সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নের সাদাপুর গ্রামে যখনই কেউ অসুস্থ হয়, তখন প্রথমেই যার কথা মনে পড়ে, তিনি হলেন — রফিক ডাক্তার। পেশায় একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্রাম্য চিকিৎসক, কিন্তু মানবসেবায় তার অবদান আজ প্রশংসিত ও অনুকরণীয়।
২২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই ডাক্তার *“মা ফার্মেসী”* নামে একটি চিকিৎসা কেন্দ্র চালাচ্ছেন গত আট বছর ধরে। বিনা ভিজিটে রোগী দেখা, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের প্রতি তার মমত্ববোধ তাকে আলাদা করে দিয়েছে অন্যদের চেয়ে। মধ্যরাত হোক কিংবা ভোরের ঘুম ভাঙা ডাক — রফিক ডাক্তার সাড়া দেন সবার আগে।
তিনি শুধু একজন চিকিৎসক নন, এই গ্রামের মানুষের কাছে তিনি একজন “নির্ভরতার প্রতীক”। গরিব, অসহায়, দুস্থ মানুষের কাছে তিনি একজন পরিবার সদস্যের মতোই। অনেকে বলেন, “ডাক্তার সাহেবকে দেখালেই অর্ধেক রোগ ভালো হয়ে যায়।”
রফিক ডাক্তার জানান,
*“আমি কোনো দিন অর্থের জন্য এই পেশায় আসিনি। মানুষের সেবা করাই আমার উদ্দেশ্য। এই কাজটিই আমি সারা জীবন করে যেতে চাই।”*
তার *মা ফার্মেসী* এখন শুধু ওষুধের দোকান নয়, এটি হয়ে উঠেছে মানুষের জন্য একটি ভরসার স্থান, ভালোবাসার কেন্দ্র। প্রতিদিন শত শত মানুষ আসেন চিকিৎসা নিতে, আর কেউ ফিরেন না হতাশ হয়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,
*“রফিক ডাক্তার হচ্ছেন আমাদের পরিবারের অংশ। তার মতো নিরলস সেবক খুব কম দেখা যায়।”*
গ্রাম থেকে গ্রামে, মানুষের মুখে মুখে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। আজ রফিক ডাক্তার শুধুই একজন ফার্মেসি মালিক বা গ্রাম্য ডাক্তার নন, তিনি একজন সমাজসেবী, একজন প্রকৃত মানবসেবক।
রফিক ডাক্তারের মতো মানুষই আমাদের সমাজের জন্য আশীর্বাদ। তার জীবনের গল্প অনুপ্রেরণা হতে পারে অনেকের জন্য। তার মতো মানুষের পাশে সমাজ ও রাষ্ট্র যদি আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড়ায়, তাহলে গ্রামবাংলার স্বাস্থ্যসেবার চেহারাই বদলে যাবে।
*রফিক ডাক্তার — একজন সেবক, একজন নায়ক।*
মোঃ রিমন শিকদার স্টাফ রিপোর্টার 






















