সংবাদ শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনিক্যাল ত্রুটি ও কয়লা সংকটে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঝালকাঠিতে পৌর কবরস্থান-৫ এর উদ্বোধন বাজেট নয়, এটি প্রচারণার দলিল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর জুড়ী-বড়লেখা সফর, ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

ডিপিডিসিতে রুহুল আমিন ফকিরের শতকোটি টাকার দুর্নীতি

ঢাকা পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড( ডিপিডিসি) স্কাডার তত্ববধায়ক প্রকৌশলী মো: রুহুল আমিন ফকির ডিপিডিসি দপ্তরকে নিজস্ব পৃত্বিক সম্পত্তি ভেবে দির্ঘদিন ডিপিডিসিতে কর্মরত থাকার সুবাদে দপ্তরটিতে হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন।

দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের তাঁবেদারি করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের খেয়াল খুশি মতো ডিপিডিসি থেকে অর্থ লোপাটের হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করেছেন, আওয়ামী লীগের নিতি নির্ধারকদের খুশি রাখতে আওয়ামী আমলে টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর মাজারে ফুল দেওয়া থেকে শুরু করে প্রোগ্রাম গুলোতে অর্থদিয়ে সহযোগিতা করতেন ডিপিডিসির স্কাডার তত্ববধায়ক প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন ফকির। ২০২৪ এর ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে নিজেকে বগুড়ার সন্তান পরিচয় দিয়ে তার পুরনো দুর্নীতির কৌশল নতুন করে পরিচালনা করছেন।

এখন নিজেকে বিএনপি মাইন্ডের দাবী করে ডিপিডিসির স্কাডায় নিয়মিত নিয়োগ বানিজ্য, বদলী বানিজ্য, তদবীর বানিজ্যর মাধ্যমে প্রতিনিয়তো অবৈধ ভাবে দেদার্সে হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করেন। মোঃ রুহুল আমিন ফকির এতোটায় দুর্নীতিবাজ যে কিনা সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির সহকারী প্রকৌশলী থাকা কালিন সময়ে প্রতিটি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক পক্ষকে বিদুৎ চুরির কৌশল শিখিয়ে প্রতি মাসে মাসোহারা গ্রহণ করতেন, তিনি সরাসরি গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা গ্রহন করতেন বলে এক গ্রাহক তার এ কাজের জন্য প্রতিবাদ করেও কোন সুফল পায়নি।

তার এই কাজে সহযোগী করতেন কয়েকজন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং লাইন ম্যান, সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির সকল প্রকার কাজে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ গ্রহণ করে নিজস্ব পেটুয়া বাহিনী দ্বারা কাজ সম্পূর্ণ করতেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করে সেখান থেকেও প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহন করে বলে জানিয়েছেন সে সময়ে দপ্তরটিতে চাকুরী করা এক কর্মকর্তা। শীতলক্ষ্যা নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা কালিন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ ভাবে ১৮ প্যান লাইন টেনে কাজ সম্পূর্ণ করার অভিযোগ থাকলেও তার ক্ষমতার কাছে ডিপিডিসির সবাই সে সময়ে অসহায় হয়ে পরেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিপিডিসিতে রুহুল আমিন ফকিরের শতকোটি টাকার দুর্নীতি

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড( ডিপিডিসি) স্কাডার তত্ববধায়ক প্রকৌশলী মো: রুহুল আমিন ফকির ডিপিডিসি দপ্তরকে নিজস্ব পৃত্বিক সম্পত্তি ভেবে দির্ঘদিন ডিপিডিসিতে কর্মরত থাকার সুবাদে দপ্তরটিতে হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করে চলেছেন।

দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের তাঁবেদারি করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের খেয়াল খুশি মতো ডিপিডিসি থেকে অর্থ লোপাটের হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করেছেন, আওয়ামী লীগের নিতি নির্ধারকদের খুশি রাখতে আওয়ামী আমলে টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর মাজারে ফুল দেওয়া থেকে শুরু করে প্রোগ্রাম গুলোতে অর্থদিয়ে সহযোগিতা করতেন ডিপিডিসির স্কাডার তত্ববধায়ক প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন ফকির। ২০২৪ এর ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে নিজেকে বগুড়ার সন্তান পরিচয় দিয়ে তার পুরনো দুর্নীতির কৌশল নতুন করে পরিচালনা করছেন।

এখন নিজেকে বিএনপি মাইন্ডের দাবী করে ডিপিডিসির স্কাডায় নিয়মিত নিয়োগ বানিজ্য, বদলী বানিজ্য, তদবীর বানিজ্যর মাধ্যমে প্রতিনিয়তো অবৈধ ভাবে দেদার্সে হরিলুটের রাজত্ব কায়েম করেন। মোঃ রুহুল আমিন ফকির এতোটায় দুর্নীতিবাজ যে কিনা সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির সহকারী প্রকৌশলী থাকা কালিন সময়ে প্রতিটি অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক পক্ষকে বিদুৎ চুরির কৌশল শিখিয়ে প্রতি মাসে মাসোহারা গ্রহণ করতেন, তিনি সরাসরি গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা গ্রহন করতেন বলে এক গ্রাহক তার এ কাজের জন্য প্রতিবাদ করেও কোন সুফল পায়নি।

তার এই কাজে সহযোগী করতেন কয়েকজন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং লাইন ম্যান, সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির সকল প্রকার কাজে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ গ্রহণ করে নিজস্ব পেটুয়া বাহিনী দ্বারা কাজ সম্পূর্ণ করতেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করে সেখান থেকেও প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা উৎকোচ গ্রহন করে বলে জানিয়েছেন সে সময়ে দপ্তরটিতে চাকুরী করা এক কর্মকর্তা। শীতলক্ষ্যা নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা কালিন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ ভাবে ১৮ প্যান লাইন টেনে কাজ সম্পূর্ণ করার অভিযোগ থাকলেও তার ক্ষমতার কাছে ডিপিডিসির সবাই সে সময়ে অসহায় হয়ে পরেন।