সংবাদ শিরোনাম ::
গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের উদ্যোগে ফরিদপুরে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দূর্নীতিবাজ প্রদীপ বসাক আবরও নতুন দূর্নীতিতে আলোচনায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন সঞ্জিত ১২ বছরে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় বরিশালে এলজিইডিতে প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচনায় রহমত-ই-খুদা লতিফপুরের চানপুর-হাটুভাঙা রাস্তার বেহাল দশা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার এসআই জনি কান্তি দে’র বিরুদ্ধে ৮৪ কেজি গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগ কর্মীদের নামে শত কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে পলাতক আদনান ইমাম শতকোটি টাকার মালিক সাব-রেজিস্ট্রার কামরুল ও তার স্ত্রী রিক্তা মুক্তিযোদ্ধা বাবার সরকারি ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে বাঁ পায়ের জাদুতে গোল করে চমক দেখালেন জাইমা রহমান

সম্পদের বিবরণ দিলেন ডা. তাসনিম জারা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৫:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৯৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ঢাকা-৯ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা। তার নিজের নামে নেই কোনো ফ্ল্যাট, বাড়ি কিংবা কৃষি-অকৃষি জমি। এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ঋণ খেলাপের অভিযোগও নেই। নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, যা মূলত চাকরি থেকেই আসে। ব্যাংক আমানত থেকে তার আয় মাত্র ২৬৪ টাকা। এছাড়া বিদেশ থেকেও তিনি ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেছেন। গত করবর্ষে তিনি ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, ডা. জারার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। এর মধ্যে তার হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্যাংকে নিজ নামে জমা আছে মাত্র ১০ হাজার ১৯ টাকা। এছাড়া আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রয়েছে তার। তবে স্থাবর কোনো সম্পদ নেই এই প্রার্থীর।

হলফনামায় স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর সম্পদের বিবরণও দিয়েছেন তিনি। পেশায় উদ্যোক্তা ও গবেষক খালেদ সাইফুল্লাহর হাতে নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড রয়েছে। বিদেশের উৎস থেকে তার স্বামীর বার্ষিক আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা তাসনিম জারার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার বাবার নাম ফখরুল হাসান এবং মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে অতীতে বা বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা নন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের উদ্যোগে ফরিদপুরে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সম্পদের বিবরণ দিলেন ডা. তাসনিম জারা

আপডেট সময় ০৫:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ঢাকা-৯ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা। তার নিজের নামে নেই কোনো ফ্ল্যাট, বাড়ি কিংবা কৃষি-অকৃষি জমি। এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ঋণ খেলাপের অভিযোগও নেই। নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, যা মূলত চাকরি থেকেই আসে। ব্যাংক আমানত থেকে তার আয় মাত্র ২৬৪ টাকা। এছাড়া বিদেশ থেকেও তিনি ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেছেন। গত করবর্ষে তিনি ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, ডা. জারার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। এর মধ্যে তার হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্যাংকে নিজ নামে জমা আছে মাত্র ১০ হাজার ১৯ টাকা। এছাড়া আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রয়েছে তার। তবে স্থাবর কোনো সম্পদ নেই এই প্রার্থীর।

হলফনামায় স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর সম্পদের বিবরণও দিয়েছেন তিনি। পেশায় উদ্যোক্তা ও গবেষক খালেদ সাইফুল্লাহর হাতে নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড রয়েছে। বিদেশের উৎস থেকে তার স্বামীর বার্ষিক আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা তাসনিম জারার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার বাবার নাম ফখরুল হাসান এবং মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে অতীতে বা বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা নন।