ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের দোকান থেকে পচা দই-মিষ্টি জব্দ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে পচা, মানহীন ও তারিখবিহীন দই ও মিষ্টি জব্দ করা হয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে হলের সমাজসেবা সম্পাদক এক্সটেনশন বিল্ডিংয়ের সামনে অবস্থিত ‘হামিদ ভাইয়ের’ দোকানে অভিযান চালিয়ে এসব খাদ্যদ্রব্য জব্দ করেন।

এর আগে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন ওই দোকান থেকে দই খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনি বিষয়টি সমাজসেবা সম্পাদককে জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে আজ দুপুরে দোকানটি পরিদর্শন করা হলে ফ্রিজে রাখা পচা, বাসি ও মানহীন দই ও মিষ্টি হাতেনাতে ধরা পড়ে।

ঘটনার পর সমাজসেবা সম্পাদক বিষয়টি হল প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে জানান এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের ভিপির মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। ইতোমধ্যেই প্রভোস্টের কাছে পুরো তথ্য পাঠানো হয়েছে।

হলের ভিপি খন্দকার আবু নাঈম বলেন, হল প্রশাসনকে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রভোস্ট স্যারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাপিটাল প্যানিশমেন্ট নিশ্চিত করা জরুরি।

অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে দোকানটিতে সঠিক তারিখবিহীন দই ও মিষ্টি বিক্রি হচ্ছিল। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এমন অনিয়ম ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আরও নজরদারি বাড়াতে হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের দোকান থেকে পচা দই-মিষ্টি জব্দ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে পচা, মানহীন ও তারিখবিহীন দই ও মিষ্টি জব্দ করা হয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে হলের সমাজসেবা সম্পাদক এক্সটেনশন বিল্ডিংয়ের সামনে অবস্থিত ‘হামিদ ভাইয়ের’ দোকানে অভিযান চালিয়ে এসব খাদ্যদ্রব্য জব্দ করেন।

এর আগে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন ওই দোকান থেকে দই খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনি বিষয়টি সমাজসেবা সম্পাদককে জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে আজ দুপুরে দোকানটি পরিদর্শন করা হলে ফ্রিজে রাখা পচা, বাসি ও মানহীন দই ও মিষ্টি হাতেনাতে ধরা পড়ে।

ঘটনার পর সমাজসেবা সম্পাদক বিষয়টি হল প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে জানান এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের ভিপির মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। ইতোমধ্যেই প্রভোস্টের কাছে পুরো তথ্য পাঠানো হয়েছে।

হলের ভিপি খন্দকার আবু নাঈম বলেন, হল প্রশাসনকে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রভোস্ট স্যারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাপিটাল প্যানিশমেন্ট নিশ্চিত করা জরুরি।

অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে দোকানটিতে সঠিক তারিখবিহীন দই ও মিষ্টি বিক্রি হচ্ছিল। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এমন অনিয়ম ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আরও নজরদারি বাড়াতে হবে।