ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

শেখ হেলালের পিএস’র স্ত্রী মমতাজ বেগম পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে!

পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অন্যতম লুটেরা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হেলাল এর পিএস এবং বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ ওয়ালিদ এর স্ত্রী মমতাজ বেগম এখনো পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে আছেন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এ প্রশিক্ষণ বিভাগে উপ পরিচালক পদে কর্মরত আছেন মমতাজ বেগম। তিনি মাঠকর্মী হিসেবে পিডিবিএফ এ যোগদান করেন। তার স্বামী আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হেলালের পিএস থাকার সুবাদে তিনি অফিসের কোন নিয়ম কানুন তোয়াক্কা করতেন না। ইচ্ছেমত অফিসে আসা যাওয়া করতো। তাকে কখনো কেউ কোন কাজ করতে দেখেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবিএফ এর একজন কর্মকর্তা বলেন, মমতাজ বেগম ঠিক মত অফিস করতেন‌ না। পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বিতর্কিত পদত্যাগী এমডি মমতাজ বেগম কে তোষামোদ করে চলতেন। আওয়ামী লীগের নেতার স্ত্রী মমতাজ বেগম রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে উপ পরিচালক পদে পদোন্নতি নিয়েছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী তিনি উপ পরিচালক হতে পারেন না। এছাড়া তিনি নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে এই কর্মকর্তা দাবি করেন।

জানা গেছে, ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মমতাজ বেগম কিছু দিন অফিসে আসেনি। নতুন এমডি দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসন করা শুরু করেন। এই সুযোগে সমঝোতার মাধ্যমে মমতাজ বেগম ফের অফিস করা শুরু করেন এবং আগের মত দাপটের সাথে নিজের মত অফিসে আসা যাওয়া করেন।

অন্যদিকে মমতাজ বেগমের পলাতক স্বামী মোঃ ওয়ালিদ এখনো বিদেশে অবস্থান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে আওয়ামী সরকার পতনের পর গোপনে মমতাজ বেগম ভারত সফরে গিয়েছিলেন। ভারতে তার স্বামী ও পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

মমতাজ বেগম কয়েক মাসের মধ্যে অবসরে যাচ্ছেন। অবসরে যাওয়ার পূর্বে মমতাজ বেগমের বিগত ১৬ বছরের আমলনামা তদন্তের জন্য কমিটি গঠন এবং কমিটির রিপোর্ট না দেয়া পর্যন্ত তার গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ সকল সুবিধা স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পিডিবিএফ এর বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

শেখ হেলালের পিএস’র স্ত্রী মমতাজ বেগম পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে!

আপডেট সময় ১১:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অন্যতম লুটেরা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হেলাল এর পিএস এবং বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ ওয়ালিদ এর স্ত্রী মমতাজ বেগম এখনো পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে আছেন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এ প্রশিক্ষণ বিভাগে উপ পরিচালক পদে কর্মরত আছেন মমতাজ বেগম। তিনি মাঠকর্মী হিসেবে পিডিবিএফ এ যোগদান করেন। তার স্বামী আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হেলালের পিএস থাকার সুবাদে তিনি অফিসের কোন নিয়ম কানুন তোয়াক্কা করতেন না। ইচ্ছেমত অফিসে আসা যাওয়া করতো। তাকে কখনো কেউ কোন কাজ করতে দেখেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবিএফ এর একজন কর্মকর্তা বলেন, মমতাজ বেগম ঠিক মত অফিস করতেন‌ না। পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বিতর্কিত পদত্যাগী এমডি মমতাজ বেগম কে তোষামোদ করে চলতেন। আওয়ামী লীগের নেতার স্ত্রী মমতাজ বেগম রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে উপ পরিচালক পদে পদোন্নতি নিয়েছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী তিনি উপ পরিচালক হতে পারেন না। এছাড়া তিনি নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে এই কর্মকর্তা দাবি করেন।

জানা গেছে, ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মমতাজ বেগম কিছু দিন অফিসে আসেনি। নতুন এমডি দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসন করা শুরু করেন। এই সুযোগে সমঝোতার মাধ্যমে মমতাজ বেগম ফের অফিস করা শুরু করেন এবং আগের মত দাপটের সাথে নিজের মত অফিসে আসা যাওয়া করেন।

অন্যদিকে মমতাজ বেগমের পলাতক স্বামী মোঃ ওয়ালিদ এখনো বিদেশে অবস্থান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে আওয়ামী সরকার পতনের পর গোপনে মমতাজ বেগম ভারত সফরে গিয়েছিলেন। ভারতে তার স্বামী ও পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

মমতাজ বেগম কয়েক মাসের মধ্যে অবসরে যাচ্ছেন। অবসরে যাওয়ার পূর্বে মমতাজ বেগমের বিগত ১৬ বছরের আমলনামা তদন্তের জন্য কমিটি গঠন এবং কমিটির রিপোর্ট না দেয়া পর্যন্ত তার গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ সকল সুবিধা স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পিডিবিএফ এর বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।