ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবিদ্ধ ১

সাভার (ঢাকা): মজুরি বাড়ানোর দাবিতে সাভারের আশুলিয়ায় সপ্তম দিনের মত সড়কে নেমে অবরোধের চেষ্টা করেছে বিক্ষুব্ধ পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় এক ভ্যানচালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (০৪ নভেম্বর) ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের ছয়তলা এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ৮টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জামগড়া ছয়তলা এলাকায় বেশ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা একত্রিত হতে থাকে। পরে শ্রমিকরা কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। তবে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা গলির ভেতরে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশও গুলি ছোঁড়ে। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক ভ্যানচালক। গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালককে উদ্ধার করে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালক আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি বাইপাইল থেকে ১২০ টাকা ভাড়ায় একজনকে নিয়ে ছয়তলায় যাই। সেখানে গিয়ে শ্রমিক আন্দোলনের মুখে পড়ি। এ সময় পুলিশ শ্রমিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে আমি গুলিবিদ্ধ হই। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব বলেন, সকালে শ্রমিকরা সড়কে নামার চেষ্টা করা হলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা রাবার বুলেট ছুঁড়েছি। কিন্তু কাউকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়নি।

শিল্প পুলিশ-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ নাসের জনি বলেন, সকালে আশুলিয়ায় পোশাক কারখানা খোলার পর শ্রমিকরা হাজিরা দিয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় জড়ো হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের সরিয়ে রাস্তা খালি করতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলিবিদ্ধ ১

আপডেট সময় ১২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

সাভার (ঢাকা): মজুরি বাড়ানোর দাবিতে সাভারের আশুলিয়ায় সপ্তম দিনের মত সড়কে নেমে অবরোধের চেষ্টা করেছে বিক্ষুব্ধ পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় এক ভ্যানচালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (০৪ নভেম্বর) ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের ছয়তলা এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ৮টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জামগড়া ছয়তলা এলাকায় বেশ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা একত্রিত হতে থাকে। পরে শ্রমিকরা কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। তবে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা গলির ভেতরে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়লে পুলিশও গুলি ছোঁড়ে। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক ভ্যানচালক। গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালককে উদ্ধার করে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গুলিবিদ্ধ ভ্যানচালক আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি বাইপাইল থেকে ১২০ টাকা ভাড়ায় একজনকে নিয়ে ছয়তলায় যাই। সেখানে গিয়ে শ্রমিক আন্দোলনের মুখে পড়ি। এ সময় পুলিশ শ্রমিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে আমি গুলিবিদ্ধ হই। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বিপ্লব বলেন, সকালে শ্রমিকরা সড়কে নামার চেষ্টা করা হলে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা রাবার বুলেট ছুঁড়েছি। কিন্তু কাউকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়নি।

শিল্প পুলিশ-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদ নাসের জনি বলেন, সকালে আশুলিয়ায় পোশাক কারখানা খোলার পর শ্রমিকরা হাজিরা দিয়ে কারখানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় জড়ো হচ্ছিলেন। পুলিশ তাদের সরিয়ে রাস্তা খালি করতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।