ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিখোঁজ দিন মজুর জুয়েলের ট্রেনে কাটা লাশ পাওয়া গেছে গাইবান্ধা মহিমাগঞ্জ রেলব্রিজের পাশে

 

গত কাল ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার গাইবান্ধা মহিমাগঞ্জ রেডব্রিজের পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির ট্টেনে কাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়, পরে রেল পুলিশ লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা মর্গে প্রেরন করে। অজ্ঞত লাশের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। এমন একটি ফেসবুক পোষ্ট পাটগ্রামের স্থানীয় মানুষের চোখে পড়লে জুয়েল নিখোঁজের বিষয়টি সামনে আসে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, জুয়েল সহ স্থানীয় সাদ্দাম, শাহীন, আশরাফ, সাইদুল, ও মনোয়ার এই ৬ দিনমজুর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা হতে ৯ ফেব্রুয়ারি করতোয়া এক্সপ্রেসে কাজের সন্ধানে বগুড়ার উদ্যেশে রওনা করে। পরের দিনেই জুয়েল বাদে বাকি সবাই ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বাড়ি ফিরে আসে। এ বিষয়ে জুয়েলের পরিবারের লোকজন তাদের জিজ্ঞেস করলে বলে জুয়েল হারিয়ে গেছে। কিন্তু তারা কেন ফিরে এসেছে এ বিষয়ে তারা কিছুই বলে না। পরে ফেসবুক পোষ্ট দেখে নিশ্চিত ও পাটগ্রাম থানা পুলিশের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয় যে জুয়েল ট্রেনে কাটা পরে মারা গেছে। তবে জুয়েলের পরিবারের দাবি তার ভাইকে উদ্যেশ্য প্রনোদিত ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে।
এবিষয়ে নিহতে চাচাতো ভাই আব্দুর রউফ রাজন জানান আমরা ঘটনা স্থলে এসেছি এবং জিআরপি পুলিয়ের মাধ্যমে জানতে পারি, নিহতে পরিচয় না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করে অজ্ঞাত লাশ হিসেবে গতকাল সোমবার সন্ধার পর দাফন করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২৮

নিখোঁজ দিন মজুর জুয়েলের ট্রেনে কাটা লাশ পাওয়া গেছে গাইবান্ধা মহিমাগঞ্জ রেলব্রিজের পাশে

আপডেট সময় ০১:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

গত কাল ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার গাইবান্ধা মহিমাগঞ্জ রেডব্রিজের পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির ট্টেনে কাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়, পরে রেল পুলিশ লাশ উদ্ধার করে গাইবান্ধা মর্গে প্রেরন করে। অজ্ঞত লাশের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে। এমন একটি ফেসবুক পোষ্ট পাটগ্রামের স্থানীয় মানুষের চোখে পড়লে জুয়েল নিখোঁজের বিষয়টি সামনে আসে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, জুয়েল সহ স্থানীয় সাদ্দাম, শাহীন, আশরাফ, সাইদুল, ও মনোয়ার এই ৬ দিনমজুর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা হতে ৯ ফেব্রুয়ারি করতোয়া এক্সপ্রেসে কাজের সন্ধানে বগুড়ার উদ্যেশে রওনা করে। পরের দিনেই জুয়েল বাদে বাকি সবাই ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বাড়ি ফিরে আসে। এ বিষয়ে জুয়েলের পরিবারের লোকজন তাদের জিজ্ঞেস করলে বলে জুয়েল হারিয়ে গেছে। কিন্তু তারা কেন ফিরে এসেছে এ বিষয়ে তারা কিছুই বলে না। পরে ফেসবুক পোষ্ট দেখে নিশ্চিত ও পাটগ্রাম থানা পুলিশের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয় যে জুয়েল ট্রেনে কাটা পরে মারা গেছে। তবে জুয়েলের পরিবারের দাবি তার ভাইকে উদ্যেশ্য প্রনোদিত ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে।
এবিষয়ে নিহতে চাচাতো ভাই আব্দুর রউফ রাজন জানান আমরা ঘটনা স্থলে এসেছি এবং জিআরপি পুলিয়ের মাধ্যমে জানতে পারি, নিহতে পরিচয় না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করে অজ্ঞাত লাশ হিসেবে গতকাল সোমবার সন্ধার পর দাফন করা হয়েছে।