ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ মোবাইল কোর্টের অভিযানে হেলমেট না পরায় ৫ মামলায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য গোসিংগা ইউনিয়ন বিএনপি’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে: পবিপ্রবি উপাচার্য বর্তমানে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন, ব্যাংক লুটের খবর নেই : পার্থ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মিলন রানীর পাশে উপজেলা প্রশাসন জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করলে আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দেবেন না : ডা. শফিকুর রহমান

রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ড মজুমদার কান্দী গ্রামের যুবক সোহাগ মুন্সী (২৩) লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার পরিবার । এ ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।
বুধবার রাতে সোহাগের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত সোহাগ মুন্সী উপজেলার মজুমদার কান্দী গ্রামের আসরাফ আলী মুন্সী ও শাহিনুর বেগমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রঙ মিস্ত্রি ছিলেন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।
পরিবারের সদস্যরা জানান, উন্নত জীবনের আশায় ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ২২ লাখ টাকার চুক্তিতে বিদেশে যান সোহাগ। প্রথমে তাকে সৌদি আরব নেওয়া হলেও পরে লিবিয়ার ত্রিপোলিতে নিয়ে একটি সশস্ত্র চক্রের কাছে জিম্মি করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, রাজৈর উপজেলার মজুমদার কান্দী গ্রামের মুকুল শেখের স্ত্রী ময়না আক্তার এবং প্রধান মানবপাচারকারী হিসেবে হোসেনপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের জুলহাস সরদারের মাধ্যমে সোহাগকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে তাকে অমানবিক নির্যাতন করা হয় এবং সেই নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে কয়েক দফায় প্রায় ৬০ লাখ টাকা আদায় করে মাফিয়া চক্র ।
পরিবার আরও জানায়, পরে দেশে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়ে অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এমনকি লিবিয়ার বিমানবন্দরে নেওয়ার পরও তাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর গত ১৩ জুলাই আরও ২৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে সোহাগের পরিবারের কাছে । দাবিকৃত অর্থ দিতে দেরি হওয়ায় গত ২৯ জুলাই সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। বুধবার রাতে অন্যজনের ভয়েস কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
এদিকে, মানবপাচারের অভিযোগে জুলহাস সরদার গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত ২২ জুলাই রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের মা শাহিনুর বেগম। পরে সোহাগ নিহত হওয়ার ঘটনায় ২৯ জুলাই তিনি আরও একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সোহাগের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের কান্নায় পুরো এলাকার আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে । ছেলেকে হারানোর শোকে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন নিহতের মা শাহিনুর বেগম। এলাকাবাসী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বিদেশে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে যুবকদের লিবিয়ায় পাচার, মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি এবং মুক্তিপণের নামে বিপুল অঙ্কের টাকা আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদার (৫০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর কদমতলীর স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৮ (মাদারীপুর) ও র‍্যাব-১০ (যাত্রাবাড়ী)। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার রাতেই তাকে রাজৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আরমান শেখকে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে জুলহাস সরদারসহ ৯ সদস্যের একটি চক্র তার পরিবারের কাছ থেকে প্রথমে ২৩ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু ইতালি পাঠানোর পরিবর্তে আরমানকে লিবিয়ায় নিয়ে একটি মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। পরে ছেলেকে জীবিত ফেরানোর আশায় আরমানের পরিবার কয়েক দফায় আরও ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হয়।
এ ঘটনায় গত ১২ জুন আরমানের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি  র‍্যাব আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।
র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জুলহাস সরদার রাজৈর উপজেলার সত্যবদী গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার, হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
আরো রাজৈর থানায় জুলহাসের নামে ৪টি মামলা রুজু করা হয়েছে।
আরো মামলা হতে পারে।
তবে মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার অন্যান্য মামলা প্রক্রিয়াদীন।
জুলহাস সরদারের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকালে রাজৈর থানার সামনে ভিড় করেন আরও অনেক ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, জুলহাস সরদার বিদেশে পাঠানোর নামে অন্তত ২০টি পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অনেক পরিবারের সন্তান এখনও বিদেশে দালাল চক্রের কবলে জিম্মি রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
