সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি ও জিএম দূর্নীতি করার জন্য নাজিম বাহিনী কে খামার পরিচালনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে

চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি ও জিএম দূর্নীতি করার জন্য নাজিম বাহিনী এখন খামার
পরিচালনা করছে। বিএডিসি পাটবীজ বিভাগের জিএম দেবদাস সাহা ও চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি মোঃ
মোর্শেদুল ইসলাম এর দূর্নীতির মাত্রা বেড়েই চলেছে গত ২ জানুয়ারি এমন সংবাদ হওয়ার পর আরও দূর্নীতির
চঞ্চলকর তথ্য পাওয়া গেছে। খামারের শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি ও জিএম
নাজিম বাহিনীর ৫ জন শ্রমিককে কাজ না করিয়ে দৈনিক ৫০০ টাকা হাজিরা দিচ্ছে। এই বাহিনীর প্রধান হলেন
লালমনিরহাট জেলার মোঃ নাজিম উদ্দিন কোনো কাজ না করে শুধু ৩ ব্লকে ঘুরে বেড়াই, সিরাজগঞ্জ জেলার মোঃ
শাহাদত হোসেন শুধু মাত্র যুগ্ন পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম এর ব্যাক্তিগত হাঁস, মুরগী খামারের মধ্যে পালন
করেন। খামারের পার্শ্বেবাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ আঃ সালাম খামারের ৫ টা গেটের মধ্যে একটি গেটে পাহারা
দেওয়ার নামে বসিয়ে রাখে, একই গ্রামের সালাম এর ভাই আলাম গত ১৮ মাস খামারে আসেননা আলামের একটি
প্রতিবন্ধী ন্যাংড়া ছেলে খামারে এসে খেলাধুলা করে চলে যায় কিন্তু আলামের নামে প্রতিদিন হাজিরা হয়। খামারের
পার্শ্বে জুগিন্দা গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম কাদা গেস্ট হাউজ দিনে পাহারা দেওয়া ও জেডির রাঁধুনি হিসেবে কাজ
করার নামে বসে বসে হাজিরা দিচ্ছে। এই ৫ জন কে খাতা কলমে বিভিন্ন কাজে কর্মরত আছে দেখালেও বাস্তবে
এরা কোনো কাজ করেন না। এরা শুধু মাত্র জিএম দেবদাস সাহা ও জেডি মোর্শেদুল ইসলাম এর পেটুয়া বাহিনী
হিসেবে তাদের কে রেখেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে৩ ব্লকের ১৫ জন শ্রমিক দৈনিক আমাদের মাতৃভৃমি কে
বলেন যে, খামারের তৈল, সার, কীটনাশক, ট্রেন্ডার, যে কোনো ক্রয় বিক্রয় সহ খামারের যত অর্থনেতিক কার্যক্রম
এই বাহিনীর প্রধান মোঃ নাজিম উদ্দিন কে দিয়ে জেডি মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম করিয়ে থাকে। তাই গোপনে ও
প্রকাশ্য জেডি দূর্নীতি অনিয়ম করে থাকেন। শ্রমিকদের সূত্রে আরো জানা যায়, এই বছরে খামারে আলু উৎপাদনের
ক্ষেত্রে শুধু মাত্র মোঃ নাজিম উদ্দিন এর জন্য সরকারের টার্গেট পূরণ করতে পারেননি ও অবশিষ্ট ননসিট আলুক্রয়
বিক্রয় না করে কিছু আলু গোপনে চুরি করে বিক্রয় করে মোঃ নাজিম উদ্দিন এর পকেটে ঢুকিয়েছে। বাকি ১০ টন
আলু লটে পচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। আরো জানা যায়, পুরোনো ভবন যারা ক্রয় করেছিল তারা ভবন ভেঙ্গে শুধুমাত্র
ইট গুলো তারা ক্রয় বিক্রয় করে গেছেন। বাকি ছাদ ভাঙ্গা রাবিশ, ইটের গায়ে লেগে থাকা সিমেন্ট বালি ইটের গুড়া
২০০ টালি বিক্রয় কারার পাশাপাশি খামারের দক্ষিণ ব্লকে পশ্চিম চাতালের উত্তর পার্শ্বে খামারের মাটি ২০০ টলি
বিক্রয় করেছে। এই মাটি, রাবিশ বিক্রয়কৃত অর্থজিএম, জেডি ও মোঃ নাজিম উদ্দিন এর পকেটে ভরেছে। খামারে
মাটি বিক্রয় করার বিষয়টি ব্যাপক ভাবে আলোচনা সমালোচনা হওয়ার কারণে খামারের শ্রমিক দিয়ে মাটি বিক্রয়
করার গর্তটি খামারের অবশিষ্ট বিভিন্নজায়গায় পড়ে থাকা রাবিশ কুড়িয়ে নিয়ে এসে গর্ত ভরাট করার চেষ্টা করলেও
গর্তটি এখনও দৃশ্যমান। খামারের সার্বিক বিষয়ে মোঃ নাজিম উদ্দিন সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন যে, এই
খামারে যা কিছু হয় সবই জিএম স্যারের নির্দেশে আমি বা আমার জেডি স্যার করে থাকি। এই বিষয়ে জেডি ও
