ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বোরহানউদ্দিনে সামাজিক অপপ্রচার মোকাবিলা ও মূল্যবোধ বিষয়ে আলোচনা সভা মৌলভীবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের হুশিয়ারী রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত, রান্নার চুলা নিভু নিভু শিক্ষা ক্যাডার সহিদুল ইসলামকে ঘিরে আবাসন ব্যবসার অভিযোগ ‘লেক আইল্যান্ড ঢাকা’র বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা নিয়ে প্লট না দেওয়ার অভিযোগ বনানী প্রেসক্লাবের বিজয় ও লিমনসহ চার গণমাধ্যমকর্মীর প্রয়াণ: মঙ্গলবার বাদ মাগরিব খিলক্ষেত প্রেসক্লাবে বিশেষ দোয়া জিপিএইচ ইস্পাতের কাছে বন্দি সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরাপল্লী

এদেশে কখনো গণতন্ত্র ব্যাহত হবে না : বিএসএমএমইউ ভিসি

দেশে কোনোভাবেই যেন গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত না হয় বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, শহীদ ডা. মিলন নিজের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। এদেশে আর কখনই গণতন্ত্র ব্যাহত হতে পারে না।

রোববার (২৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপিত শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতিসৌধে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ডা. শামুল আলম খান মিলনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, দেখতে দেখতে ডা. মিলনের শহীদ হওয়ার ৩২ বছর পার হয়ে গেল। সেদিন একই রিকশায় বিএমএ তৎকালীন মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও শহীদ ডা. মিলন ছিলেন। তাদের ওপর হামলার পর চারদিকে এ কথা ছড়িয়ে পড়ে যে দুজনই হয়তো মারা গেছেন। পরে জানা গেল, ডা. মিলন শহীদ হয়েছেন। এরপর আমরা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে এমনভাবে অংশগ্রহণ করি যেন দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা যায়।

তিনি বলেন, ওই সময়ে গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতির প্রতিবাদে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কবিরের নেতৃত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবে গিয়ে আমরা অনেকেই পদত্যাগ করি।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ডা. মিলনের স্বপ্ন গণতন্ত্র বাংলাদেশে বজায় থাকুক। আজকের দিনের শপথ হোক কোনোভাবেই যেন এদেশে গণতন্ত্র নিশ্চিহ্ন না হয়, গণতান্ত্রিক ধারা যেন ব্যাহত না হয়। যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

উপাচার্য আরও বলেন, যারা চক্রান্তকারী, যারা উন্নয়ন চায় না, যারা গণতন্ত্র নিশ্চিহ্ন করতে চায়, তাদের রুখতে প্রগতিশীল সকল চিন্তা ধারার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে লড়াই করে যেতে হবে। ডা. মিলনের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনে সহযোগিতাও করতে হবে।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল ও হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন শাহ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোরহানউদ্দিনে সামাজিক অপপ্রচার মোকাবিলা ও মূল্যবোধ বিষয়ে আলোচনা সভা

এদেশে কখনো গণতন্ত্র ব্যাহত হবে না : বিএসএমএমইউ ভিসি

আপডেট সময় ০৩:১৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

দেশে কোনোভাবেই যেন গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত না হয় বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, শহীদ ডা. মিলন নিজের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। এদেশে আর কখনই গণতন্ত্র ব্যাহত হতে পারে না।

রোববার (২৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপিত শহীদ ডা. মিলনের স্মৃতিসৌধে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ডা. শামুল আলম খান মিলনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, দেখতে দেখতে ডা. মিলনের শহীদ হওয়ার ৩২ বছর পার হয়ে গেল। সেদিন একই রিকশায় বিএমএ তৎকালীন মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও শহীদ ডা. মিলন ছিলেন। তাদের ওপর হামলার পর চারদিকে এ কথা ছড়িয়ে পড়ে যে দুজনই হয়তো মারা গেছেন। পরে জানা গেল, ডা. মিলন শহীদ হয়েছেন। এরপর আমরা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে এমনভাবে অংশগ্রহণ করি যেন দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা যায়।

তিনি বলেন, ওই সময়ে গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতির প্রতিবাদে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কবিরের নেতৃত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবে গিয়ে আমরা অনেকেই পদত্যাগ করি।

শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ডা. মিলনের স্বপ্ন গণতন্ত্র বাংলাদেশে বজায় থাকুক। আজকের দিনের শপথ হোক কোনোভাবেই যেন এদেশে গণতন্ত্র নিশ্চিহ্ন না হয়, গণতান্ত্রিক ধারা যেন ব্যাহত না হয়। যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

উপাচার্য আরও বলেন, যারা চক্রান্তকারী, যারা উন্নয়ন চায় না, যারা গণতন্ত্র নিশ্চিহ্ন করতে চায়, তাদের রুখতে প্রগতিশীল সকল চিন্তা ধারার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে লড়াই করে যেতে হবে। ডা. মিলনের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনে সহযোগিতাও করতে হবে।

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক)  অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল ও হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন শাহ উপস্থিত ছিলেন।