাস আহসান মঞ্জিলে বর্ষবরণ: পরিচ্ছন্ন ও তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার আগামী বছরেই বগুড়াতে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মন্ত্রীর পাশের চেয়ারে বসা নিয়ে হাতাহাতি, অতঃপর… ময়মনসিংহ বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের নারী কেলেঙ্কারি চাঁদপুরে মাদরাসায় ভাঙচুর-লুটের প্রতিবাদে মানববন্ধন সাভারে সোয়া কেজি হেরোইনসহ মাদক কারবারি আটক মুরাদনগরে ‘ধর্মমন্ত্রীর’ উপস্থিতিতে বিএনপি নেতা হাফেজ মোহাম্মদ জানাজা ও দাফন সম্পন্ন কোচিংয়ে আসছেন লেভেল থ্রি কোর্স পাস করা রাজ্জাক

মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬৪ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজানের প্রথম দিন থেকেই মদিনার মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল দেখা গেছে। নগরবাসী ও দূরদূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের অংশগ্রহণে লক্ষাধিক রোজাদার একসঙ্গে ইফতার করেছে। এই দৃশ্য রমজানের পবিত্রতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ সৃষ্টি করেছে।

রমজানের প্রথম দিন মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীতে ইফতার আয়োজন ঘিরে দেখা গেছে ব্যতিক্রমী দৃশ্য। মসজিদের পবিত্র প্রাঙ্গণে হাজারো রোজাদার, স্থানীয় বাসিন্দা ও সফররত মুসল্লি একত্রে ইফতারে অংশ নেন। চারপাশজুড়ে ছিল ইবাদত, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধে ভরপুর পরিবেশ।

মসজিদের বিস্তৃত আঙিনাজুড়ে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয় ইফতারের টেবিল। সেখানে মুসল্লিরা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ইফতারের অপেক্ষায় জড়ো হন। পুরো আয়োজনজুড়ে ফুটে ওঠে রমজানের বিশেষ আত্মিক তাৎপর্য। যেখানে ধৈর্য, দয়া ও পারস্পরিক সম্মান একসূত্রে মিলিত হয়।

এই বিপুল সমাগম নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছিল সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা ও ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়। ফলে রোজা ভাঙা ও নামাজ আদায়ে মুসল্লিরা পান প্রশান্তি ও স্বস্তির অভিজ্ঞতা।

ইফতার আয়োজন সফল করতে ব্যক্তি উদ্যোগ ও দাতাদের ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই স্বেচ্ছায় ইফতার প্রস্তুত ও পরিবেশনে অংশ নেন। এই উদারতা ও সেবার মানসিকতা রমজানের চেতনা এবং মদিনার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক মূল্যবোধকে নতুন করে তুলে ধরেছে।

রমজান মাসে মদিনায় এমন দৃশ্য নতুন নয়। তবে প্রথম দিনের ইফতারে মুসল্লিদের এই বিপুল অংশগ্রহণ আবারও প্রমাণ করেছে রমজান শুধু অনাহারে থাকার মাস নয়; এটি ঐক্য, সহানুভূতি ও মানবিক বন্ধনের এক মহিমান্বিত সময়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়লেখায় উপজেলা প্রশাসন,উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত।

মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল

আপডেট সময় ০৬:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজানের প্রথম দিন থেকেই মদিনার মসজিদে নববীতে ইফতারে রোজাদারদের ঢল দেখা গেছে। নগরবাসী ও দূরদূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের অংশগ্রহণে লক্ষাধিক রোজাদার একসঙ্গে ইফতার করেছে। এই দৃশ্য রমজানের পবিত্রতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এক গভীর আধ্যাত্মিক আবহ সৃষ্টি করেছে।

রমজানের প্রথম দিন মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীতে ইফতার আয়োজন ঘিরে দেখা গেছে ব্যতিক্রমী দৃশ্য। মসজিদের পবিত্র প্রাঙ্গণে হাজারো রোজাদার, স্থানীয় বাসিন্দা ও সফররত মুসল্লি একত্রে ইফতারে অংশ নেন। চারপাশজুড়ে ছিল ইবাদত, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধে ভরপুর পরিবেশ।

মসজিদের বিস্তৃত আঙিনাজুড়ে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয় ইফতারের টেবিল। সেখানে মুসল্লিরা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ইফতারের অপেক্ষায় জড়ো হন। পুরো আয়োজনজুড়ে ফুটে ওঠে রমজানের বিশেষ আত্মিক তাৎপর্য। যেখানে ধৈর্য, দয়া ও পারস্পরিক সম্মান একসূত্রে মিলিত হয়।

এই বিপুল সমাগম নির্বিঘ্ন রাখতে নেওয়া হয়েছিল সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা ও ইবাদতের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়। ফলে রোজা ভাঙা ও নামাজ আদায়ে মুসল্লিরা পান প্রশান্তি ও স্বস্তির অভিজ্ঞতা।

ইফতার আয়োজন সফল করতে ব্যক্তি উদ্যোগ ও দাতাদের ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই স্বেচ্ছায় ইফতার প্রস্তুত ও পরিবেশনে অংশ নেন। এই উদারতা ও সেবার মানসিকতা রমজানের চেতনা এবং মদিনার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক মূল্যবোধকে নতুন করে তুলে ধরেছে।

রমজান মাসে মদিনায় এমন দৃশ্য নতুন নয়। তবে প্রথম দিনের ইফতারে মুসল্লিদের এই বিপুল অংশগ্রহণ আবারও প্রমাণ করেছে রমজান শুধু অনাহারে থাকার মাস নয়; এটি ঐক্য, সহানুভূতি ও মানবিক বন্ধনের এক মহিমান্বিত সময়।