ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী ব্যর্থ জ্বালানি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ ইসলাম রোজার চার মাস আগেই কারসাজি, ছয় পণ্যের দামে সিন্ডিকেটের অভিযোগ লালপুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘প্রেমিকের সঙ্গে কক্সবাজারের হোটেলে উঠতে পারবে না অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা’ ভাড়া বাসায় মাদক সেবনরত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবলসহ দুইজন আটক নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্লোব শপিং সেন্টারে হামলা-লুটের অভিযোগ, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন এসেনশিয়াল ড্রাগসে জুলাই যোদ্ধা কোটায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, নেপথ্যে শামীম আহমেদের স্বজনপ্রীতি হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের চোখের যত্ন

  • লাইফস্টাইল
  • আপডেট সময় ১১:০১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭২৭ বার পড়া হয়েছে

কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের দীর্ঘ ব্যবহার আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

প্রথমত, নিয়মিত চোখের পলক ফেলুন। এতে চোখের আর্দ্রতা স্বাভাবিক থাকে এবং চোখ শুকিয়ে যায় না। দ্বিতীয়ত, কম্পিউটারে কাজ করার সময় যথাযথ আলোর পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি। মনিটরে যাতে কোনো আলো প্রতিফলিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনের বেলায় সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে থাকুন এবং রাতে সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে কম্পিউটার ব্যবহার করবেন না।

তৃতীয়ত, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার সামঞ্জস্য রাখুন। আই লেভেল স্ক্রিনের ওপরের অংশের কাছাকাছি থাকা উচিত, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া মনিটরের উজ্জ্বলতা সহনীয় মাত্রায় রাখুন। কারণ, অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা চোখের ওপর চাপ বাড়ায়।

চতুর্থত, ছোট ফন্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আরামদায়ক ফন্ট ব্যবহার করুন, যাতে চোখে চাপ কম পড়ে। বয়স্করা কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ফন্ট সাইজ ও রেজুলেশন ঠিক করে নিতে পারেন।

পঞ্চমত, চোখের সুরক্ষার জন্য একটি কার্যকর উপায় হলো ২০-২০-২০ নিয়ম। প্রতি ২০ মিনিট পরপর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য তাকিয়ে থাকুন। এটি চোখকে বিশ্রাম দেয় এবং চোখের ওপর চাপ কমায়। মনিটরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। ধুলাবালু বা আঙুলের ছাপ পড়লে তা পরিষ্কার করুন। কারণ, অপরিষ্কার স্ক্রিন দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে।

লেখক: চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের চোখের যত্ন

আপডেট সময় ১১:০১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের দীর্ঘ ব্যবহার আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

প্রথমত, নিয়মিত চোখের পলক ফেলুন। এতে চোখের আর্দ্রতা স্বাভাবিক থাকে এবং চোখ শুকিয়ে যায় না। দ্বিতীয়ত, কম্পিউটারে কাজ করার সময় যথাযথ আলোর পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি। মনিটরে যাতে কোনো আলো প্রতিফলিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনের বেলায় সরাসরি সূর্যের আলো থেকে দূরে থাকুন এবং রাতে সম্পূর্ণ অন্ধকার ঘরে কম্পিউটার ব্যবহার করবেন না।

তৃতীয়ত, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার সামঞ্জস্য রাখুন। আই লেভেল স্ক্রিনের ওপরের অংশের কাছাকাছি থাকা উচিত, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া মনিটরের উজ্জ্বলতা সহনীয় মাত্রায় রাখুন। কারণ, অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা চোখের ওপর চাপ বাড়ায়।

চতুর্থত, ছোট ফন্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আরামদায়ক ফন্ট ব্যবহার করুন, যাতে চোখে চাপ কম পড়ে। বয়স্করা কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ফন্ট সাইজ ও রেজুলেশন ঠিক করে নিতে পারেন।

পঞ্চমত, চোখের সুরক্ষার জন্য একটি কার্যকর উপায় হলো ২০-২০-২০ নিয়ম। প্রতি ২০ মিনিট পরপর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য তাকিয়ে থাকুন। এটি চোখকে বিশ্রাম দেয় এবং চোখের ওপর চাপ কমায়। মনিটরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। ধুলাবালু বা আঙুলের ছাপ পড়লে তা পরিষ্কার করুন। কারণ, অপরিষ্কার স্ক্রিন দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করে।

লেখক: চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ।