ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেট সীমান্তে সক্রিয় সেই আলোচিত ‘শ্যাম কালা’ একই কর্মস্থলে ৮ বছর দাপট খাটানো সেই সমবায় কর্মকর্তা মাহফুজা এবার মিঠাপুকুরে বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত হলিস্টিক গ্রুপের দুই শত কোটি টাকার প্রতারণা পবিপ্রবিতে গ্রেটার রাজশাহী স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্সের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা গাজী নজরুল ইসলামকে বাদ দিয়েই সংসদীয় কমিটি গঠন রেলওয়ের প্রকৌশলী শাহ আলমের কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে দুটি  বিস্ফোরক ও হত্যা মামলার আসামী আল মামুন  অটোরিকশায় যুক্ত হচ্ছে কিউআর কোড ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম অটোরিকশায় বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাপ ধরতে গিয়ে সাপুড়ের মৃত্যু

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বিষাক্ত সাপ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের কাপালি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত ওই সাপুড়ের নাম বয়েজ উদ্দিন। তিনি একই উপজেলার বল্লভের খাষ ইউনিয়নের ডাক্তার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে কাপালি পাড়ার বাসিন্দা ইমরান আলীর বাড়ির রান্না ঘরে গর্তে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। পরে সাপটি ধরতে স্থানীয় সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিনকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সাপুড়ে ওই বাড়িতে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় বিষধর সাপটি ধরে। বেশ কিছুক্ষণ লেজ ধরে সাপটি ঝুলিয়ে রাখে। পরে সাপটিকে বস্তায় ভরার সময় সাপুড়ের বাম হাতে সাপটি কামড় দেয়। এর কিছুক্ষণ পর শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
বয়েজ উদ্দিনের ভাগ্নে সিরাজুল ইসলাম বলেন, বয়েজ উদ্দিন আমার মামা হন। তিনি পেশায় সেলো মেকানিক তবে তিনি দীর্ঘদিন থেকে সাপ ধরেন। আজ সকালে কমেদপুর কাপালি পাড়া থেকে লোক এসে সাপ ধরার জন্য ডেকে নিয়ে যান। সেখানকার ইমরান আলীর বাড়ির রান্না ঘর থেকে একটি সাপ ধরেনে। বস্তায় ঢোকানোর সময় সাপ ছোবল মারে। পরে খবর পেয়ে আমরা তাকে হাসপাতালে নেই।

ইমরান আলী বলেন, তার বাড়ির রান্নাঘরে অনেক দিন থেকে সাপের উপদ্রব ছিল। আজকে বয়েজ উদ্দিনকে ডেকে নিয়ে যাই। রান্নাঘরের একটি ইদুরের গর্ত থেকে সাপের তিনটি বাচ্চাসহ সে সাপটিকে ধরে। পরে বস্তায় ঢুকানোর সময় সাপটি উল্টে তার হাতে ছোবল মারে। অনেকক্ষণ পর বিষক্রিয়া শুরু হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ভুরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এসএম আবু সায়েম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সীমান্তে সক্রিয় সেই আলোচিত ‘শ্যাম কালা’

সাপ ধরতে গিয়ে সাপুড়ের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৩:৩২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় বিষাক্ত সাপ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে এক সাপুড়ের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের কাপালি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত ওই সাপুড়ের নাম বয়েজ উদ্দিন। তিনি একই উপজেলার বল্লভের খাষ ইউনিয়নের ডাক্তার পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে কাপালি পাড়ার বাসিন্দা ইমরান আলীর বাড়ির রান্না ঘরে গর্তে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। পরে সাপটি ধরতে স্থানীয় সাপুড়ে বয়েজ উদ্দিনকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সাপুড়ে ওই বাড়িতে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় বিষধর সাপটি ধরে। বেশ কিছুক্ষণ লেজ ধরে সাপটি ঝুলিয়ে রাখে। পরে সাপটিকে বস্তায় ভরার সময় সাপুড়ের বাম হাতে সাপটি কামড় দেয়। এর কিছুক্ষণ পর শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
বয়েজ উদ্দিনের ভাগ্নে সিরাজুল ইসলাম বলেন, বয়েজ উদ্দিন আমার মামা হন। তিনি পেশায় সেলো মেকানিক তবে তিনি দীর্ঘদিন থেকে সাপ ধরেন। আজ সকালে কমেদপুর কাপালি পাড়া থেকে লোক এসে সাপ ধরার জন্য ডেকে নিয়ে যান। সেখানকার ইমরান আলীর বাড়ির রান্না ঘর থেকে একটি সাপ ধরেনে। বস্তায় ঢোকানোর সময় সাপ ছোবল মারে। পরে খবর পেয়ে আমরা তাকে হাসপাতালে নেই।

ইমরান আলী বলেন, তার বাড়ির রান্নাঘরে অনেক দিন থেকে সাপের উপদ্রব ছিল। আজকে বয়েজ উদ্দিনকে ডেকে নিয়ে যাই। রান্নাঘরের একটি ইদুরের গর্ত থেকে সাপের তিনটি বাচ্চাসহ সে সাপটিকে ধরে। পরে বস্তায় ঢুকানোর সময় সাপটি উল্টে তার হাতে ছোবল মারে। অনেকক্ষণ পর বিষক্রিয়া শুরু হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ভুরুঙ্গামারী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এসএম আবু সায়েম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে।