নিজেদের অর্ধে নিকো ও’রেইলি সতীর্থ মার্ক গুয়েহিকে বল পাস দিয়ে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেখানেই ঘটে যায় মারাত্মক এক ভুল। গুয়েহি বল নিয়ে সামান্য ড্রিবলিং করে পেছনে ঘুরতেই হতবাক, আচমকা নিখুঁত দক্ষতায় বল কেড়ে নেন লামিন ইয়ামাল। এরপর ইংলিশ গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ডের পাশ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দেন এই স্প্যানিশ খুদে জাদুকর।
খেলার দ্বিতীয় মিনিটেই রক্ষণভাগের এমন মারাত্মক ভুলে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ঘরের মাঠে স্তব্ধ হয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী ওয়েম্বলির গ্যালারি।
ম্যাচ শেষে এই দর্শনীয় গোল ও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে স্পেনের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র মুখোমুখি হন ইয়ামাল। নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘হার তো থাকবেই, কিন্তু আমরা সেই হারা দল না হওয়ার চেষ্টা করি। আমরা খুব খুশি। আমরা জানি, ওয়েম্বলিতে এসে খেলাটা কতটা কঠিন।’
প্রথম গোলের পেছনের গল্প ও সতীর্থদের হাই-প্রেসিং কৌশল নিয়ে এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড বলেন, ‘কোচ আমাদের সবসময় ওপরে উঠে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরার জন্য উজ্জীবিত রাখেন। তিনি বিশ্বাস করতে শেখান যে আমরা যেকোনো সময় বল পুনরুদ্ধার করতে পারি। আমি মাঠের ভেতরে ঠিক সেটাই করেছি।’
নিজের খেলা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবসময় দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। মাঝেমধ্যে হয়তো একটু মনোযোগ হারিয়ে ফেলি, তবে একই সঙ্গে বল কেড়ে নিতেও জানি। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলাম এবং গোলটি করতে সক্ষম হয়েছি।’
দলের কাউন্টার অ্যাটাক ট্যাকটিক্স নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইয়ামাল জানান, ‘প্রতিপক্ষের পায়ে বল থাকলেও আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। কারণ আমাদের স্কোয়াডে খুব দ্রুতগতির খেলোয়াড় রয়েছে এবং পাল্টা আক্রমণে কীভাবে খেলতে হয়, তা আমাদের খুব ভালো জানা আছে। প্রতিটি ম্যাচে নিজের ভূমিকা কী হবে, তা সবারই জানা থাকে এবং আমরা সেটা বেশ ভালোভাবেই সম্পন্ন করতে পারি।’
ক্রীড়া ডেস্ক 

























