ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাজু-মিজান-রানার সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার চক্র পেট্রোবাংলার পরিচালক রফিকুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এই মহেশখালীকে একটি স্মার্ট ইকোনমিক জোন হিসেবে গড়ে তোলা হবে: ডা. শফিকুর রহমান জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানকে স্বাগত জানাতে কুলাউড়ায় বিশাল প্রচার মিছিল ওয়াসার রাজস্ব পরিদর্শক হারুন রানার দুদক কর্তৃক দায়মুক্তির রহস্য উন্মোচনের দাবি ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য হালাল রুজি অত্যাবশ্যক: ছারছীনার পীর ছাহেব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারে ৪টি আসনের প্রার্থীর ভোটের তীব্র লড়াই ঝালকাঠি আদালতে ভুয়া আইনজীবী মনজুরুল আটক যে দল কর্মজীবী নারীদের ‘বেশ্যা’ বলে, তাদের মন থেকে মুছে ফেলতে হবে”: নাসের রহমান মনোহরগঞ্জে এনসিপি নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল 
৫ম পর্বের ১ম পর্ব:

সাজু-মিজান-রানার সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার চক্র

চরওয়াশপুর এলাকা, হাজারীবাগ থানা, ঢাকার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসের ঠিকানা। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যু চক্রের নেতৃত্বে আছেন সাইজুদ্দিন সাজু, মিতা মিজান ও রানা। এই তিনজন শুধু স্থানীয় সম্পত্তি দখল এবং চাঁদাবাজিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা মাদক ব্যবসা, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে নিজেদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, সাইজুদ্দিন সাজু দীর্ঘদিন ধরে চরওয়াশপুর ও আশপাশের এলাকায় ভূমিদস্যু চক্রের প্রধান হিসেবে পরিচিত। তিনি সরকারি ও বেসরকারি জমি জবরদখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে জমি দখল এবং যারা তার বিরুদ্ধে দাঁড়ায় তাদের ওপর ভয়ভীতি প্রদর্শনে অভ্যস্ত। এই চক্রের মাধ্যমে জমি বিক্রি, ভাড়া দেওয়া বা অন্যদের ওপর চাপ প্রয়োগের ঘটনা নিয়মিত চলে আসছে।
মিতা মিজান ভূমিদস্যু চক্রের আর্থিক ও মাঠপর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, জমি দখল সংক্রান্ত বিরোধে তার নেতৃত্বে লোক পাঠিয়ে হুমকি প্রদর্শন করা হতো। অনেক সময় গভীর রাতে দরজায় ধাক্কা দেওয়া, এলাকা ছাড়ার জন্য বাধ্য করা এবং পরিবারকে ভয় দেখানোই ছিল তার কৌশল। স্থানীয়রা জানান, তার নাম শুনলেই মানুষ আতঙ্কিত হতো, কারণ সে কোনো আপত্তিকর কাজ সহজে মাফ করত না।
রানা ভূমিদস্যু চক্রের মাঠপর্যায়ের তদারকিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ মাদক ব্যবসায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, কারও প্রতিবাদ থাকলে সে সরাসরি হুমকি বা শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে চুপ করাত। রানা এমন একজন ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যার উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করত।
