ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫, ২৮ পৌষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রগতি স্মরণীর রাস্তায় বেষ্টনীর কাজ করছে জামায়াতে ইসলামী

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রগতি স্মরণীর কুড়িল থেকে রামপুরা পর্যন্ত রাস্তার মাঝের বেষ্টনীর কাজ করছে জামায়াতে ইসলামীর গুলশান থানা। আজ দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রগতি স্মরণীর সড়কের রাস্তার মাঝের বেষ্টনীর কাজ করছে তারা। বাঁশ ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করছে তারা।

এই বিষয়ে গুলশান থানার কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মোতালেব মঈন যুগান্তরকে জানান, আন্দোলন চলাকালীন সময়ে এই রাস্তায় মাঝে থাকা লোহার বেষ্টনীর মধ্যে লোহার বক্স এঙ্গেল গুলো খোলে ফেলে। যার দরুন লোকজন রাস্তায় এলোমেলো ভাবে পার হচ্ছে। আমরা বাঁশ ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করছি , যাতে লোকজন এলোমেলো ভাবে রাস্তা পার হতে না পারে। প্রতিদিন আমরা ফজরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি ২ দিনে কাজ করে বাড্ডা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত বেষ্টনী তৈরি করতে পেরেছি।

মঈন যোগ করেন, আশা করি আগামী ২ দিনের মধ্যে রামপুরা ব্রীজ থেকে কুড়িল পর্যন্ত বেষ্টনী তৈরি করতে পারব। আমাদের দেশের সম্পদ রক্ষা করা এবং শান্তি বজায় রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রগতি স্মরণীর রাস্তায় বেষ্টনীর কাজ করছে জামায়াতে ইসলামী

আপডেট সময় ১০:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৪

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রগতি স্মরণীর কুড়িল থেকে রামপুরা পর্যন্ত রাস্তার মাঝের বেষ্টনীর কাজ করছে জামায়াতে ইসলামীর গুলশান থানা। আজ দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রগতি স্মরণীর সড়কের রাস্তার মাঝের বেষ্টনীর কাজ করছে তারা। বাঁশ ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করছে তারা।

এই বিষয়ে গুলশান থানার কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মোতালেব মঈন যুগান্তরকে জানান, আন্দোলন চলাকালীন সময়ে এই রাস্তায় মাঝে থাকা লোহার বেষ্টনীর মধ্যে লোহার বক্স এঙ্গেল গুলো খোলে ফেলে। যার দরুন লোকজন রাস্তায় এলোমেলো ভাবে পার হচ্ছে। আমরা বাঁশ ও প্লাস্টিকের রশি দিয়ে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করছি , যাতে লোকজন এলোমেলো ভাবে রাস্তা পার হতে না পারে। প্রতিদিন আমরা ফজরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি ২ দিনে কাজ করে বাড্ডা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত বেষ্টনী তৈরি করতে পেরেছি।

মঈন যোগ করেন, আশা করি আগামী ২ দিনের মধ্যে রামপুরা ব্রীজ থেকে কুড়িল পর্যন্ত বেষ্টনী তৈরি করতে পারব। আমাদের দেশের সম্পদ রক্ষা করা এবং শান্তি বজায় রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।