ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজস্ব কর্মকর্তার দুর্নীতির তথ্য নেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি পবিপ্রবির পরিবহন বহরে যুক্ত হলো বিআরটিসির দোতলা বাস পাঁচ কোটির কাজ, ৫০ লাখের লেনদেন, চাপে মামলা: প্রশ্নের মুখে বিএডিসি গার্মেন্টসে অস্থিরতায় সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বড়লেখার দাসের বাজারে বিএনপির মতবিনিময় সভা, প্রধান অতিথি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু অটোরিকশা নিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মাইকিং গঙ্গার পানি না এলে ভারতীয় পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না: নাহিদ ইসলাম নাটোরের সাবেক এমপি শিমুলের সহযোগী যুবলীগ নেতা আটক তাহসিফের মৃত্যুরহস্য: বারে মদ্যপান থেকে টঙ্গীর মাঠে যাওয়ার বর্ণনা দীপের পিডিবিকে পাত্তা দিচ্ছে না চট্টগ্রাম বিআরটিএ, বকেয়া বিলের কারণে বিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ
ত্যাগ, সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির প্রতীক জুবায়ের আলম

৩২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক ভূমিকার কারণে পরিচিত মুখ জুবায়ের আলম। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, বহু বছরের রাজনৈতিক ত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে তিনি ওয়ার্ডজুড়ে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র জানায়, জুবায়ের আলম প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন সময়ে তিনি জেল-জুলুম, মামলার চাপ, গুমের আতঙ্ক এবং ‘শুট অন সাইট’-এর মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও রাজনৈতিক আদর্শ থেকে সরে দাঁড়াননি। আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারবিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি আহত হন বলেও তার সহকর্মীরা দাবি করেন।

পরিবারের সদস্যদেরও এই সংগ্রামের বড় মূল্য দিতে হয়েছে বলে জানা যায়। তার মুক্তির দাবিতে মা আদালতের বারান্দায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করেছেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও নানা ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা উল্লেখ করেন।

জুবায়ের আলম বংশাল থানা বিএনপির ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মতে, এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, পরিচ্ছন্নতা, নাগরিক সেবা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি একটি জনবান্ধব নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও জুবায়ের আলমের রাজনৈতিক ত্যাগ ও সংগ্রামের বিষয়ে অবগত রয়েছেন এবং বিভিন্ন সময়ে তার অবদানের মূল্যায়ন করেছেন।

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জুবায়ের আলমকে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান বলে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা ও নেতাকর্মী মত প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সততা, ত্যাগ এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তাদের প্রত্যাশা, সংগ্রাম, সততা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত জুবায়ের আলম আগামী দিনে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজস্ব কর্মকর্তার দুর্নীতির তথ্য নেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি

ত্যাগ, সংগ্রাম ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির প্রতীক জুবায়ের আলম

৩২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০৬:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক ভূমিকার কারণে পরিচিত মুখ জুবায়ের আলম। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, বহু বছরের রাজনৈতিক ত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে তিনি ওয়ার্ডজুড়ে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র জানায়, জুবায়ের আলম প্রায় ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন সময়ে তিনি জেল-জুলুম, মামলার চাপ, গুমের আতঙ্ক এবং ‘শুট অন সাইট’-এর মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও রাজনৈতিক আদর্শ থেকে সরে দাঁড়াননি। আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারবিরোধী কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি আহত হন বলেও তার সহকর্মীরা দাবি করেন।

পরিবারের সদস্যদেরও এই সংগ্রামের বড় মূল্য দিতে হয়েছে বলে জানা যায়। তার মুক্তির দাবিতে মা আদালতের বারান্দায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করেছেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও নানা ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা উল্লেখ করেন।

জুবায়ের আলম বংশাল থানা বিএনপির ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মতে, এলাকার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, পরিচ্ছন্নতা, নাগরিক সেবা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি একটি জনবান্ধব নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও জুবায়ের আলমের রাজনৈতিক ত্যাগ ও সংগ্রামের বিষয়ে অবগত রয়েছেন এবং বিভিন্ন সময়ে তার অবদানের মূল্যায়ন করেছেন।

আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জুবায়ের আলমকে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান বলে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা ও নেতাকর্মী মত প্রকাশ করেছেন। তাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সততা, ত্যাগ এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

তাদের প্রত্যাশা, সংগ্রাম, সততা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত জুবায়ের আলম আগামী দিনে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।