ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের মামলায় পেছাল সাক্ষ্যগ্রহণ খাবারের ট্রাকে লুকিয়ে সামরিক বিমানে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সারা দেশে মাটি পরীক্ষা চলছে : কৃষিমন্ত্রী পলাশের আনারস স্বাদে অতুলনীয়, বাড়ছে চাহিদা স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে দুই মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা! জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মন্তব্যে বিপাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে সুইডেনের সহায়তা চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পঞ্চগড়ে এসজিপিটি পরীক্ষায় সরকারী হাসপাতাল-প্রাইভেট ডায়াগনেস্টিক রিপোর্টে ব্যাপক গড়মিল রাষ্ট্রপতি পদে এখনও ঠিক হয়নি বিএনপি প্রার্থী: চিফ হুইপ

শেখ হেলালের পিএস’র স্ত্রী মমতাজ বেগম পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে!

পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অন্যতম লুটেরা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হেলাল এর পিএস এবং বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ ওয়ালিদ এর স্ত্রী মমতাজ বেগম এখনো পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে আছেন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এ প্রশিক্ষণ বিভাগে উপ পরিচালক পদে কর্মরত আছেন মমতাজ বেগম। তিনি মাঠকর্মী হিসেবে পিডিবিএফ এ যোগদান করেন। তার স্বামী আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হেলালের পিএস থাকার সুবাদে তিনি অফিসের কোন নিয়ম কানুন তোয়াক্কা করতেন না। ইচ্ছেমত অফিসে আসা যাওয়া করতো। তাকে কখনো কেউ কোন কাজ করতে দেখেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবিএফ এর একজন কর্মকর্তা বলেন, মমতাজ বেগম ঠিক মত অফিস করতেন‌ না। পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বিতর্কিত পদত্যাগী এমডি মমতাজ বেগম কে তোষামোদ করে চলতেন। আওয়ামী লীগের নেতার স্ত্রী মমতাজ বেগম রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে উপ পরিচালক পদে পদোন্নতি নিয়েছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী তিনি উপ পরিচালক হতে পারেন না। এছাড়া তিনি নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে এই কর্মকর্তা দাবি করেন।

জানা গেছে, ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মমতাজ বেগম কিছু দিন অফিসে আসেনি। নতুন এমডি দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসন করা শুরু করেন। এই সুযোগে সমঝোতার মাধ্যমে মমতাজ বেগম ফের অফিস করা শুরু করেন এবং আগের মত দাপটের সাথে নিজের মত অফিসে আসা যাওয়া করেন।

অন্যদিকে মমতাজ বেগমের পলাতক স্বামী মোঃ ওয়ালিদ এখনো বিদেশে অবস্থান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে আওয়ামী সরকার পতনের পর গোপনে মমতাজ বেগম ভারত সফরে গিয়েছিলেন। ভারতে তার স্বামী ও পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

মমতাজ বেগম কয়েক মাসের মধ্যে অবসরে যাচ্ছেন। অবসরে যাওয়ার পূর্বে মমতাজ বেগমের বিগত ১৬ বছরের আমলনামা তদন্তের জন্য কমিটি গঠন এবং কমিটির রিপোর্ট না দেয়া পর্যন্ত তার গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ সকল সুবিধা স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পিডিবিএফ এর বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের মামলায় পেছাল সাক্ষ্যগ্রহণ

শেখ হেলালের পিএস’র স্ত্রী মমতাজ বেগম পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে!

আপডেট সময় ১১:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অন্যতম লুটেরা আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হেলাল এর পিএস এবং বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ ওয়ালিদ এর স্ত্রী মমতাজ বেগম এখনো পিডিবিএফ এ বহাল তবিয়তে আছেন। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) এ প্রশিক্ষণ বিভাগে উপ পরিচালক পদে কর্মরত আছেন মমতাজ বেগম। তিনি মাঠকর্মী হিসেবে পিডিবিএফ এ যোগদান করেন। তার স্বামী আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হেলালের পিএস থাকার সুবাদে তিনি অফিসের কোন নিয়ম কানুন তোয়াক্কা করতেন না। ইচ্ছেমত অফিসে আসা যাওয়া করতো। তাকে কখনো কেউ কোন কাজ করতে দেখেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবিএফ এর একজন কর্মকর্তা বলেন, মমতাজ বেগম ঠিক মত অফিস করতেন‌ না। পতিত স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বিতর্কিত পদত্যাগী এমডি মমতাজ বেগম কে তোষামোদ করে চলতেন। আওয়ামী লীগের নেতার স্ত্রী মমতাজ বেগম রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে উপ পরিচালক পদে পদোন্নতি নিয়েছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী তিনি উপ পরিচালক হতে পারেন না। এছাড়া তিনি নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে এই কর্মকর্তা দাবি করেন।

জানা গেছে, ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মমতাজ বেগম কিছু দিন অফিসে আসেনি। নতুন এমডি দায়িত্ব নিয়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের পুনর্বাসন করা শুরু করেন। এই সুযোগে সমঝোতার মাধ্যমে মমতাজ বেগম ফের অফিস করা শুরু করেন এবং আগের মত দাপটের সাথে নিজের মত অফিসে আসা যাওয়া করেন।

অন্যদিকে মমতাজ বেগমের পলাতক স্বামী মোঃ ওয়ালিদ এখনো বিদেশে অবস্থান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে আওয়ামী সরকার পতনের পর গোপনে মমতাজ বেগম ভারত সফরে গিয়েছিলেন। ভারতে তার স্বামী ও পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

মমতাজ বেগম কয়েক মাসের মধ্যে অবসরে যাচ্ছেন। অবসরে যাওয়ার পূর্বে মমতাজ বেগমের বিগত ১৬ বছরের আমলনামা তদন্তের জন্য কমিটি গঠন এবং কমিটির রিপোর্ট না দেয়া পর্যন্ত তার গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ সকল সুবিধা স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পিডিবিএফ এর বৈষম্য বিরোধী কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।