ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুর পুলিশ সুপারের জন্য সাংবাদিক ফয়েজ কে হত্যা করতে ব্যর্থ হয় চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডি

হাজারো অভিযোগে অভিযুক্ত চিৎলা পাটবীজ খামারের যুগ্ম পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম এর কাছে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চাওয়ায় চিৎলা পাটবীজ খামারের শ্রমিকদের দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক ফয়েজের বিরুদ্ধে মিথ্যা হামলা মামলা জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। “শ্রমিক নীতিমালা ২০২৫” অনুযায়ী বিএডিসি খামার গুলোর জেডি/ডিডি কাজ করছে না এমন একটি অভিযোগ গত ০৫/০৭/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে কৃষি মন্ত্রণালয় সচিব বরাবর ফয়েজ অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএডিসির পাটবীজ বিভাগের ব্যবস্থাপক তদন্ত করার জন্য ১১/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মেহেরপুর এসপি অফিসের পশ্চিমে বিএডিসির বীজ ক্রয় কেন্দ্র কন্ট্রাক্ট গ্রুপের অফিসে ফয়েজ কে মৌখিক ও চিঠি দিয়ে ডেকে নেয়। তদন্ত চলাকালিন গাংনী উপজেলা বাগুন্দা গ্রামের বিএনপির নেতা ও ঠিকাদার ব্যবসায়ী নুর ইসলাম এর নেত্রীতে চিৎলা পাটবীজ খামারের শ্রমিকরা ফয়েজকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য কন্ট্রাক্ট গ্রুপ অফিসে চলে যায়। এক পর্যায় ফয়েজ মেহেরপুর পুলিশ সুপারকে বিষয়টা জানালে মেহেরপুর পুলিশ সুপার মেহেরপুর সদর থানাকে জানালে মেহেরপুর সদর থানার ওসি, ৪ জন এসআই ও ৫ জন কন্দ্রাবল স্বরজমিনে উপস্থিত হলে সাংবাদিক ফয়েজ কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে যায়। এক পর্যায় চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডির সাথে ফয়েজ আপষ করার মৌখিক শর্তে ফয়েজ কে মবজাস্টিস মাধ্যমে হত্যা করার নীলনকশা থেকে পুলিশ নিরাপদে ফয়েজকে বের করে আনতে সক্ষম হয়। এই বিষয় মেহেরপুর সদর থানার ওসির সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, ফয়েজের কোনো দোষ আমার খুজে পায়নি তবে ফয়েজকে পরিকল্পিতভাবে মবজাস্টিস করতে চেয়েছিল মেহেরপুর সুযোগ্য পুলিশ সুপারের নেত্বীতে আমরা কাজ করাই ফয়েজকে রক্ষা করায় সক্ষম হয়েছি। মেহেরপুর কন্ট্রাক্ট গ্রুপ অফিসে ডিডি মোঃ এনামুল হকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, আমার অফিসে বসে তদন্ত করবে এইটা আমি জানতাম না তদন্ত কর্মকর্তা ও চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডি কারণে ফয়েজকে যদি আজকে হত্যা করতো তাহলে হয়তো আমিও এই হত্যার আসামি হয়তাম মহান আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছে। এই ব্যাপারে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, মেহেরপুর জেলায় মবজাস্টিস হলেই আমি তা রুক্ষে দেওয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকি। এই ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, আজকে যে মবজাস্টিস ফয়েজ এর সাথে হতে গেছিল এইটা একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। এই ব্যাপারে চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডি সাথে তার মোবাইলে কথা বলতে গেলে তিনি ফোন না ধরে কেটে দিয়েছে। এই ব্যাপারে সাংবাদিক ফয়েজ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডির সাথে আপষ না করলে কথিত বিএনপির নেতা, ঠিকাদার নুর ইসলাম আমাকে যে কোনো সময় হত্যা করতে পারে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুর পুলিশ সুপারের জন্য সাংবাদিক ফয়েজ কে হত্যা করতে ব্যর্থ হয় চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডি

