ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ মহসীন হোসেনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ফরেস্ট রেঞ্জার পদোন্নতি ঠেকানোর ইস্যুতে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ

বন অধিদপ্তরের ফরেস্ট রেঞ্জার পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক মামলা, ইলিগেশন ও সংবাদ প্রচারকে ঘিরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে এবং নেতৃত্বে রয়েছেন ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ মহসীন হোসেন।

‎অভিযোগ উঠেছে ডেপুটি রেঞ্জার পদে পদোন্নতি হওয়ার আগেও তিনি মামলা করেন এবং লক্ষ টাকা বানিজ‍্য করেন পরবর্তীতে ডেপুটি রেঞ্জার পদোন্নতি পেয়ে নিজের মামলা উঠিয়ে নেন। এই নিয়েও মামলাবাজ চক্রের ভিতরে তাকে নিয়ে কানাঘুষা। এখন পূনরায় মামলা বানিজ‍্য শুরু হয়েছে, নেতৃত্বে আছেন মহসিন হোসেন। ফরেস্ট রেঞ্জার পদে পদোন্নতি না পাওয়া সম্ভাবনা বা নানা প্রশাসনিক বিভাগীয় মামলা শাস্তির আওতায় পড়া কর্মকর্তাদের একত্রিত করে চাঁদা সংগ্রহের মাধ্যমে মামলা দায়ের করেই যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এটি তার ব‍্যাবসা হয়ে দাড়িয়েছে।

‎ভুক্তভোগী সাধারণ বনকর্মীরা জানান, বিভিন্ন মামলার কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলা বাণিজ্যের পাশাপাশি অতীতে বন বিভাগের বিভিন্ন লোভনীয় পোস্টিং প্রভাব খাটিয়ে বাগিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। টাঙ্গাইল বাড়ি হওয়ার সুবাদে লতিফ সিদ্দিকী পরিবারের আত্মীয় পরিচয়ে আওয়ামীলীগ আমলে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। ময়মনসিংহ শহরে বন বিভাগ থেকে অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করে ছয় তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। যদি কেও জিজ্ঞাস করে এই বাড়ি কিভাবে করলেন ; সে বলে তার শ্বশুর বাড়ির ওয়ারিস। এখন প্রশ্ন হলো জায়গা ওয়ারিশ সুত্রে পেলেও ছয়তলা বাড়ি বিনা ব‍্যাংক লোনে কিভাবে করলো। তা খতিয়ে দেখলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে। তার অবৈধ সম্পত্তি নিয়েও রয়েছে নিজ এলাকায় কানাঘুষা।

‎মহসিন হোসেন সরকারি চাকরি শৃঙ্খলার বিধিমালা বহির্ভূত ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমে বিভিন্ন উস্কানি মূলক লেখালেখি করেন যা সরকারি চাকরির নিয়মের বহির্ভূত। ইতিপূর্বে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সামাজিক বন বিভাগ ঢাকা তার বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করেছেন। অদৃশ্য শক্তির কাছে কৈফিয়তকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে চাকরি করে যাচ্ছেন।

‎ভুক্তভোগীদের দাবি, এই ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ বন বিভাগের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে এবং সাধারণ বনকর্মীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত কর মহসিন হোসেনের ক্ষমতার উৎস চিহ্নিতকরণ ও অবৈধ আয়ের উৎস এবং মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ‎এ বিষয়ে ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ মহসীন হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ মহসীন হোসেনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ফরেস্ট রেঞ্জার পদোন্নতি ঠেকানোর ইস্যুতে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:২৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

বন অধিদপ্তরের ফরেস্ট রেঞ্জার পদে পদোন্নতি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক মামলা, ইলিগেশন ও সংবাদ প্রচারকে ঘিরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে এবং নেতৃত্বে রয়েছেন ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ মহসীন হোসেন।

‎অভিযোগ উঠেছে ডেপুটি রেঞ্জার পদে পদোন্নতি হওয়ার আগেও তিনি মামলা করেন এবং লক্ষ টাকা বানিজ‍্য করেন পরবর্তীতে ডেপুটি রেঞ্জার পদোন্নতি পেয়ে নিজের মামলা উঠিয়ে নেন। এই নিয়েও মামলাবাজ চক্রের ভিতরে তাকে নিয়ে কানাঘুষা। এখন পূনরায় মামলা বানিজ‍্য শুরু হয়েছে, নেতৃত্বে আছেন মহসিন হোসেন। ফরেস্ট রেঞ্জার পদে পদোন্নতি না পাওয়া সম্ভাবনা বা নানা প্রশাসনিক বিভাগীয় মামলা শাস্তির আওতায় পড়া কর্মকর্তাদের একত্রিত করে চাঁদা সংগ্রহের মাধ্যমে মামলা দায়ের করেই যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এটি তার ব‍্যাবসা হয়ে দাড়িয়েছে।

‎ভুক্তভোগী সাধারণ বনকর্মীরা জানান, বিভিন্ন মামলার কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলা বাণিজ্যের পাশাপাশি অতীতে বন বিভাগের বিভিন্ন লোভনীয় পোস্টিং প্রভাব খাটিয়ে বাগিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। টাঙ্গাইল বাড়ি হওয়ার সুবাদে লতিফ সিদ্দিকী পরিবারের আত্মীয় পরিচয়ে আওয়ামীলীগ আমলে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। ময়মনসিংহ শহরে বন বিভাগ থেকে অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করে ছয় তলা বাড়ি নির্মান করেছেন। যদি কেও জিজ্ঞাস করে এই বাড়ি কিভাবে করলেন ; সে বলে তার শ্বশুর বাড়ির ওয়ারিস। এখন প্রশ্ন হলো জায়গা ওয়ারিশ সুত্রে পেলেও ছয়তলা বাড়ি বিনা ব‍্যাংক লোনে কিভাবে করলো। তা খতিয়ে দেখলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে। তার অবৈধ সম্পত্তি নিয়েও রয়েছে নিজ এলাকায় কানাঘুষা।

‎মহসিন হোসেন সরকারি চাকরি শৃঙ্খলার বিধিমালা বহির্ভূত ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমে বিভিন্ন উস্কানি মূলক লেখালেখি করেন যা সরকারি চাকরির নিয়মের বহির্ভূত। ইতিপূর্বে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সামাজিক বন বিভাগ ঢাকা তার বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করেছেন। অদৃশ্য শক্তির কাছে কৈফিয়তকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে চাকরি করে যাচ্ছেন।

‎ভুক্তভোগীদের দাবি, এই ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ বন বিভাগের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে এবং সাধারণ বনকর্মীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত কর মহসিন হোসেনের ক্ষমতার উৎস চিহ্নিতকরণ ও অবৈধ আয়ের উৎস এবং মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ‎এ বিষয়ে ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ মহসীন হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।