এই ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু চক্রের সঙ্গে একত্রীকৃত অপরাধের শিকার হয়েছেন দৈনিক “সময়-এর আওয়াজ” পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাফায়েত। সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি স্থানীয় আইগ্যাস বিক্রেতা নাছিরের অবৈধ ব্যবসার ওপর সংবাদ প্রকাশ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশের পরই ভূমিদস্যু চক্র ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং সাংবাদিককে ‘শিক্ষা দেওয়ার’ পরিকল্পনা করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, ২১/০১/২০২৬ রাত আনুমানিক ৮ টার সময় প্রধান আসামি মোঃ আল-আমিন তাকে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ডেকে আনে। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাইজুদ্দিন সাজু, মিতা মিজান ও রানাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত থেকে দেশীয় অস্ত্র, ছুরি ও চাপাতি দ্বারা হামলা চালায়। সাংবাদিক গুরুতর আহত হন, হাতের কনিষ্ঠ আঙুল ভেঙে যায়, এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হন।
এই ঘটনায় সাংবাদিকের কাছ থেকে একটি ক্যামেরা, দুটি মোবাইল ফোন, একটি বুম মাইক্রোফোন, আইডি কার্ড ও মানিব্যাগ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এক মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়, যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নষ্ট হয়। ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২৮,০০০ টাকা। হামলার পরও ভূমিদস্যু চক্র সাংবাদিক ও তার পরিবারের ওপর প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
্এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাফায়েত হাজারীবাগ থানায় ১। মোঃ আলামিন (৩৪), পিতা-অজ্ঞাত, ২। রানা (৩৪), পিতা-মীরজাহান, ৩। সাইজুদ্দিন সাজু (৫০), পিতা-কালাচাঁন মেম্বার, ৪। মিরাজ (২৮), পিতা-মীরজাহান, ৫। সাকিব (২৮), পিতা-বাবুল,, ৬। মিজান (৪৫), পিতা-গোলাম মোস্তফা, ৭। শামীম (৪৬), পিতা-অজ্ঞাত, ৮। আইয়ুব (৫৫), পিতা-ফয়জুল হক, ৯। মিতা মিজান (৩৬), পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং-চরওয়াসপুর, থানা-হাজারীবাগ, ঢাকাসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধেমামলা নং-৩৩ তাং ২৮/০১/২০২৬, ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৮৪/৪২৭/৫০৬-পেনাল কোড দায়ের করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, প্রধান আসামি মোঃ আল-আমিন ও তার সহযোগী ভূমিদস্যুরা একটি সাজানো নাটক তৈরির মাধ্যমে তাকে হাসপাতাল পাঠিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা করিয়ে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে ফেলে রাখে। এই ঘটনার মাধ্যমে শুধু সাংবাদিক নয়, এলাকার সচেতন নাগরিকরাও ভয় ও আতঙ্কে ভুগছেন।
মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, সাইজুদ্দিন সাজু, মিতা মিজান ও রানা যেমন ভূমিদস্যু হিসেবে স্থানীয়দের নিরাপত্তা হরণ করছেন, তেমনি সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মাদক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের ওপর দীর্ঘমেয়াদী ভয় ও প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন।
হাজারীবাগ থানায় মামলাটি রুজু হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূমিদস্যু চক্রের ভয় ও দাপটের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকরা আশা করছেন, সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে, যাতে সত্য অনুসন্ধান ও পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষা পায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাজু-মিজান-রানার সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার চক্র

