পাকিস্তান পন্থী একটা সাইকোপ্যাথ প্রজন্ম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তান বানোনোর স্বপ্ন দেখছে। পাকিস্তানের মত ইদানিং বাংলাদেশেও জুম্মার দিন মানেই আতঙ্ক।২০০৩ সালে জুমার নামাজে পাকিস্তানে কোয়েটা মসজিদে বোমা হামলায় নিহত হয়েছিল ৫৬ জন।২০২২ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে জুম্মার নামাজ চলাকালীন সময় বোমা হামলায় নিহত ১০০ জন। গত দুইদিন আগে পাকিস্তানের জাফর এক্সপ্রেস ট্রেন হাইজ্যাক করে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি। আজ আবার পাকিস্তানের মসজিদে ভয়াবহ বোমার বিস্ফোরণ ।।সব মিলিয়ে ফ্রি ভিসায় কে কে পাকিস্তান যেতে চান হাত তুলুন? ১৯৪১ সালে মওদুদীর হাত ধরে জামায়াতে ইসলাম নামক রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিয়া ও সুন্নি মুসলমানদের বিরোধ নিয়ে পাকিস্তান দুইভাগে বিভক্ত হয়েছে।মওদুদী জানতেন, পাকিস্তানের রাজনীতিতে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে খুব দ্রুত জনসমর্থন পাওয়া যায়।১৯৪৯ সালে তিনি পাকিস্তানে কাদিয়ানীদের অমুসলিম আখ্যা দিয়ে এক ভয়ংকর খেলার জন্ম দেন।১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে আহমদীয়া মুসলমানদের কচুকাটা করার নেতৃত্ব দেন জামায়াত নেতা মওদুদী।১৯৫৩ সালেই হাজার হাজার আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ হত্যা করার জন্য পাকিস্তান সরকার মওদুদীকে গ্রেফতার করে। পাকিস্তানের আদালত তখন একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে। তখন ধর্মীয় আলেমদের কাছে জানতে চাওয়া হয় , মুসলমান কারা’ । আদালত বলেন, ‘ ওলামাদের একজনের সংজ্ঞা অনুসারে মুসলমানের সংজ্ঞা মেনে নেওয়া হলে বাকি ওলামাদের অমুসলিম আখ্যা দিতে হয়।’ মাওলানা মওদুদী সেদিন আদালতের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি। পাকিস্তান সরকার মওদুদীর ফাঁসির রায় দিলেও সৌদি আরবের জন্য সে ফাঁসি কার্যকর হয়নি। বাংলাদেশেও একদল নাটকবাজদের দেখবেন রাতারাতি জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য এরা ধর্মকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে।এরা সবাই মুলত জামায়াত শিবিরের প্রেতাত্মা। এজন্য এরা নিজেদের শাপলা তথা হেফাজতে জামায়াত মনে করে আর শাহবাগে ধর্ষক ও খুনীদের ফাঁসির দাবিতে দাঁড়ানো লক্ষ লক্ষ মুসলমান পুরুষ, নারী ও শিশুকে শাহবাগী বলে নাস্তিক আখ্যা দেয়। পাকিস্তানের ভেতর জামায়াতে ইসলাম সফল হতে না পারলেও বাংলাদেশে সফল হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে এই দেশের মানুষ ধর্মান্ধ ও ভন্ড । এজন্য ভন্ডদের মুখের কথায় একমাত্র ভন্ডরাই প্রতারিত হয়। ২০০৭ থেকে ২০১১ সালে পাকিস্তানের শিয়া ও সুন্নি বিরোধের জের ধরে প্রায় দুই হাজার মুসলমান নিহত হয় এবং হাজার হাজার মুসলমান পাকিস্তান ছেড়ে আফগানিস্তান ও ইরানে চলে যায়। ভারতীয় ক্রিকেট দল কেন পাকিস্তানে খেলতে যায় না এইবার নিশ্চয়ই কিছুটা বুঝতে পেরেছেন।। পাকিস্তানের ২৪ কোটি জনসংখ্যার ১৫ শতাংশ হচ্ছে শিয়া মুসলমান। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানে শিয়া মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে।ইরানে ইসলামী বিপ্লব ও সোভিয়েত আফগান যুদ্ধে আফগানিস্তানের জয়লাভের পর পাকিস্তানের প্রতিবেশী এই দুই দেশের সাথে পাকিস্তানের বিরোধ চরমে উঠেছে ১৯৮০ ও ২০০৩ সাল থেকেই। শিয়া সুন্নী বিরোধের জের ধরে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি যাত্রীবাহী বাসে গুলি করে ৪৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তান পাকিস্তান পেয়ারে পাকিস্তান গান গাইতেছেন কারা কারা?এখানেই শেষ নয় এসব একটা ট্রেইলার মাত্র।।
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ বাঁচাতে সাধারণ জনগনকেই জাগ্রত হতে হবে
-
হামিদুল খান সুমন, ক্রাইম রিপোর্টার - আপডেট সময় ১১:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
- ৬৮৩ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ






