রাজৈর থানা পুলিশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জুলহাস সরদারকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালতের নির্দেশে তাকে মাদারীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। নিহত সোহাগের পরিবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় রাজৈর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধন করে, এলাকাবাসী দালাল চক্রের ফাঁসি সহ বিচারের দাবি করে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খননের উদ্বৃত্ত ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে নজির, প্রশংসিত এমপি

রাজৈরে লিবিয়ায় নির্যাতনের পর নিহত সোহাগ মুন্সি পরিবারের থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ড মজুমদার কান্দী গ্রামের যুবক সোহাগ মুন্সী (২৩) লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার পরিবার । এ ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।
বুধবার রাতে সোহাগের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত সোহাগ মুন্সী উপজেলার মজুমদার কান্দী গ্রামের আসরাফ আলী মুন্সী ও শাহিনুর বেগমের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রঙ মিস্ত্রি ছিলেন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।
পরিবারের সদস্যরা জানান, উন্নত জীবনের আশায় ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ২২ লাখ টাকার চুক্তিতে বিদেশে যান সোহাগ। প্রথমে তাকে সৌদি আরব নেওয়া হলেও পরে লিবিয়ার ত্রিপোলিতে নিয়ে একটি সশস্ত্র চক্রের কাছে জিম্মি করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, রাজৈর উপজেলার মজুমদার কান্দী গ্রামের মুকুল শেখের স্ত্রী ময়না আক্তার এবং প্রধান মানবপাচারকারী হিসেবে হোসেনপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের জুলহাস সরদারের মাধ্যমে সোহাগকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে তাকে অমানবিক নির্যাতন করা হয় এবং সেই নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে কয়েক দফায় প্রায় ৬০ লাখ টাকা আদায় করে মাফিয়া চক্র ।
পরিবার আরও জানায়, পরে দেশে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়ে অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এমনকি লিবিয়ার বিমানবন্দরে নেওয়ার পরও তাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর গত ১৩ জুলাই আরও ২৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে সোহাগের পরিবারের কাছে । দাবিকৃত অর্থ দিতে দেরি হওয়ায় গত ২৯ জুলাই সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। বুধবার রাতে অন্যজনের ভয়েস কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
এদিকে, মানবপাচারের অভিযোগে জুলহাস সরদার গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত ২২ জুলাই রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের মা শাহিনুর বেগম। পরে সোহাগ নিহত হওয়ার ঘটনায় ২৯ জুলাই তিনি আরও একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সোহাগের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, স্বজনদের কান্নায় পুরো এলাকার আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে । ছেলেকে হারানোর শোকে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন নিহতের মা শাহিনুর বেগম। এলাকাবাসী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বিদেশে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে যুবকদের লিবিয়ায় পাচার, মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি এবং মুক্তিপণের নামে বিপুল অঙ্কের টাকা আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদার (৫০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর কদমতলীর স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৮ (মাদারীপুর) ও র‍্যাব-১০ (যাত্রাবাড়ী)। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার রাতেই তাকে রাজৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আরমান শেখকে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে জুলহাস সরদারসহ ৯ সদস্যের একটি চক্র তার পরিবারের কাছ থেকে প্রথমে ২৩ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু ইতালি পাঠানোর পরিবর্তে আরমানকে লিবিয়ায় নিয়ে একটি মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। পরে ছেলেকে জীবিত ফেরানোর আশায় আরমানের পরিবার কয়েক দফায় আরও ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হয়।
এ ঘটনায় গত ১২ জুন আরমানের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি  র‍্যাব আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত শুরু করে।
র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত জুলহাস সরদার রাজৈর উপজেলার সত্যবদী গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার, হত্যা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
আরো রাজৈর থানায় জুলহাসের নামে ৪টি মামলা রুজু করা হয়েছে।
আরো মামলা হতে পারে।
তবে মামলার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার অন্যান্য মামলা প্রক্রিয়াদীন।
জুলহাস সরদারের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকালে রাজৈর থানার সামনে ভিড় করেন আরও অনেক ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, জুলহাস সরদার বিদেশে পাঠানোর নামে অন্তত ২০টি পরিবারের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অনেক পরিবারের সন্তান এখনও বিদেশে দালাল চক্রের কবলে জিম্মি রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
রাজৈর থানা পুলিশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জুলহাস সরদারকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালতের নির্দেশে তাকে মাদারীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। নিহত সোহাগের পরিবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় রাজৈর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধন করে, এলাকাবাসী দালাল চক্রের ফাঁসি সহ বিচারের দাবি করে।