সংবাদ শিরোনাম ::
আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার দাবি বিরোধী দলীয় নেতার রতনদিয়া রজনীকান্ত সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মানিকনগর মডেল হাই স্কুলে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত নারী সাংবাদিকের মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও হারলেন ট্রাম্প, দিতে হবে ৫ মিলিয়ন ডলার ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৮ দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় আগের মালিকরা ফিরতে পারবেন না : অর্থমন্ত্রী তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, চলছে পায়ের থেরাপি অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস

জাল সার্টিফিকেটে ২৩ বছর শিক্ষকতা করছে রফিকুল ইসলাম

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ কবিরাজহাট আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে ২১ বছর যাবত ১০০২৩৫৮ নম্বর ইনডেক্সধারী জীববিদ্যা বিভাগে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরি করছেন রফিকুল ইসলাম।
বিএড জাল সার্টিফিকেট দিয়ে এবং চাতুরতার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি টেম্পারিং করে নিয়ম বহির্ভূত উচ্চতর স্কেলে বেতন নেয়ায় অডিট আপত্তিতে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৩৮ হাজার ২৪০ টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে ফেরত দিয়ে চালান কপি মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সার্টিফিকেট জালিয়াতির অপরাধে চাকুরীচ্যুৎ করা সহ দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে গৃহীত বেতন ভাতার সমুদয় টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা নিতে দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার (মাধ্যমিক) এবং উপ-পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে প্রাপ্তী স্বীকার সাপেক্ষে অভিযোগ করেছেন ছাত্রী অভিভাবক আনোয়ার হোসেন।
অভিযোগকারী জানান সহঃ শিক্ষক রফিকুল ইসলামের দাখিল করা (রংপুর টিটিসি) বিএড সার্টিফিকেট ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষ, যার রোল-৬১৪৪৮৭. রেজি: নম্বর ৯৯৪৭৩৩. ফলাফল: অকৃতকার্য।
অভিযোগ পত্রের সঙ্গে ভুয়া বিএড সার্টিফিকেটের ফটোকপি, প্রথম ও দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পরিবর্তন টেম্পারিংকৃত কাগজপত্রসহ সকল ভুয়া তথ্যের প্রমান সংযুক্ত করেছেন।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন বিএড ট্রেনিং করেছি তবে পাশ করতে পারি নাই, তখনকার কর্তৃপক্ষের পরামর্শেই অকৃতকার্য সাটিফিকেট দাখিল করেছি।
কবিরাজহাট আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ এসেছে।
সম্প্রতি শুনতে পাচ্ছি রফিকুল ইসলামের বিএড সার্টিফিকেট জাল এবং একজন সচেতন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট দিনাজপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান হবে ৪ শতাংশ : বাংলাদেশ ব্যাংক

জাল সার্টিফিকেটে ২৩ বছর শিক্ষকতা করছে রফিকুল ইসলাম

আপডেট সময় ০১:২২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ কবিরাজহাট আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে ২১ বছর যাবত ১০০২৩৫৮ নম্বর ইনডেক্সধারী জীববিদ্যা বিভাগে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরি করছেন রফিকুল ইসলাম।
বিএড জাল সার্টিফিকেট দিয়ে এবং চাতুরতার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি টেম্পারিং করে নিয়ম বহির্ভূত উচ্চতর স্কেলে বেতন নেয়ায় অডিট আপত্তিতে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৩৮ হাজার ২৪০ টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে ফেরত দিয়ে চালান কপি মন্ত্রনালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সার্টিফিকেট জালিয়াতির অপরাধে চাকুরীচ্যুৎ করা সহ দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে গৃহীত বেতন ভাতার সমুদয় টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা নিতে দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার (মাধ্যমিক) এবং উপ-পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে প্রাপ্তী স্বীকার সাপেক্ষে অভিযোগ করেছেন ছাত্রী অভিভাবক আনোয়ার হোসেন।
অভিযোগকারী জানান সহঃ শিক্ষক রফিকুল ইসলামের দাখিল করা (রংপুর টিটিসি) বিএড সার্টিফিকেট ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষ, যার রোল-৬১৪৪৮৭. রেজি: নম্বর ৯৯৪৭৩৩. ফলাফল: অকৃতকার্য।
অভিযোগ পত্রের সঙ্গে ভুয়া বিএড সার্টিফিকেটের ফটোকপি, প্রথম ও দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পরিবর্তন টেম্পারিংকৃত কাগজপত্রসহ সকল ভুয়া তথ্যের প্রমান সংযুক্ত করেছেন।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন বিএড ট্রেনিং করেছি তবে পাশ করতে পারি নাই, তখনকার কর্তৃপক্ষের পরামর্শেই অকৃতকার্য সাটিফিকেট দাখিল করেছি।
কবিরাজহাট আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ এসেছে।
সম্প্রতি শুনতে পাচ্ছি রফিকুল ইসলামের বিএড সার্টিফিকেট জাল এবং একজন সচেতন অভিভাবক অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট দিনাজপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।