ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আবারও প্রমাণ করেছে, রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’ জামায়াত এমপির ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৯ যুদ্ধের ডামাডোল পেরিয়ে হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি ট্রান্সফর্মার চুরি করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের ​বন বিভাগের ‘মাফিয়া’ সুমন মিয়ার ক্ষমতার দাপট: নির্বাচন কমিশনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হরিলুট মিঠাপুকুরে দুই সাংবাদিক ও কয়েকটি পত্রিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা স্বরলিপি পাবলিকেশনের কৃতী নারী সম্মাননা ফ্যাসিস্ট মন্ত্রীর প্রভাবে মহাজন, এরপর কোটি টাকার হরিলুট বালিজুড়ী রেঞ্জারের পৈশাচিকতায় ধ্বংস হচ্ছে বন বড়লেখায় পৃথক ২ রাস্তার উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন এমপি দিনে ১০-১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না শেরপুরে, বিপর্যস্ত জনজীবন

ছাত্রদলের পর জাকসু নির্বাচন বর্জন সংশপ্তক পর্ষদের

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের পর এবার নির্বাচন বর্জন করেছে বামপন্থীদের একটি অংশের প্যানেল সংশপ্তক পর্ষদ।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় প্যানেলটি। এতে বলা হয়, প্রশাসনের ন্যাক্কারজনক ভূমিকা এবং ছাত্রশিবিরকে ভোট জালিয়াতিতে সহায়তা করার প্রতিবাদে সংশপ্তক পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংশপ্তক পর্ষদ অভিযোগ করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ছাত্রী সংস্থার শিক্ষার্থীরা জাল ভোট দেয়। এছাড়া শহীদ সালাম-বরকত হলে ভোটার সংখ্যা ২৯৯ জন হলেও সেখানে ৪০০টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে।

তারা আরও জানায়, ভোটার তালিকায় ছবি অনুপস্থিতির কারণে যে কেউ এসে অনায়াসে ভোট দিতে পেরেছে। এর প্রমাণ মিলেছে রফিক-জব্বার হলে। প্রতিটি হলেই বিভিন্ন সংগঠনের বহিরাগতদের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণও নির্বাচন বর্জনের অন্যতম কারণ বলে জানায় সংশপ্তক পর্ষদ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনিয়মের প্রশাসন ও ছাত্রশিবিরের এ ভোট ডাকাতির চক্রান্ত প্রতিহত করতে জাকসুতে অংশগ্রহণকারী সব প্যানেল এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

এর আগে, বিকেল সোয়া ৪টার দিকে একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়। একই অভিযোগে বিকেলে বিএনপিপন্থী তিন শিক্ষক নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলকেন্দ্রে ২২৪টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৭৪৩ জন, যার মধ্যে ৫ হাজার ৭২৮ জন ছাত্রী এবং ৬ হাজার ১৫ জন ছাত্র। নির্বাচনে ২৫টি পদে মোট ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান আবারও প্রমাণ করেছে, রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ’

ছাত্রদলের পর জাকসু নির্বাচন বর্জন সংশপ্তক পর্ষদের

আপডেট সময় ০৭:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের পর এবার নির্বাচন বর্জন করেছে বামপন্থীদের একটি অংশের প্যানেল সংশপ্তক পর্ষদ।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় প্যানেলটি। এতে বলা হয়, প্রশাসনের ন্যাক্কারজনক ভূমিকা এবং ছাত্রশিবিরকে ভোট জালিয়াতিতে সহায়তা করার প্রতিবাদে সংশপ্তক পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংশপ্তক পর্ষদ অভিযোগ করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ছাত্রী সংস্থার শিক্ষার্থীরা জাল ভোট দেয়। এছাড়া শহীদ সালাম-বরকত হলে ভোটার সংখ্যা ২৯৯ জন হলেও সেখানে ৪০০টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে।

তারা আরও জানায়, ভোটার তালিকায় ছবি অনুপস্থিতির কারণে যে কেউ এসে অনায়াসে ভোট দিতে পেরেছে। এর প্রমাণ মিলেছে রফিক-জব্বার হলে। প্রতিটি হলেই বিভিন্ন সংগঠনের বহিরাগতদের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণও নির্বাচন বর্জনের অন্যতম কারণ বলে জানায় সংশপ্তক পর্ষদ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনিয়মের প্রশাসন ও ছাত্রশিবিরের এ ভোট ডাকাতির চক্রান্ত প্রতিহত করতে জাকসুতে অংশগ্রহণকারী সব প্যানেল এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

এর আগে, বিকেল সোয়া ৪টার দিকে একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়। একই অভিযোগে বিকেলে বিএনপিপন্থী তিন শিক্ষক নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলকেন্দ্রে ২২৪টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৭৪৩ জন, যার মধ্যে ৫ হাজার ৭২৮ জন ছাত্রী এবং ৬ হাজার ১৫ জন ছাত্র। নির্বাচনে ২৫টি পদে মোট ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।