ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার উদ্বোধনে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা দিলেন চীফ হুইপ ফ্যাসিস্ট আমলে শাহিন চেয়ারম্যানের সহযোগী হয়ে কেরানীগঞ্জে ব্যাপক ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে : পবিপ্রবি উপাচার্য বড়লেখায় জমি বিরোধ মামলা তুলে নিতে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ রঞ্জু মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ধামইরহাটে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় গাছের ডাল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফুটবলার মেসি-কেইন কেন ওমর সানিকে চাবুক মারতেন মৌসুমী?

মহেশখালীতে ৮৬ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনের মহেশখালী উপজেলায় ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় মোট ৮৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম।

মহেশখালী পৌরসভায় মোট ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৩টি। এসব কেন্দ্র হলো— সিকদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিয়া আরবিয়া ইসলামিয়া এবং চরপাড়া রেডক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

মাতারবাড়ী ইউনিয়নে ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো— সাতঘরপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাতারবাড়ী মজিদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা এবং দক্ষিণ মগডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

ধলঘাটা ইউনিয়নে ৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২টি ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলো হলো— মহুরীঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাপমারার ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

কালারমারছড়া ইউনিয়নে ১৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ। কেন্দ্রগুলো হলো— কালারমারছড়া মইনুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসা, নোনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আধাঁরঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শাহ মজিদিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র।

হোয়ানক ইউনিয়নে ১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্র হলো— টাইম বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং বানিয়াকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

বড় মহেশখালী ইউনিয়নে ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩টি। এগুলো হলো— মুন্সীর ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন, নতুন ভবন এবং জাগিয়াঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

কুতুবজোম ইউনিয়নে ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো— সোনাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার, তাজিয়াকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুতুবজোম জামেউস সুন্নাহ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার পুরাতন ভবন ও নতুন ভবন ভোটকেন্দ্র।

ছোট মহেশখালী ইউনিয়নে ৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্র হলো— হোসাইনিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা এবং মুদিরছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। কেউ যদি জোরপূর্বক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত এসব কেন্দ্রে কেউ হামলা, বিশৃঙ্খলা বা অপপ্রচার চালালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ-প্লাসের মরীচিকা বনাম প্রকৃত শিক্ষা: আমাদের মানসিকতার অবক্ষয়

মহেশখালীতে ৮৬ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত

আপডেট সময় ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনের মহেশখালী উপজেলায় ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় মোট ৮৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম।

মহেশখালী পৌরসভায় মোট ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৩টি। এসব কেন্দ্র হলো— সিকদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিয়া আরবিয়া ইসলামিয়া এবং চরপাড়া রেডক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

মাতারবাড়ী ইউনিয়নে ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো— সাতঘরপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, পুরান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাতারবাড়ী মজিদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা এবং দক্ষিণ মগডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

ধলঘাটা ইউনিয়নে ৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২টি ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলো হলো— মহুরীঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাপমারার ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

কালারমারছড়া ইউনিয়নে ১৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ। কেন্দ্রগুলো হলো— কালারমারছড়া মইনুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসা, নোনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আধাঁরঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শাহ মজিদিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র।

হোয়ানক ইউনিয়নে ১৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্র হলো— টাইম বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং বানিয়াকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

বড় মহেশখালী ইউনিয়নে ১১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৩টি। এগুলো হলো— মুন্সীর ডেইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন, নতুন ভবন এবং জাগিয়াঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

কুতুবজোম ইউনিয়নে ৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলো হলো— সোনাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেন্টার, তাজিয়াকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুতুবজোম জামেউস সুন্নাহ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার পুরাতন ভবন ও নতুন ভবন ভোটকেন্দ্র।

ছোট মহেশখালী ইউনিয়নে ৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২টি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব কেন্দ্র হলো— হোসাইনিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা এবং মুদিরছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। কেউ যদি জোরপূর্বক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত এসব কেন্দ্রে কেউ হামলা, বিশৃঙ্খলা বা অপপ্রচার চালালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।