সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

পাকিস্তানে রাতের আঁধারে মিনিবাস খাদে, নিহত অন্তত ২০

পাকিস্তানে জলাবদ্ধ খাদে মিনিবাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধ প্রদেশে এই দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

পাকিস্তানের পুলিশের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ পাকিস্তানে গভীর জলাবদ্ধ খাদে একটি মিনিবাস পড়ে গেলে কমপক্ষে ২০ জন নিহত এবং আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ শুক্রবার জানিয়েছে।

সিন্ধ প্রদেশের স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খাদিম হোসেন এএফপিকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সিন্ধ প্রদেশে হাইওয়রে পাশে একটি পানিতে ভরা খাদে পড়ে যায় বাসটি। চলতি বছরের ভয়াবহ বন্যায় ওই এলাকাটি পানিতে ভেসে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘চালক রাস্তায় ডাইভারশন সাইন দেখতে পাননি এবং এ কারণে বাসটি রাস্তা থেকে ২৫ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।’

এদিকে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জামশোর জেলা প্রশাসক ফরিদউদ্দিন মুস্তফা বলেছেন, আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তিনি বলেন, মিনিবাসটি খায়রপুর থেকে সেহওয়ানে সুফি সাধক লাল শাহবাজ কালান্দরের মাজারে যাচ্ছিল। মিনিবাসটির সকল যাত্রী একই পরিবারের সদস্য এবং তারা জিয়ারত করতে মাজারে যাচ্ছিলেন।

মুস্তফা বলেন, মিনিবাস চালক রাস্তার পাশে ব্যারিকেড দেখতে পারেননি। হাইওয়ে সংলগ্ন ওই এলাকায় একটি খাদ রয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক বন্যার সময় পানি জমে এবং পরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

পাকিস্তানে এই বছর রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয় এবং দেশের এক তৃতীয়াংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। এছাড়া ভয়াবহ ওই বন্যায় ৮০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং বহু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

পাকিস্তানে রাতের আঁধারে মিনিবাস খাদে, নিহত অন্তত ২০

আপডেট সময় ০৭:৪২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর ২০২২

পাকিস্তানে জলাবদ্ধ খাদে মিনিবাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধ প্রদেশে এই দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

পাকিস্তানের পুলিশের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ পাকিস্তানে গভীর জলাবদ্ধ খাদে একটি মিনিবাস পড়ে গেলে কমপক্ষে ২০ জন নিহত এবং আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ শুক্রবার জানিয়েছে।

সিন্ধ প্রদেশের স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খাদিম হোসেন এএফপিকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে সিন্ধ প্রদেশে হাইওয়রে পাশে একটি পানিতে ভরা খাদে পড়ে যায় বাসটি। চলতি বছরের ভয়াবহ বন্যায় ওই এলাকাটি পানিতে ভেসে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘চালক রাস্তায় ডাইভারশন সাইন দেখতে পাননি এবং এ কারণে বাসটি রাস্তা থেকে ২৫ ফুট গভীর খাদে পড়ে যায়।’

এদিকে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জামশোর জেলা প্রশাসক ফরিদউদ্দিন মুস্তফা বলেছেন, আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তিনি বলেন, মিনিবাসটি খায়রপুর থেকে সেহওয়ানে সুফি সাধক লাল শাহবাজ কালান্দরের মাজারে যাচ্ছিল। মিনিবাসটির সকল যাত্রী একই পরিবারের সদস্য এবং তারা জিয়ারত করতে মাজারে যাচ্ছিলেন।

মুস্তফা বলেন, মিনিবাস চালক রাস্তার পাশে ব্যারিকেড দেখতে পারেননি। হাইওয়ে সংলগ্ন ওই এলাকায় একটি খাদ রয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক বন্যার সময় পানি জমে এবং পরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

পাকিস্তানে এই বছর রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয় এবং দেশের এক তৃতীয়াংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। এছাড়া ভয়াবহ ওই বন্যায় ৮০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং বহু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।