ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মির্জাপুর ভূমি অফিসে রিনা রানীর দাপট, ঘুষ-নথি জালিয়াতির অভিযোগ ডেমরা রেজিস্ট্রি অফিসে তুহিন-সাজুর দাপট, প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় অনিয়মের অভিযোগ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অভিযোগের পরও একই বিদেশি স্টেশনে স্বামী-স্ত্রী কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকার উপদ্রব, রাত না কাটিয়েই চলে গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কুমিল্লা মেডিকেলে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন, অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধে কঠোর নির্দেশ শেরেবাংলা নগর বয়েজ হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ের ঐতিহাসিক পতিসর রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধনে তাল গাছের চারা রোপণ দাবি না মানলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

মনোহরগঞ্জে মডেল মসজিদ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে মুসল্লিরা

দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে সদ্য নির্মিত মডেল মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বিদ্যুৎ না থাকায় গত এক মাসের বেশি সময় অন্ধকারে রয়েছে মসজিদটি। এতে ইবাদত বন্দেগি করতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মুসল্লিরা।মনোহরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্র জানায়, মসজিদের প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকার বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন এই মডেল মসজিদটি নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর জুমার নামাজ চালুসহ সাধারণ মুসল্লীদের জন্য খুলে দেয়া হয়। ইবাদতের জন্য খুলে দেয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ নামাজ আদায়ে ছুটে আসতেন মসজিদে। গত একমাস আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় মনোহরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বিদ্যুৎ না থাকায় নামাজ, খুতবা, কোরআন শিক্ষা এমনকি ওজু করার ক্ষেত্রেও চরম দুর্ভোগে পড়েন মুসল্লিরা।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি এই মসজিদটি অন্ধকারে পড়ে থাকা খুবই লজ্জাজনক। এটি শুধু ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, সামাজিক নানা কার্যক্রমেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর দাবি জানান এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এব্যাপারে মনোহরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানান মসজিদের নামে কয়েক মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। এবিষয়ে একাধিকবার মৌখিকভাবে অবহিত করা হলেও বিল পরিশোধ না করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন- মডেল মসজিটি ঠিকাদার এখনো আমাদেরকে বুঝিয়ে দেননি, বিদ্যুৎ সংযোগটি ঠিকাদারের নামে। এরপরও ঠিকাদারের সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।
এব্যাপারে ঠিকাদার শফিকুর রহমান বলেন, মডেল মসজিদটিতে সেনা ক্যাম্প ছিলো, তারা দীর্ঘদিন ব্যবহার করেছেন এছাড়া মসজিটি হস্তান্তর করার আগেই মুসল্লিদের জন্য খুলে দেয়া হয়। বাড়তি বিলের জন্য বকেয়া পড়েছে। তিনি আরো বলেন এক সপ্তাহের মধ্য প্রশাসনের সাথে কথা বলে বিদ্যুতের সমাধান করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাপুর ভূমি অফিসে রিনা রানীর দাপট, ঘুষ-নথি জালিয়াতির অভিযোগ

মনোহরগঞ্জে মডেল মসজিদ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে মুসল্লিরা

আপডেট সময় ০৪:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে সদ্য নির্মিত মডেল মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বিদ্যুৎ না থাকায় গত এক মাসের বেশি সময় অন্ধকারে রয়েছে মসজিদটি। এতে ইবাদত বন্দেগি করতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মুসল্লিরা।মনোহরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্র জানায়, মসজিদের প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকার বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন এই মডেল মসজিদটি নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর জুমার নামাজ চালুসহ সাধারণ মুসল্লীদের জন্য খুলে দেয়া হয়। ইবাদতের জন্য খুলে দেয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ নামাজ আদায়ে ছুটে আসতেন মসজিদে। গত একমাস আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় মনোহরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। বিদ্যুৎ না থাকায় নামাজ, খুতবা, কোরআন শিক্ষা এমনকি ওজু করার ক্ষেত্রেও চরম দুর্ভোগে পড়েন মুসল্লিরা।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি এই মসজিদটি অন্ধকারে পড়ে থাকা খুবই লজ্জাজনক। এটি শুধু ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, সামাজিক নানা কার্যক্রমেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর দাবি জানান এবং প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এব্যাপারে মনোহরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানান মসজিদের নামে কয়েক মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। এবিষয়ে একাধিকবার মৌখিকভাবে অবহিত করা হলেও বিল পরিশোধ না করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন- মডেল মসজিটি ঠিকাদার এখনো আমাদেরকে বুঝিয়ে দেননি, বিদ্যুৎ সংযোগটি ঠিকাদারের নামে। এরপরও ঠিকাদারের সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।
এব্যাপারে ঠিকাদার শফিকুর রহমান বলেন, মডেল মসজিদটিতে সেনা ক্যাম্প ছিলো, তারা দীর্ঘদিন ব্যবহার করেছেন এছাড়া মসজিটি হস্তান্তর করার আগেই মুসল্লিদের জন্য খুলে দেয়া হয়। বাড়তি বিলের জন্য বকেয়া পড়েছে। তিনি আরো বলেন এক সপ্তাহের মধ্য প্রশাসনের সাথে কথা বলে বিদ্যুতের সমাধান করা হবে।