ঢাকা ১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছে আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো: মির্জা ফখরুল লিগ্যাল প্রফেশনকে অনন্য উচ্চতায় নিতে চাই: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির নবনিযুক্ত স্থায়ী কমিটির ৪ সদস্যের সাক্ষাৎ মেট্রোরেলের নতুন রুট তৈরিতে খরচ বেড়ে হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি কমলনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির ৪ নতুন সদস্য শহীদ জিয়া’র মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন নাইজেরিয়ায় রাতভর হামলায় নিহত ২৫ ভঙ্গুর অর্থনীতিতেই দেশের হাল ধরেছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী চোরাচালান ও আটক পণ্য নিষ্পত্তিতে এনবিআরের নতুন আদেশ জারি

‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ নিয়ে পাকিস্তানকে নোটিশ দিল ভারত

‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ (আইডব্লিউটি) সংশোধন নিয়ে এবার প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকে নোটিশ দিল ভারত। এর আগেও এ দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় আলোচনা হয়েছে। অবশেষে সে চুক্তি নিয়েই এবার কড়া অবস্থানে ভারত।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) সিন্ধু পানিবণ্টন প্রকল্পের কমিশনারের মাধ্যমে এ বিষয়ে পাকিস্তানকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ভারত সরকার বলেছে, ‘পাকিস্তানের একাধিক ভুল পদক্ষেপের ফলেই ‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ বাস্তবায়নের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে এবং এ চুক্তি সংশোধনের জন্য নোটিশ দিতে বাধ্য হয়েছে ভারত সরকার। এ চুক্তি হওয়ার পর পানিবণ্টনে ভারত বরাবরই নরম মনোভাব দেখিয়ে এসেছে।’

বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ুব খানের সঙ্গে সিন্ধু নদীর পানি ব্যবহার নিয়ে চুক্তি হয়। স্বাধীনতার পর থেকেই সিন্ধু নদীর পানি ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে টানাপোড়েন চলছে। দীর্ঘ ৬ বছর আলাপ আলোচনার পর ১৯৬০ সালে পাকিস্তানের করাচিতে গিয়ে নেহরু এ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন।

ভারত সরকার বলেছে, ‘পারস্পরিকভাবে ভারত এ চুক্তিতে একটি মধ্যস্থতার পথ খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা করে। কিন্তু পাকিস্তান ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্থায়ী সিন্ধু কমিশনের ৫টি বৈঠকের সময় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে অস্বীকার করেছে। আর এ কারণেই এখন ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি লঙ্ঘন সংশোধন করার জন্য পাকিস্তানকে ৯০ দিনের মধ্যে আন্তঃসরকারি আলোচনায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়াই হচ্ছে এ নোটিশের উদ্দেশ্য। বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় এ দুই দেশ ৯ বছরের আলোচনার পর ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এ চুক্তির নিয়ম-কানুনকে ক্রমাগত অবহেলা করার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ নিয়ে পাকিস্তানকে নোটিশ দিল ভারত

আপডেট সময় ১২:৪৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ (আইডব্লিউটি) সংশোধন নিয়ে এবার প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকে নোটিশ দিল ভারত। এর আগেও এ দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় আলোচনা হয়েছে। অবশেষে সে চুক্তি নিয়েই এবার কড়া অবস্থানে ভারত।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) সিন্ধু পানিবণ্টন প্রকল্পের কমিশনারের মাধ্যমে এ বিষয়ে পাকিস্তানকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ভারত সরকার বলেছে, ‘পাকিস্তানের একাধিক ভুল পদক্ষেপের ফলেই ‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ বাস্তবায়নের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে এবং এ চুক্তি সংশোধনের জন্য নোটিশ দিতে বাধ্য হয়েছে ভারত সরকার। এ চুক্তি হওয়ার পর পানিবণ্টনে ভারত বরাবরই নরম মনোভাব দেখিয়ে এসেছে।’

বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ুব খানের সঙ্গে সিন্ধু নদীর পানি ব্যবহার নিয়ে চুক্তি হয়। স্বাধীনতার পর থেকেই সিন্ধু নদীর পানি ব্যবহার নিয়ে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে টানাপোড়েন চলছে। দীর্ঘ ৬ বছর আলাপ আলোচনার পর ১৯৬০ সালে পাকিস্তানের করাচিতে গিয়ে নেহরু এ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন।

ভারত সরকার বলেছে, ‘পারস্পরিকভাবে ভারত এ চুক্তিতে একটি মধ্যস্থতার পথ খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা করে। কিন্তু পাকিস্তান ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্থায়ী সিন্ধু কমিশনের ৫টি বৈঠকের সময় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে অস্বীকার করেছে। আর এ কারণেই এখন ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি লঙ্ঘন সংশোধন করার জন্য পাকিস্তানকে ৯০ দিনের মধ্যে আন্তঃসরকারি আলোচনায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়াই হচ্ছে এ নোটিশের উদ্দেশ্য। বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় এ দুই দেশ ৯ বছরের আলোচনার পর ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ‘সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এ চুক্তির নিয়ম-কানুনকে ক্রমাগত অবহেলা করার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।