ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাস্টমস কর্মকর্তা কাজী সুলতানা দম্পতির ‘সম্পদের পাহাড়’, উঠছে দুর্নীতির অভিযোগ কাস্টমসের সহকারী কমিশনার আতীকুজ্জামানের নামে-বেনামে ৫০ কোটি টাকার সম্পদ মাদারীপুর বিআরটিএর সামসুদ্দীনের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেপ্তার, মামলা ৫০ স্টার্ক-আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে নতুন কীর্তি রশিদ খানের বরগুনার উন্নয়নই আমাদের অঙ্গীকার: চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ

গাজায় জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রে হামলায় নিহত ৯

 

ইসরায়েলি হামলায় গাজা এখন শরণার্থী শিবির আর তাঁবুর বসতিতে পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সেখানকার জাতিসংঘ পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের সেনারা। এতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭৫ জন। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইয়ানিসে জাতিসংঘের ট্রেনিং সেন্টারে হামলা চালানো হয়েছে। এ কেন্দ্রটি বাস্তচ্যুত লোকদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ইসরায়েলি সেনাদের এ হামলায় ৯ জন নিহত ও ৭৫ জন আহত হয়েছেন।

গাজায় ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর ফিলিস্তিনের পরিচালক টমাস হোয়াইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, দুটি ট্যাংক দিয়ে ভবনটিতে হামলা চালানো হয়। এ সময় সেখানে অন্তত ৮০০ আশ্রয়গ্রহণকারী ছিলেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কেন্দ্রটিতে প্রবেশের চেষ্টা করছে।

আনাদোলু জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার কারণে কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল।

এর আগে ইসরায়েলি বাহিনী মঙ্গলবার জানায়, তারা খান ইয়ানিসকে পুরোপুরি অবরোধ করেছে। তেল আবিব এ অঞ্চলটিকে হামাসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচেনা করে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। দেশটির হামলার কারণে গাজায় ২৫ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় অহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬৩ হাজার ৭৪০ জন। অন্যদিকে হামাসের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের এক হাজার ২০০ লোক নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার কারণে গাজার জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ ছাড়া উপত্যকাজুড়ে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকট চলছে। এমনকি হামলার কারণে সেখানকার অর্ধেকের বেশি অবকাঠানো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাস্টমস কর্মকর্তা কাজী সুলতানা দম্পতির ‘সম্পদের পাহাড়’, উঠছে দুর্নীতির অভিযোগ

গাজায় জাতিসংঘের আশ্রয়কেন্দ্রে হামলায় নিহত ৯

আপডেট সময় ০২:২৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

 

ইসরায়েলি হামলায় গাজা এখন শরণার্থী শিবির আর তাঁবুর বসতিতে পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সেখানকার জাতিসংঘ পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের সেনারা। এতে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭৫ জন। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইয়ানিসে জাতিসংঘের ট্রেনিং সেন্টারে হামলা চালানো হয়েছে। এ কেন্দ্রটি বাস্তচ্যুত লোকদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ইসরায়েলি সেনাদের এ হামলায় ৯ জন নিহত ও ৭৫ জন আহত হয়েছেন।

গাজায় ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর ফিলিস্তিনের পরিচালক টমাস হোয়াইট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, দুটি ট্যাংক দিয়ে ভবনটিতে হামলা চালানো হয়। এ সময় সেখানে অন্তত ৮০০ আশ্রয়গ্রহণকারী ছিলেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কেন্দ্রটিতে প্রবেশের চেষ্টা করছে।

আনাদোলু জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার কারণে কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল।

এর আগে ইসরায়েলি বাহিনী মঙ্গলবার জানায়, তারা খান ইয়ানিসকে পুরোপুরি অবরোধ করেছে। তেল আবিব এ অঞ্চলটিকে হামাসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচেনা করে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। দেশটির হামলার কারণে গাজায় ২৫ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় অহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬৩ হাজার ৭৪০ জন। অন্যদিকে হামাসের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের এক হাজার ২০০ লোক নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার কারণে গাজার জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ ছাড়া উপত্যকাজুড়ে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকট চলছে। এমনকি হামলার কারণে সেখানকার অর্ধেকের বেশি অবকাঠানো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।