ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কচুয়ায় দেড় কিলোমিটার সড়ক বেহাল: ঝুঁকিতে ২৫০ শিক্ষার্থী, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল বিএনপি সোমবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা  নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়ানোর পর দেশে আজ সোনার ভরি কত? কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির শিক্ষার্থীদের ‘দরিচা’, বিহারি নারীদের দক্ষতায় খুলছে সম্ভাবনার নতুন জানালা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম

বিদ্যুতের দায়মুক্তি নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে প্রতিমন্ত্রী

বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

এসময় বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও গণফোরামের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের বিলিওনিয়র বানানোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ঘোষণা দিয়ে সরকার ঘরে ঘরে লোডশোডিং পৌঁছে দিয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন বিল-২০২২ পাসের জন্য উত্থাপণ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে বিলটির ওপর দেওয়া সংশোধনী এবং যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদলের সদস্যরা বিদ্যুৎখাতে দায়মুক্তি দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।

এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বলেন, দায়মুক্তির বিধানের কারণেই মানুষ সুবিধা ভোগ করছে।

রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার জন্য নতুন আইন করতে বিলটি উত্থাপণ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সামরিক আমলে প্রণীত এ সংক্রান্ত আইন বাতিলের জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।

বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতকে আওয়ামী বিলিওনিয়র তৈরির কারখানা করা হয়েছে। বিদ্যুতের দায়মুক্তি আইন এবং একাধিকবার আইনের মেয়াদ বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেন বিদ্যুতের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে? বড় বড় ট্রান্সমিশন লাইন, এসব কারখানা কাদের জন্য দেওয়া হয়েছে? এসব রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কাকে দেওয়া হয়েছে?

জ্বালানি খাত নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়ে হারুন বলেন, প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে নয়, সংসদে বিদ্যুত ও জ্বালানি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। গোপনে নয়, প্রকাশ্যে আলোচনা হবে। এই ১৫ বছরে সরকার কী করেছে, কী সর্বনাশ হয়েছে এই খাতের তা জাতিকে জানাতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কচুয়ায় দেড় কিলোমিটার সড়ক বেহাল: ঝুঁকিতে ২৫০ শিক্ষার্থী, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

বিদ্যুতের দায়মুক্তি নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

এসময় বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও গণফোরামের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের বিলিওনিয়র বানানোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ঘোষণা দিয়ে সরকার ঘরে ঘরে লোডশোডিং পৌঁছে দিয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন বিল-২০২২ পাসের জন্য উত্থাপণ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে বিলটির ওপর দেওয়া সংশোধনী এবং যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদলের সদস্যরা বিদ্যুৎখাতে দায়মুক্তি দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।

এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বলেন, দায়মুক্তির বিধানের কারণেই মানুষ সুবিধা ভোগ করছে।

রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার জন্য নতুন আইন করতে বিলটি উত্থাপণ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সামরিক আমলে প্রণীত এ সংক্রান্ত আইন বাতিলের জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।

বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতকে আওয়ামী বিলিওনিয়র তৈরির কারখানা করা হয়েছে। বিদ্যুতের দায়মুক্তি আইন এবং একাধিকবার আইনের মেয়াদ বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেন বিদ্যুতের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে? বড় বড় ট্রান্সমিশন লাইন, এসব কারখানা কাদের জন্য দেওয়া হয়েছে? এসব রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কাকে দেওয়া হয়েছে?

জ্বালানি খাত নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়ে হারুন বলেন, প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে নয়, সংসদে বিদ্যুত ও জ্বালানি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। গোপনে নয়, প্রকাশ্যে আলোচনা হবে। এই ১৫ বছরে সরকার কী করেছে, কী সর্বনাশ হয়েছে এই খাতের তা জাতিকে জানাতে হবে।