ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কেরালায় ‘যমজ’ বিয়ের আয়োজন, বর-কনে-পুরোহিত সবাই যমজ সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তুরাগে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ তারার টেকের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হৃদয় গ্রেপ্তার ফেনীতে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, হামলায় নারীসহ আহত ২; মামলা না নেওয়ার অভিযোগ লালদিয়া টার্মিনাল বন্দরের সক্ষমতা ২৩% বাড়ানোর পরিকল্পনা এপিএম টার্মিনালসের আজ গার্লফ্রেন্ড দিবস, শেষ মুহূর্তেও চমকে দিন এই ৬ উপহারে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি যেন মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত হয়েছে প্যান্টের নিচে কোটি টাকার সোনাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সম্পদের বিবরণ দিলেন ডা. তাসনিম জারা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৫:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ঢাকা-৯ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা। তার নিজের নামে নেই কোনো ফ্ল্যাট, বাড়ি কিংবা কৃষি-অকৃষি জমি। এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ঋণ খেলাপের অভিযোগও নেই। নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, যা মূলত চাকরি থেকেই আসে। ব্যাংক আমানত থেকে তার আয় মাত্র ২৬৪ টাকা। এছাড়া বিদেশ থেকেও তিনি ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেছেন। গত করবর্ষে তিনি ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, ডা. জারার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। এর মধ্যে তার হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্যাংকে নিজ নামে জমা আছে মাত্র ১০ হাজার ১৯ টাকা। এছাড়া আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রয়েছে তার। তবে স্থাবর কোনো সম্পদ নেই এই প্রার্থীর।

হলফনামায় স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর সম্পদের বিবরণও দিয়েছেন তিনি। পেশায় উদ্যোক্তা ও গবেষক খালেদ সাইফুল্লাহর হাতে নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড রয়েছে। বিদেশের উৎস থেকে তার স্বামীর বার্ষিক আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা তাসনিম জারার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার বাবার নাম ফখরুল হাসান এবং মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে অতীতে বা বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা নন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেরালায় ‘যমজ’ বিয়ের আয়োজন, বর-কনে-পুরোহিত সবাই যমজ

সম্পদের বিবরণ দিলেন ডা. তাসনিম জারা

আপডেট সময় ০৫:২০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ঢাকা-৯ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ টাকা। তার নিজের নামে নেই কোনো ফ্ল্যাট, বাড়ি কিংবা কৃষি-অকৃষি জমি। এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা ঋণ খেলাপের অভিযোগও নেই। নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর খিলগাঁও চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ডা. তাসনিম জারা পেশায় একজন চিকিৎসক। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা, যা মূলত চাকরি থেকেই আসে। ব্যাংক আমানত থেকে তার আয় মাত্র ২৬৪ টাকা। এছাড়া বিদেশ থেকেও তিনি ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেছেন। গত করবর্ষে তিনি ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা আয়কর প্রদান করেছেন।

সম্পদের বিবরণীতে দেখা যায়, ডা. জারার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা। এর মধ্যে তার হাতে নগদ আছে ১৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড। ব্যাংকে নিজ নামে জমা আছে মাত্র ১০ হাজার ১৯ টাকা। এছাড়া আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রয়েছে তার। তবে স্থাবর কোনো সম্পদ নেই এই প্রার্থীর।

হলফনামায় স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর সম্পদের বিবরণও দিয়েছেন তিনি। পেশায় উদ্যোক্তা ও গবেষক খালেদ সাইফুল্লাহর হাতে নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং ৬ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড রয়েছে। বিদেশের উৎস থেকে তার স্বামীর বার্ষিক আয় ৩৯ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

১৯৯৪ সালের ৭ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করা তাসনিম জারার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার বাবার নাম ফখরুল হাসান এবং মায়ের নাম আমেনা আক্তার দেওয়ান। হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে অতীতে বা বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই এবং তিনি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতা নন।