আপডেট সময় ০৬:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

হাজারো অভিযোগে অভিযুক্ত চিৎলা পাটবীজ খামারের যুগ্ম পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম এর কাছে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চাওয়ায় চিৎলা পাটবীজ খামারের শ্রমিকদের দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক ফয়েজের বিরুদ্ধে মিথ্যা হামলা মামলা জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। “শ্রমিক নীতিমালা ২০২৫” অনুযায়ী বিএডিসি খামার গুলোর জেডি/ডিডি কাজ করছে না এমন একটি অভিযোগ গত ০৫/০৭/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে কৃষি মন্ত্রণালয় সচিব বরাবর ফয়েজ অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএডিসির পাটবীজ বিভাগের ব্যবস্থাপক তদন্ত করার জন্য ১১/০৮/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মেহেরপুর এসপি অফিসের পশ্চিমে বিএডিসির বীজ ক্রয় কেন্দ্র কন্ট্রাক্ট গ্রুপের অফিসে ফয়েজ কে মৌখিক ও চিঠি দিয়ে ডেকে নেয়। তদন্ত চলাকালিন গাংনী উপজেলা বাগুন্দা গ্রামের বিএনপির নেতা ও ঠিকাদার ব্যবসায়ী নুর ইসলাম এর নেত্রীতে চিৎলা পাটবীজ খামারের শ্রমিকরা ফয়েজকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য কন্ট্রাক্ট গ্রুপ অফিসে চলে যায়। এক পর্যায় ফয়েজ মেহেরপুর পুলিশ সুপারকে বিষয়টা জানালে মেহেরপুর পুলিশ সুপার মেহেরপুর সদর থানাকে জানালে মেহেরপুর সদর থানার ওসি, ৪ জন এসআই ও ৫ জন কন্দ্রাবল স্বরজমিনে উপস্থিত হলে সাংবাদিক ফয়েজ কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে যায়। এক পর্যায় চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডির সাথে ফয়েজ আপষ করার মৌখিক শর্তে ফয়েজ কে মবজাস্টিস মাধ্যমে হত্যা করার নীলনকশা থেকে পুলিশ নিরাপদে ফয়েজকে বের করে আনতে সক্ষম হয়। এই বিষয় মেহেরপুর সদর থানার ওসির সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, ফয়েজের কোনো দোষ আমার খুজে পায়নি তবে ফয়েজকে পরিকল্পিতভাবে মবজাস্টিস করতে চেয়েছিল মেহেরপুর সুযোগ্য পুলিশ সুপারের নেত্বীতে আমরা কাজ করাই ফয়েজকে রক্ষা করায় সক্ষম হয়েছি। মেহেরপুর কন্ট্রাক্ট গ্রুপ অফিসে ডিডি মোঃ এনামুল হকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, আমার অফিসে বসে তদন্ত করবে এইটা আমি জানতাম না তদন্ত কর্মকর্তা ও চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডি কারণে ফয়েজকে যদি আজকে হত্যা করতো তাহলে হয়তো আমিও এই হত্যার আসামি হয়তাম মহান আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছে। এই ব্যাপারে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, মেহেরপুর জেলায় মবজাস্টিস হলেই আমি তা রুক্ষে দেওয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকি। এই ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন যে, আজকে যে মবজাস্টিস ফয়েজ এর সাথে হতে গেছিল এইটা একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। এই ব্যাপারে চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডি সাথে তার মোবাইলে কথা বলতে গেলে তিনি ফোন না ধরে কেটে দিয়েছে। এই ব্যাপারে সাংবাদিক ফয়েজ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, চিৎলা পাটবীজ খামারের জেডির সাথে আপষ না করলে কথিত বিএনপির নেতা, ঠিকাদার নুর ইসলাম আমাকে যে কোনো সময় হত্যা করতে পারে।