ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেরোবিতে চার দিনব্যাপী শহিদ আবু সাঈদ বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত ১০ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভিক্ষা চাই, রাস্তাটা করে দিন ফেনীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সফল করতে এএইএফআইওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত ফেনীতে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষায় জরুরি সভা অনুষ্ঠিত চার সিটিতে লক্ষ্যমাত্রার ৯২ শতাংশ শিশুর টিকা সম্পন্ন ৩ কোটি টাকা দিয়ে বদলি! এক বছরে ২০ কোটির সম্পদের অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের বিরুদ্ধে হয়তোবা আরো ৩ বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতাম : রুবেল ট্রাম্পের চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না যুক্তরাজ্য বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ফ্রান্স বিশ্বকাপের আগে দুঃসংবাদ পেল ফ্রান্স

কুয়েতে সাপ্তাহিক হাঁস, মুরগি ও কবুতরের হাট

শীতের আগমনে জমে উঠেছে সাপ্তাহিক হাঁস, মুরগি ও কবুতরের কেনাবেচা। কুয়েতের সুয়েখরে সুখ জুমা হচ্ছে অন্যতম প্রাচীন সাপ্তাহিক হাঁস, মুরগি ও কবুতরের হাট। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার বসে এ হাট। যেখানে বেশিরভাগ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ হাটে কেনাবেচা করে থাকেন। 

স্থানীয় কুয়েতি নাগরিকরা শখের বশে অথবা বাণিজ্যিকভাবে সিরিয়া, তুর্কি, ইরান, মিশর, থাইল্যান্ডসহ দেশের বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস, মুরগি ও কবুতর এখানে নিয়ে আসে। যা অফরা আবদালি ও জাহারাতে খামার করে পালন করা হয়। ওইসব খামারের পরিচ্ছন্নতা দেখাশোনা করে থাকেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এদিকে সালুয়া এলাকা থেকে রাঁজহাস কিনতে আসা জাহিদ জনি বলেন, প্রবাসে মাছ আর মুরগির মাংসই বেশি খাই। মাঝে মধ্যে গরু-দুম্বার মাংসও খাই। যখন বাংলাদেশে থাকতাম তখন নিয়মিত দেশি হাঁস-মুরগির মাংস খেতাম কিন্তু এখানে কাজের ব্যস্ততা ও দামের কারণে তেমন খাওয়া হয় না। তবে ছুটি পেলে বন্ধুরা মিলে এখানে এসে আড্ডা দেওয়ার পাশাপাশি হাঁসের মাংস খাই।

পাখি ও খাদ্য বিক্রেতা প্রবাসী সাব্বির আহমদ বলেন, কুয়েতে মধ্যে এটি সব থেকে পুরাতন হাঁস-মুরগি ও পশুপাখির খাদ্যের মার্কেট। এখানে ৫০টিরও বেশি দোকান রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে চার দিনব্যাপী শহিদ আবু সাঈদ বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত

কুয়েতে সাপ্তাহিক হাঁস, মুরগি ও কবুতরের হাট

আপডেট সময় ১২:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

শীতের আগমনে জমে উঠেছে সাপ্তাহিক হাঁস, মুরগি ও কবুতরের কেনাবেচা। কুয়েতের সুয়েখরে সুখ জুমা হচ্ছে অন্যতম প্রাচীন সাপ্তাহিক হাঁস, মুরগি ও কবুতরের হাট। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার বসে এ হাট। যেখানে বেশিরভাগ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ হাটে কেনাবেচা করে থাকেন। 

স্থানীয় কুয়েতি নাগরিকরা শখের বশে অথবা বাণিজ্যিকভাবে সিরিয়া, তুর্কি, ইরান, মিশর, থাইল্যান্ডসহ দেশের বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস, মুরগি ও কবুতর এখানে নিয়ে আসে। যা অফরা আবদালি ও জাহারাতে খামার করে পালন করা হয়। ওইসব খামারের পরিচ্ছন্নতা দেখাশোনা করে থাকেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এদিকে সালুয়া এলাকা থেকে রাঁজহাস কিনতে আসা জাহিদ জনি বলেন, প্রবাসে মাছ আর মুরগির মাংসই বেশি খাই। মাঝে মধ্যে গরু-দুম্বার মাংসও খাই। যখন বাংলাদেশে থাকতাম তখন নিয়মিত দেশি হাঁস-মুরগির মাংস খেতাম কিন্তু এখানে কাজের ব্যস্ততা ও দামের কারণে তেমন খাওয়া হয় না। তবে ছুটি পেলে বন্ধুরা মিলে এখানে এসে আড্ডা দেওয়ার পাশাপাশি হাঁসের মাংস খাই।

পাখি ও খাদ্য বিক্রেতা প্রবাসী সাব্বির আহমদ বলেন, কুয়েতে মধ্যে এটি সব থেকে পুরাতন হাঁস-মুরগি ও পশুপাখির খাদ্যের মার্কেট। এখানে ৫০টিরও বেশি দোকান রয়েছে।