ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গৃহবধূর কাছে ঘুষ চেয়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন এসআই হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না কুমিল্লায় কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর মায়ের জানাজা অনুষ্ঠিত বরগুনার তালতলীতে নদীর তীরে ভেসে এলো বিশাল আকারে মৃত তিমি বড়লেখায় মিথ্যা মামলার অভিযোগে সোনাহর আলীর সংবাদ সম্মেলন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটিতে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম বেরোবির বিজয়-২৪ হলে আধুনিকায়িত রিডিং রুম ও মসজিদ উদ্বোধন বিএনপি’র কান্ডারী ছাত্রনেতা তপন মাহমুদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মোহাম্মদপুরবাসী নওগাঁয় বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও মদ জব্দ

চীন সীমান্তে সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিমানের টহল শুরু করেছে ভারত

চীনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দেওয়ার পর অরুণাচল প্রদেশে নিজেদের যুদ্ধ বিমান উড়াচ্ছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি মঙ্গলবার এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, সীমান্তে চীনের যুদ্ধবিমানের ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’ লক্ষ্য করার পরই সেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক টহল দিচ্ছে ভারতীয় যুদ্ধবিমান।

ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, চীনের বিমানকে প্রতিহত করতে সম্প্রতি ‘দুই-তিনবার’ যুদ্ধ বিমান উড্ডয়ন করতে হয়েছিল ভারতকে।

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কাছে গত শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর)চীনের সৈন্যদের সাথে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেসোমবার এ ঘটনা জানাজানি হয়। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জানা গেল, যুদ্ধবিমান নিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক টহল দিচ্ছে ভারত।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার সংসদে জানিয়েছেন, চীনের সৈন্যরা জোরপূর্বক তাওয়াং সেক্টরের প্রকৃত সীমান্ত রেখা পরিবর্তন করার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় সেনা কমান্ডারদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের কারণে চীনের সৈন্যরা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চীনকে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

চীনের সৈন্যদের সঙ্গে ভারতীয় সৈন্যদের সংঘর্ষ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় বিরোধী দলীয় রাজনীতিবীদরা। তাদের শান্ত করতে সংসদে বক্তব্য দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সংসদে কথা বলার আগে তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এদিকে এর আগে ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান ভ্যালিতে বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়েছিল ভারত ও চীনের সৈন্যরা। সেই সংঘাতে ভারতের ২০ জন এবং চীনের প্রায় ৪০ জন সেনা আহত বা নিহত হয়েছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূর কাছে ঘুষ চেয়ে ‘বড় মাশুল’ গুনলেন এসআই

চীন সীমান্তে সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিমানের টহল শুরু করেছে ভারত

আপডেট সময় ০৫:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২

চীনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দেওয়ার পর অরুণাচল প্রদেশে নিজেদের যুদ্ধ বিমান উড়াচ্ছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি মঙ্গলবার এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, সীমান্তে চীনের যুদ্ধবিমানের ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’ লক্ষ্য করার পরই সেখানে যুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক টহল দিচ্ছে ভারতীয় যুদ্ধবিমান।

ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, চীনের বিমানকে প্রতিহত করতে সম্প্রতি ‘দুই-তিনবার’ যুদ্ধ বিমান উড্ডয়ন করতে হয়েছিল ভারতকে।

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সেক্টরের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কাছে গত শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর)চীনের সৈন্যদের সাথে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেসোমবার এ ঘটনা জানাজানি হয়। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জানা গেল, যুদ্ধবিমান নিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক টহল দিচ্ছে ভারত।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গলবার সংসদে জানিয়েছেন, চীনের সৈন্যরা জোরপূর্বক তাওয়াং সেক্টরের প্রকৃত সীমান্ত রেখা পরিবর্তন করার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় সেনা কমান্ডারদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের কারণে চীনের সৈন্যরা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চীনকে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

চীনের সৈন্যদের সঙ্গে ভারতীয় সৈন্যদের সংঘর্ষ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় বিরোধী দলীয় রাজনীতিবীদরা। তাদের শান্ত করতে সংসদে বক্তব্য দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সংসদে কথা বলার আগে তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এদিকে এর আগে ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান ভ্যালিতে বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়েছিল ভারত ও চীনের সৈন্যরা। সেই সংঘাতে ভারতের ২০ জন এবং চীনের প্রায় ৪০ জন সেনা আহত বা নিহত হয়েছিলেন।