ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে যা বলল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) ইউরোপীয় কাউন্সিলর এ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইইউ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

এতে বলা হয়, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত রবিবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনের ফলাফলকে নোট করে এবং পুনর্ব্যক্ত করে যে দীর্ঘমেয়াদী ইইউ-বাংলাদেশ অংশীদারত্ব গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের মূল্যবোধের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। ইইউ দুঃখ প্রকাশ করে যে এ নির্বাচনে সব প্রধান দল অংশ নেয়নি। ইইউ নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মিশনের আসন্ন প্রতিবেদন এবং সুপারিশগুলো প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের স্বাগত জানায়। প্রতিবেদনটি নির্বাচনী অনিয়ম সময়মতো ও পূর্ণ তদন্ত নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার চেতনায়, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ইইউ নির্বাচনের সময় সংঘটিত সহিংসতার নিন্দা জানায় এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে আহ্বান জানায়। আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সম্মান করা এবং সমুন্নত রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে বিরোধী ব্যক্তিদের আটক অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানকে সম্মান এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপে জড়িত হওয়ার জন্য ইইউ সমস্ত স্টেকহোল্ডারকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করে। মিডিয়া, সুশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক দলগুলো সেন্সরশিপ বা প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই যেন তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারে।”

ভবিষ্যতে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি প্লাস) রাজনৈতিক, মানবাধিকার, বাণিজ্য এবং উন্নয়ন ক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে চিহ্নিত করে, এমন অগ্রাধিকার নিয়ে ইইউ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে যা বলল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আপডেট সময় ০২:৫৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) ইউরোপীয় কাউন্সিলর এ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইইউ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

এতে বলা হয়, “ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত রবিবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনের ফলাফলকে নোট করে এবং পুনর্ব্যক্ত করে যে দীর্ঘমেয়াদী ইইউ-বাংলাদেশ অংশীদারত্ব গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের মূল্যবোধের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। ইইউ দুঃখ প্রকাশ করে যে এ নির্বাচনে সব প্রধান দল অংশ নেয়নি। ইইউ নির্বাচন বিশেষজ্ঞ মিশনের আসন্ন প্রতিবেদন এবং সুপারিশগুলো প্রকাশ করার জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের স্বাগত জানায়। প্রতিবেদনটি নির্বাচনী অনিয়ম সময়মতো ও পূর্ণ তদন্ত নিশ্চিত করতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার চেতনায়, আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ইইউ নির্বাচনের সময় সংঘটিত সহিংসতার নিন্দা জানায় এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে আহ্বান জানায়। আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সম্মান করা এবং সমুন্নত রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে বিরোধী ব্যক্তিদের আটক অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানকে সম্মান এবং শান্তিপূর্ণ সংলাপে জড়িত হওয়ার জন্য ইইউ সমস্ত স্টেকহোল্ডারকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করে। মিডিয়া, সুশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক দলগুলো সেন্সরশিপ বা প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই যেন তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারে।”

ভবিষ্যতে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি প্লাস) রাজনৈতিক, মানবাধিকার, বাণিজ্য এবং উন্নয়ন ক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে চিহ্নিত করে, এমন অগ্রাধিকার নিয়ে ইইউ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।