ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পবিপ্রবির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার অভিবাসন ব্যয় কমা‌তে কাজ কর‌ছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী জুলাই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়তে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘১০০ হর্ন’ লাগানো বাইকারের মোটরসাইকেল জব্দ করল পুলিশ এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম থামেনি স্বপ্ন, ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন কাঠমিস্ত্রি নাসিমুল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৪ কেজি গাঁ’জা ও ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১

সংবাদ প্রচারের পর চাঞ্চল্য তৈরি হলেও অধরা খায়রুল ইসলাম (২য় পর্ব)

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার উজানখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুষ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যের এখনো অধরা রয়ে গেছে মূলহোতা সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. খায়রুল ইসলাম। বরং সগৌরবে দুর্নীতি টিকিট পেয়েছেন বলে জানিয়েছে উক্ত ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারা। খায়রুল ইসলাম এতটাই ধূর্ধষ হয়ে উঠেছেন যেন তার বিপক্ষে কথা বলাই জীবন অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার মতো।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও উজানখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়ছেন স্থানীয়রা। যার মূল কারণ খায়রুল ইসলাম উজানখলসী ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পরচা (খসড়া) তুলাসহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নেন। টাকা ছাড়া কাজই করতে চান না তিনি। টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ে কোনো কাজ আদায় করা যায় না। এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গ্রাহক থেকে বাড়তি টাকা নেয়ার পরও বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে এমনটাই অভিযোগ বর্তমানে খোলা সত্য খবরে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অগোচরে মাঠ পর্যায়ের উজানখলসী ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। ভূমি অফিসে আসা এক ভুক্তভোগী জানান, এই অফিসের কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ভূমি অফিসে কাজে আসা গ্রাহকদের কাজ সম্পাদনের বিষয়ে টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন।

সেবা প্রাপ্তির ২০ শতাংশ লোকই চরম হয়রানির শিকার হতে হয় আজ নয় কাল সময়ক্ষেপণ করে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত হারে দাবিকৃত উৎকোচ না দিলে সেবা গ্রহীতারা পান না তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা। ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এই ভূমি অফিসের দুর্নীতি এমন চরমে পৌঁছেছে সরকারি নীতিমালার বাইরে চুক্তি অনুযায়ী মোটা অঙ্কের ঘুষ ছাড়া কোন হয় না। নামজারির তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মোটা অঙ্ক টাকা আদায় করে এই অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন স্তরে ভাগ দেয়াড় কথা বলে। ভুক্তভোগীদের দাবি এই ভূমি কর্মকর্তার দুর্নীতি রোধে দুদকের সু-হস্তক্ষেপ জরুরি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ভূমি কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। আমি কোন ধরনের দুর্নীতির সাথে জড়িত নই।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইসিটি আইনে সাজা দেওয়ার হুমকির অভিযোগ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

সংবাদ প্রচারের পর চাঞ্চল্য তৈরি হলেও অধরা খায়রুল ইসলাম (২য় পর্ব)

আপডেট সময় ১২:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৫

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার উজানখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুষ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যের এখনো অধরা রয়ে গেছে মূলহোতা সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. খায়রুল ইসলাম। বরং সগৌরবে দুর্নীতি টিকিট পেয়েছেন বলে জানিয়েছে উক্ত ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারা। খায়রুল ইসলাম এতটাই ধূর্ধষ হয়ে উঠেছেন যেন তার বিপক্ষে কথা বলাই জীবন অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার মতো।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও উজানখলসী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়ছেন স্থানীয়রা। যার মূল কারণ খায়রুল ইসলাম উজানখলসী ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পরচা (খসড়া) তুলাসহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নেন। টাকা ছাড়া কাজই করতে চান না তিনি। টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ে কোনো কাজ আদায় করা যায় না। এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গ্রাহক থেকে বাড়তি টাকা নেয়ার পরও বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে এমনটাই অভিযোগ বর্তমানে খোলা সত্য খবরে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অগোচরে মাঠ পর্যায়ের উজানখলসী ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। ভূমি অফিসে আসা এক ভুক্তভোগী জানান, এই অফিসের কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ভূমি অফিসে কাজে আসা গ্রাহকদের কাজ সম্পাদনের বিষয়ে টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন।

সেবা প্রাপ্তির ২০ শতাংশ লোকই চরম হয়রানির শিকার হতে হয় আজ নয় কাল সময়ক্ষেপণ করে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত হারে দাবিকৃত উৎকোচ না দিলে সেবা গ্রহীতারা পান না তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা। ভুক্তভোগীরা আরও জানান, এই ভূমি অফিসের দুর্নীতি এমন চরমে পৌঁছেছে সরকারি নীতিমালার বাইরে চুক্তি অনুযায়ী মোটা অঙ্কের ঘুষ ছাড়া কোন হয় না। নামজারির তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মোটা অঙ্ক টাকা আদায় করে এই অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন স্তরে ভাগ দেয়াড় কথা বলে। ভুক্তভোগীদের দাবি এই ভূমি কর্মকর্তার দুর্নীতি রোধে দুদকের সু-হস্তক্ষেপ জরুরি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ভূমি কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। আমি কোন ধরনের দুর্নীতির সাথে জড়িত নই।