ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই হত্যা মামলায় ইনুর পক্ষে পঞ্চম দিনের যুক্তিতর্ক শেষ পঞ্চগড়ে চার মাস ধরে নিখোঁজ যুবক হাসান আলী (৩১) নামে যুবকের সন্ধান পাচ্ছে না পরিবার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলনে সভাপতি পদে  হারুনের পাল্লা ভারি  প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে রক্ষা পেল মেরিন ড্রাইভের ৩ হাজারেরও বেশি গাছ মৌলভীবাজারে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে ডুবেছে বোরো ধান অভিযুক্ত আকাশ গ্রেপ্তার, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ চট্টগ্রামে রেলের বগিতে আগুন বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, দল থেকে অব্যাহতি দক্ষিণ লেবানন খালি করার নির্দেশ জারি ইসরায়েলের তারিক সিদ্দিকীর দুই সহযোগী তৃতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ডে

ডিপিডিসি প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর নর্থ সাউথ জোনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিস্তৃত অভিযোগ উঠেছে বলে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ পাওয়া যায়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন সংযোগ, নিয়োগ বাণিজ্য, প্রকল্প ফাইল অনুমোদন, সাবস্টেশন ব্যবসায় সম্পৃক্ততা এবং ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জনের মতো গুরুতর দাবি।

বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী তিনি ডিপিডিসির স্টোর ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড স্টোর দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দায়িত্বও পালন করছেন। দায়িত্বের এই অবস্থান তাকে সংস্থার ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রাখে বলে জানা যায়।

২০২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। ওই অভিযোগে বলা হয়, আবু হেনা মোস্তফা কামাল বিভিন্ন সময়ে ঠিকাদারি কাজ, নতুন বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান, সিএসএস নিয়োগ এবং বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে অর্থ আদায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তিনি পূর্বে সিভিল ডিভিশনের সহকারী প্রকৌশলী (এসি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অনিয়মিত অর্থ গ্রহণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের সংস্কার ও আসবাবপত্র সরবরাহের কাজে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মুখোমুখি হন। পরবর্তীতে নর্থ সাউথ জোনে দায়িত্ব পাওয়ার পর আবারও বিভিন্ন প্রকল্প, ফাইল অনুমোদন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ব্যক্তিগত জীবন ও আচরণ সংক্রান্ত কিছু অনিয়মের কথাও সেখানে উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং কর্মস্থলে মদ্যপানের মতো অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এগুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো বক্তব্য দেয়নি।

একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনি রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে জমি এবং আশিয়ান সিটি এলাকায় প্লটের মালিক। পাশাপাশি মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় বাণিজ্যিক সম্পদের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, এসব সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

এছাড়া প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, তার বিরুদ্ধে একটি ঘটনায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন এবং পুলিশের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও ওঠে, যেখানে বলা হয় তিনি গাড়ি চালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান হয়।

অন্যদিকে অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, সাবস্টেশন ব্যবসার সঙ্গে তার পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে দাবি করা হয়, যেখানে সাবেক এক কর্মকর্তার আত্মীয়ের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত নন। সম্পদ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, কারও সম্পদ থাকলে সেটিকে অপরাধ হিসেবে দেখা উচিত নয়। কিছু বিষয়ে তিনি সরাসরি মন্তব্য না করে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করার কথা জানান।

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেকোনো অভিযোগ জমা হলে তা প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশন সাধারণভাবে জানায়, অভিযোগ পাওয়ামাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তদন্ত শুরু হয় না; বরং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক এক মন্তব্যে বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহারের মানসিকতা থেকেই দুর্নীতির জন্ম হয় এবং এটি রোধে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানসিক পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কোনো বিকল্প নেই।

ডিপিডিসি ও বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট মহলে এসব অভিযোগকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বা আদালতের রায় প্রকাশিত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করে, এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে জনআস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই হত্যা মামলায় ইনুর পক্ষে পঞ্চম দিনের যুক্তিতর্ক শেষ

ডিপিডিসি প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)-এর নর্থ সাউথ জোনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিস্তৃত অভিযোগ উঠেছে বলে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ পাওয়া যায়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন সংযোগ, নিয়োগ বাণিজ্য, প্রকল্প ফাইল অনুমোদন, সাবস্টেশন ব্যবসায় সম্পৃক্ততা এবং ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জনের মতো গুরুতর দাবি।

বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী তিনি ডিপিডিসির স্টোর ম্যানেজমেন্ট দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড স্টোর দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দায়িত্বও পালন করছেন। দায়িত্বের এই অবস্থান তাকে সংস্থার ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত রাখে বলে জানা যায়।

২০২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। ওই অভিযোগে বলা হয়, আবু হেনা মোস্তফা কামাল বিভিন্ন সময়ে ঠিকাদারি কাজ, নতুন বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান, সিএসএস নিয়োগ এবং বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে অর্থ আদায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তিনি পূর্বে সিভিল ডিভিশনের সহকারী প্রকৌশলী (এসি) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঠিকাদারদের কাছ থেকে অনিয়মিত অর্থ গ্রহণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের সংস্কার ও আসবাবপত্র সরবরাহের কাজে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের মুখোমুখি হন। পরবর্তীতে নর্থ সাউথ জোনে দায়িত্ব পাওয়ার পর আবারও বিভিন্ন প্রকল্প, ফাইল অনুমোদন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, ব্যক্তিগত জীবন ও আচরণ সংক্রান্ত কিছু অনিয়মের কথাও সেখানে উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং কর্মস্থলে মদ্যপানের মতো অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এগুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো বক্তব্য দেয়নি।

একই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনি রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে জমি এবং আশিয়ান সিটি এলাকায় প্লটের মালিক। পাশাপাশি মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় বাণিজ্যিক সম্পদের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, এসব সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

এছাড়া প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, তার বিরুদ্ধে একটি ঘটনায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন এবং পুলিশের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও ওঠে, যেখানে বলা হয় তিনি গাড়ি চালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান হয়।

অন্যদিকে অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, সাবস্টেশন ব্যবসার সঙ্গে তার পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে দাবি করা হয়, যেখানে সাবেক এক কর্মকর্তার আত্মীয়ের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবগত নন। সম্পদ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, কারও সম্পদ থাকলে সেটিকে অপরাধ হিসেবে দেখা উচিত নয়। কিছু বিষয়ে তিনি সরাসরি মন্তব্য না করে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করার কথা জানান।

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেকোনো অভিযোগ জমা হলে তা প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশন সাধারণভাবে জানায়, অভিযোগ পাওয়ামাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তদন্ত শুরু হয় না; বরং তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক এক মন্তব্যে বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহারের মানসিকতা থেকেই দুর্নীতির জন্ম হয় এবং এটি রোধে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানসিক পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কোনো বিকল্প নেই।

ডিপিডিসি ও বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট মহলে এসব অভিযোগকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বা আদালতের রায় প্রকাশিত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করে, এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে জনআস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দেন।