জিএম এর সাথে অন্যান্য সময়ের মতো ফোনে কথা বলার চেষ্টা করে ছিলাম কিন্তুতারা ফোন ধরেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি ও জিএম দূর্নীতি করার জন্য নাজিম বাহিনী কে খামার পরিচালনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে

আপডেট সময় ০৩:০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি ও জিএম দূর্নীতি করার জন্য নাজিম বাহিনী এখন খামার
পরিচালনা করছে। বিএডিসি পাটবীজ বিভাগের জিএম দেবদাস সাহা ও চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি মোঃ
মোর্শেদুল ইসলাম এর দূর্নীতির মাত্রা বেড়েই চলেছে গত ২ জানুয়ারি এমন সংবাদ হওয়ার পর আরও দূর্নীতির
চঞ্চলকর তথ্য পাওয়া গেছে। খামারের শ্রমিকদের সূত্রে জানা যায়, চিৎলা পাট বীজ খামারের জেডি ও জিএম
নাজিম বাহিনীর ৫ জন শ্রমিককে কাজ না করিয়ে দৈনিক ৫০০ টাকা হাজিরা দিচ্ছে। এই বাহিনীর প্রধান হলেন
লালমনিরহাট জেলার মোঃ নাজিম উদ্দিন কোনো কাজ না করে শুধু ৩ ব্লকে ঘুরে বেড়াই, সিরাজগঞ্জ জেলার মোঃ
শাহাদত হোসেন শুধু মাত্র যুগ্ন পরিচালক মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম এর ব্যাক্তিগত হাঁস, মুরগী খামারের মধ্যে পালন
করেন। খামারের পার্শ্বেবাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ আঃ সালাম খামারের ৫ টা গেটের মধ্যে একটি গেটে পাহারা
দেওয়ার নামে বসিয়ে রাখে, একই গ্রামের সালাম এর ভাই আলাম গত ১৮ মাস খামারে আসেননা আলামের একটি
প্রতিবন্ধী ন্যাংড়া ছেলে খামারে এসে খেলাধুলা করে চলে যায় কিন্তু আলামের নামে প্রতিদিন হাজিরা হয়। খামারের
পার্শ্বে জুগিন্দা গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম কাদা গেস্ট হাউজ দিনে পাহারা দেওয়া ও জেডির রাঁধুনি হিসেবে কাজ
করার নামে বসে বসে হাজিরা দিচ্ছে। এই ৫ জন কে খাতা কলমে বিভিন্ন কাজে কর্মরত আছে দেখালেও বাস্তবে
এরা কোনো কাজ করেন না। এরা শুধু মাত্র জিএম দেবদাস সাহা ও জেডি মোর্শেদুল ইসলাম এর পেটুয়া বাহিনী
হিসেবে তাদের কে রেখেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে৩ ব্লকের ১৫ জন শ্রমিক দৈনিক আমাদের মাতৃভৃমি কে
বলেন যে, খামারের তৈল, সার, কীটনাশক, ট্রেন্ডার, যে কোনো ক্রয় বিক্রয় সহ খামারের যত অর্থনেতিক কার্যক্রম
এই বাহিনীর প্রধান মোঃ নাজিম উদ্দিন কে দিয়ে জেডি মোঃ মোর্শেদুল ইসলাম করিয়ে থাকে। তাই গোপনে ও
প্রকাশ্য জেডি দূর্নীতি অনিয়ম করে থাকেন। শ্রমিকদের সূত্রে আরো জানা যায়, এই বছরে খামারে আলু উৎপাদনের
ক্ষেত্রে শুধু মাত্র মোঃ নাজিম উদ্দিন এর জন্য সরকারের টার্গেট পূরণ করতে পারেননি ও অবশিষ্ট ননসিট আলুক্রয়
বিক্রয় না করে কিছু আলু গোপনে চুরি করে বিক্রয় করে মোঃ নাজিম উদ্দিন এর পকেটে ঢুকিয়েছে। বাকি ১০ টন
আলু লটে পচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে। আরো জানা যায়, পুরোনো ভবন যারা ক্রয় করেছিল তারা ভবন ভেঙ্গে শুধুমাত্র
ইট গুলো তারা ক্রয় বিক্রয় করে গেছেন। বাকি ছাদ ভাঙ্গা রাবিশ, ইটের গায়ে লেগে থাকা সিমেন্ট বালি ইটের গুড়া
২০০ টালি বিক্রয় কারার পাশাপাশি খামারের দক্ষিণ ব্লকে পশ্চিম চাতালের উত্তর পার্শ্বে খামারের মাটি ২০০ টলি
বিক্রয় করেছে। এই মাটি, রাবিশ বিক্রয়কৃত অর্থজিএম, জেডি ও মোঃ নাজিম উদ্দিন এর পকেটে ভরেছে। খামারে
মাটি বিক্রয় করার বিষয়টি ব্যাপক ভাবে আলোচনা সমালোচনা হওয়ার কারণে খামারের শ্রমিক দিয়ে মাটি বিক্রয়
করার গর্তটি খামারের অবশিষ্ট বিভিন্নজায়গায় পড়ে থাকা রাবিশ কুড়িয়ে নিয়ে এসে গর্ত ভরাট করার চেষ্টা করলেও
গর্তটি এখনও দৃশ্যমান। খামারের সার্বিক বিষয়ে মোঃ নাজিম উদ্দিন সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন যে, এই
খামারে যা কিছু হয় সবই জিএম স্যারের নির্দেশে আমি বা আমার জেডি স্যার করে থাকি। এই বিষয়ে জেডি ও
জিএম এর সাথে অন্যান্য সময়ের মতো ফোনে কথা বলার চেষ্টা করে ছিলাম কিন্তুতারা ফোন ধরেননি।