ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাবা-মায়ের ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আইন পেশায় মানবিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৮ দেশকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা শেখ হাসিনার রায়ের প্রতিবাদে মধ্যরাতে জামালপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল বাঞ্ছারামপুর-নবীনগর সড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন আবারও কন্যাসন্তানের মা হলেন দীপিকা অপ্রতিম হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৩ জন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৮৯ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাজী সেলিম রেজার বাড়িতে হত্যাচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দুর্ধর্ষ লুটপাটের অভিযোগ

গুলিস্তান থেকে কিনে ‘পাকিস্তানি কাপড়’ বলে বিক্রি করেন তনি !

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তিনি স্পষ্টভাসী হিসেবেও ব্যাপক পরিচিত। ফেসবুকে নেটিজেনরা কটূ কথা বললেই সোজা সাপ্টা জবাব দেন তনি।

এদিকে গত বছর থেকে উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেকে মেলে ধরেন তনি। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকটি কাপড়ের শো রুমও গড়েছেন। তাছাড়া অনলাইনেও বেশ ভালো পরিমাণের পণ্য বিক্রি করতেন তনি।

কিন্তু সেই তনির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, পাকিস্তানি জামা বলে গুলিস্তানের কাপড় বিক্রি করতেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে এমনই প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শুধু তাই নয়, গুলশান এক নম্বরের পুলিশ প্লাজার সানভি’স বাই তনি শোরুমটি বন্ধ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে

পাকিস্তানি পোশাক আমদানির কাগজপত্র নিয়ে অধিদপ্তরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

সোমবার পুলিশ প্লাজায় সানভি’স বাই তনি শোরুমে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এসময় কোনো চালান বা আমদানির কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। মূলত কয়েকজন ভোক্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয় তনিকে। তিনি এ কথায় কর্ণপাত করেননি। পরে বাধ্য হয়ে এই অভিযান চালায় সংস্থাটি।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, শোরুমে পোশাকের পাশপাশি অবৈধভাবে বিভিন্ন কসমেটিকসও বিক্রি করা হতো।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, আমরা বেশ কয়েকজন ভোক্তার কাছে অভিযোগ পেয়েছি, তারা পাকিস্তানি ড্রেস অনলাইনে বিক্রি করে কিন্তু তারা ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়। সেগুলো পাকিস্তানি নামে বিক্রি করে আসছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নোটিশ জারি করা হয় শুনানির জন্য, তিনি আসেননি। তাই আমরা অভিযানে এসেছি, অভিযানে তারা কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আমরা শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এরপর পোশাক আমদানির কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা-মায়ের ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

গুলিস্তান থেকে কিনে ‘পাকিস্তানি কাপড়’ বলে বিক্রি করেন তনি !

আপডেট সময় ০৭:০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তিনি স্পষ্টভাসী হিসেবেও ব্যাপক পরিচিত। ফেসবুকে নেটিজেনরা কটূ কথা বললেই সোজা সাপ্টা জবাব দেন তনি।

এদিকে গত বছর থেকে উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেকে মেলে ধরেন তনি। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকটি কাপড়ের শো রুমও গড়েছেন। তাছাড়া অনলাইনেও বেশ ভালো পরিমাণের পণ্য বিক্রি করতেন তনি।

কিন্তু সেই তনির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, পাকিস্তানি জামা বলে গুলিস্তানের কাপড় বিক্রি করতেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে এমনই প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শুধু তাই নয়, গুলশান এক নম্বরের পুলিশ প্লাজার সানভি’স বাই তনি শোরুমটি বন্ধ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে

পাকিস্তানি পোশাক আমদানির কাগজপত্র নিয়ে অধিদপ্তরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

সোমবার পুলিশ প্লাজায় সানভি’স বাই তনি শোরুমে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এসময় কোনো চালান বা আমদানির কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। মূলত কয়েকজন ভোক্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয় তনিকে। তিনি এ কথায় কর্ণপাত করেননি। পরে বাধ্য হয়ে এই অভিযান চালায় সংস্থাটি।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, শোরুমে পোশাকের পাশপাশি অবৈধভাবে বিভিন্ন কসমেটিকসও বিক্রি করা হতো।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, আমরা বেশ কয়েকজন ভোক্তার কাছে অভিযোগ পেয়েছি, তারা পাকিস্তানি ড্রেস অনলাইনে বিক্রি করে কিন্তু তারা ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়। সেগুলো পাকিস্তানি নামে বিক্রি করে আসছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নোটিশ জারি করা হয় শুনানির জন্য, তিনি আসেননি। তাই আমরা অভিযানে এসেছি, অভিযানে তারা কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আমরা শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এরপর পোশাক আমদানির কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছি।