ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

এবার ডিবি কার্যালয়ে ভাত খেলেন শাহজাহান ওমর

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এবার ভাত খেলেন বিএনপির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

শাহজাহান ওমরের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আমাদের এখানে সব শ্রেণিপেশার মানুষ আসেন। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসেন। তেমনি একটি সমস্যা নিয়ে একজন এসেছেন।

তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ দিতে এসেছেন। তিনি আমাদের কাছে যে নামগুলো দিবেন, সে অনুযায়ী তদন্ত করে আমরা ব্যবস্থা নিব।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় অনেককেই ডিবি কার্যালয়ে ভাত খাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। ইতোমধ্যে ভাত খাওয়ানোর কিছু ছবি ভাইরালও হয়েছে। ছবি ভাইরালের পর ডিবি কার্যালয়কে ‘ডিবির ভাতের হোটেল’ বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে এসব মন্তব্যকে ডিবি ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। ডিবি বলছে, ডিবির ভাতের হোটেলের বিষয়টি মানুষ রসবোধ থেকে বলছে।

এবার ডিবি কার্যালয়ে ভাত খেলেন শাহজাহান ওমর
ডিবির ভাতের হোটেল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, এটা রসবোধের প্রশ্ন। বাঙালি একটা রসবোধসম্পন্ন জাতি। সাহিত্যে রসবোধের প্রয়োগ আমাদের মনের খোরাক জোগায়। আমি মনে করি, এটা রসবোধপ্রবণ একটি বিষয় যে ডিবি ভাত খাওয়ায়। আমরা তো আসলে কাউকে ডেকে এনে খাওয়াই না।

কেউ যদি কাজের জন্য আমাদের কাছে আসে, তার কাজটা করে দেওয়ার চেষ্টা করি। এর পাশাপাশি লাঞ্চ টাইম হলে লাঞ্চের অফার করি। সে যদি অফার গ্রহণ করেন তাহলে খেয়ে যান। আর আমরা তো ব্রিটিশ পুলিশ না। আমরা এখন স্বাধীন দেশের পুলিশ। একটা সময় থানায় যেতে মানুষ ভয় পেতো। আর এখন আমি একজন ডিআইজি, আমার এখানেই শত শত লোক কোনও না কোনও কাজে আসছে। সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মানুষ আমাদের কাছে আসছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

এবার ডিবি কার্যালয়ে ভাত খেলেন শাহজাহান ওমর

আপডেট সময় ০৪:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এবার ভাত খেলেন বিএনপির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

শাহজাহান ওমরের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আমাদের এখানে সব শ্রেণিপেশার মানুষ আসেন। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসেন। তেমনি একটি সমস্যা নিয়ে একজন এসেছেন।

তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ দিতে এসেছেন। তিনি আমাদের কাছে যে নামগুলো দিবেন, সে অনুযায়ী তদন্ত করে আমরা ব্যবস্থা নিব।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় অনেককেই ডিবি কার্যালয়ে ভাত খাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। ইতোমধ্যে ভাত খাওয়ানোর কিছু ছবি ভাইরালও হয়েছে। ছবি ভাইরালের পর ডিবি কার্যালয়কে ‘ডিবির ভাতের হোটেল’ বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে এসব মন্তব্যকে ডিবি ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। ডিবি বলছে, ডিবির ভাতের হোটেলের বিষয়টি মানুষ রসবোধ থেকে বলছে।

এবার ডিবি কার্যালয়ে ভাত খেলেন শাহজাহান ওমর
ডিবির ভাতের হোটেল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, এটা রসবোধের প্রশ্ন। বাঙালি একটা রসবোধসম্পন্ন জাতি। সাহিত্যে রসবোধের প্রয়োগ আমাদের মনের খোরাক জোগায়। আমি মনে করি, এটা রসবোধপ্রবণ একটি বিষয় যে ডিবি ভাত খাওয়ায়। আমরা তো আসলে কাউকে ডেকে এনে খাওয়াই না।

কেউ যদি কাজের জন্য আমাদের কাছে আসে, তার কাজটা করে দেওয়ার চেষ্টা করি। এর পাশাপাশি লাঞ্চ টাইম হলে লাঞ্চের অফার করি। সে যদি অফার গ্রহণ করেন তাহলে খেয়ে যান। আর আমরা তো ব্রিটিশ পুলিশ না। আমরা এখন স্বাধীন দেশের পুলিশ। একটা সময় থানায় যেতে মানুষ ভয় পেতো। আর এখন আমি একজন ডিআইজি, আমার এখানেই শত শত লোক কোনও না কোনও কাজে আসছে। সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মানুষ আমাদের কাছে আসছে।