হাজারো অভিযোগে অভিযুক্ত চিৎলা পাটবীজ খামারের যুগ্ন পরিচালক মোর্শেদুল ইসলাম ওযুগ্ন পরিচালকেরশ্রমিক দিয়ে গঠিত নাজিম বাহিনীর সদস্য নাজিম, বকুল, জাব্বার, মুছা এই ৪ জন শ্রমিককে দিয়ে খামারের জমিতে কৃষকের পাটজাগ দেওয়ার ব্যাক্তিগত বাণিজ্য শুরু করেছে। বিএডিসির অনুমতি ছাড়াইচিৎলা পাটবীজ খামারের উত্তর ব্লকের বাশঁবাড়ীয়া দঃপাড়া সংলগ্ন ২-৩ একর নিচু জমি আছে। ঐ জমিতে কৃষকের পাটজাগ দেওয়ার জন্য প্রতি একরে ৬ হাজার টাকার বিনিময় কৃষকের পাটজাগ দেওয়ারনতুন একটি বাণিজ্য শুরু করেছে। খামারের যে জায়গায় পাটজাগ দেওয়ার যে বাণিজ্য করছে তার পাশে ২ টা পুকুর আছে। ঐ পুকুরে মোঃ মাসুদ নামের একজন কৃষক মাছ চাষ করছেন। মাসুদ বলেন, তাদের পাট পচাঁ পানি আমার পুকুরে প্রবেশ করলে আমার লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার মাছ মারা যাবে এই বিষয়টা জেডি জানার পরেও তাদের বাণিজ্য করছে।এই ব্যাপারে জেডির মোবাইলে কথা বলার জন্য একাধিক বার ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপর পাটবীজ বিভাগের মহাপরিচালক দেবদাস সাহার সাথে কথা বলতে গেলে তিনিওফোন ধরেননি।
বিশেষ প্রতিনিধি 






