৫ম পর্বের ১ম পর্ব:

সাজু-মিজান-রানার সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার চক্র

আপডেট সময় ১০:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চরওয়াশপুর এলাকা, হাজারীবাগ থানা, ঢাকার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসের ঠিকানা। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যু চক্রের নেতৃত্বে আছেন সাইজুদ্দিন সাজু, মিতা মিজান ও রানা। এই তিনজন শুধু স্থানীয় সম্পত্তি দখল এবং চাঁদাবাজিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা মাদক ব্যবসা, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে নিজেদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, সাইজুদ্দিন সাজু দীর্ঘদিন ধরে চরওয়াশপুর ও আশপাশের এলাকায় ভূমিদস্যু চক্রের প্রধান হিসেবে পরিচিত। তিনি সরকারি ও বেসরকারি জমি জবরদখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে জমি দখল এবং যারা তার বিরুদ্ধে দাঁড়ায় তাদের ওপর ভয়ভীতি প্রদর্শনে অভ্যস্ত। এই চক্রের মাধ্যমে জমি বিক্রি, ভাড়া দেওয়া বা অন্যদের ওপর চাপ প্রয়োগের ঘটনা নিয়মিত চলে আসছে।
মিতা মিজান ভূমিদস্যু চক্রের আর্থিক ও মাঠপর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগে বলা হয়, জমি দখল সংক্রান্ত বিরোধে তার নেতৃত্বে লোক পাঠিয়ে হুমকি প্রদর্শন করা হতো। অনেক সময় গভীর রাতে দরজায় ধাক্কা দেওয়া, এলাকা ছাড়ার জন্য বাধ্য করা এবং পরিবারকে ভয় দেখানোই ছিল তার কৌশল। স্থানীয়রা জানান, তার নাম শুনলেই মানুষ আতঙ্কিত হতো, কারণ সে কোনো আপত্তিকর কাজ সহজে মাফ করত না।
রানা ভূমিদস্যু চক্রের মাঠপর্যায়ের তদারকিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি জমি দখল, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ মাদক ব্যবসায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, কারও প্রতিবাদ থাকলে সে সরাসরি হুমকি বা শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে চুপ করাত। রানা এমন একজন ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যার উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করত।
এই ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু চক্রের সঙ্গে একত্রীকৃত অপরাধের শিকার হয়েছেন দৈনিক “সময়-এর আওয়াজ” পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাফায়েত। সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি স্থানীয় আইগ্যাস বিক্রেতা নাছিরের অবৈধ ব্যবসার ওপর সংবাদ প্রকাশ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশের পরই ভূমিদস্যু চক্র ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং সাংবাদিককে ‘শিক্ষা দেওয়ার’ পরিকল্পনা করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, ২১/০১/২০২৬ রাত আনুমানিক ৮ টার সময় প্রধান আসামি মোঃ আল-আমিন তাকে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ডেকে আনে। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাইজুদ্দিন সাজু, মিতা মিজান ও রানাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত থেকে দেশীয় অস্ত্র, ছুরি ও চাপাতি দ্বারা হামলা চালায়। সাংবাদিক গুরুতর আহত হন, হাতের কনিষ্ঠ আঙুল ভেঙে যায়, এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হন।
এই ঘটনায় সাংবাদিকের কাছ থেকে একটি ক্যামেরা, দুটি মোবাইল ফোন, একটি বুম মাইক্রোফোন, আইডি কার্ড ও মানিব্যাগ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এক মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয়, যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নষ্ট হয়। ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২৮,০০০ টাকা। হামলার পরও ভূমিদস্যু চক্র সাংবাদিক ও তার পরিবারের ওপর প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
্এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাফায়েত হাজারীবাগ থানায় ১। মোঃ আলামিন (৩৪), পিতা-অজ্ঞাত, ২। রানা (৩৪), পিতা-মীরজাহান, ৩। সাইজুদ্দিন সাজু (৫০), পিতা-কালাচাঁন মেম্বার, ৪। মিরাজ (২৮), পিতা-মীরজাহান, ৫। সাকিব (২৮), পিতা-বাবুল,, ৬। মিজান (৪৫), পিতা-গোলাম মোস্তফা, ৭। শামীম (৪৬), পিতা-অজ্ঞাত, ৮। আইয়ুব (৫৫), পিতা-ফয়জুল হক, ৯। মিতা মিজান (৩৬), পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং-চরওয়াসপুর, থানা-হাজারীবাগ, ঢাকাসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধেমামলা নং-৩৩ তাং ২৮/০১/২০২৬, ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৮৪/৪২৭/৫০৬-পেনাল কোড দায়ের করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, প্রধান আসামি মোঃ আল-আমিন ও তার সহযোগী ভূমিদস্যুরা একটি সাজানো নাটক তৈরির মাধ্যমে তাকে হাসপাতাল পাঠিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা করিয়ে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে ফেলে রাখে। এই ঘটনার মাধ্যমে শুধু সাংবাদিক নয়, এলাকার সচেতন নাগরিকরাও ভয় ও আতঙ্কে ভুগছেন।
মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, সাইজুদ্দিন সাজু, মিতা মিজান ও রানা যেমন ভূমিদস্যু হিসেবে স্থানীয়দের নিরাপত্তা হরণ করছেন, তেমনি সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মাদক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের ওপর দীর্ঘমেয়াদী ভয় ও প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন।
হাজারীবাগ থানায় মামলাটি রুজু হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূমিদস্যু চক্রের ভয় ও দাপটের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকরা আশা করছেন, সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে, যাতে সত্য অনুসন্ধান ও পেশাগত স্বাধীনতা রক্ষা পায়।